গান বাজনা
চলে গেলেন আলম খান

আলম খান (ছবি: ফেসবুক)
আজ ভোরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন বরেণ্য অভিনয়শিল্পী শর্মিলী আহমেদ। এই শোকের মাঝেই সংস্কৃতি অঙ্গনে এলো আরও এক শোকের খবর। সংগীত পরিচালক আলম খান আর নেই। আজ সকাল ১১টা ৩২ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)।
জানা গেছে, আজ বাদ আসর এফডিসিতে তাঁর জানাজা হবে। আগামীকাল শ্রীমঙ্গলে তাঁর দাফন হবে। ২০১১ সালে আলম খানের ফুসফুসে ক্যানসার ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন দেশ–বিদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর।
আলম খান ১৯৪৪ সালে সিরাজগঞ্জের বানিয়াগাতি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পপসম্রাটখ্যাত আজম খানের আপন বড় ভাই। ১৯৭৬ সালে হাবিবুননেসা গুলবানুকে বিয়ে করেন আলম খান। গুলবানু একজন গীতিকার। তাঁদের দুই ছেলে আরমান খান ও আদনান খান—দুজনই সংগীত পরিচালক এবং একমাত্র মেয়ে আনিকা খান।
আলম খান ১৯৬৩ সালে রবিন ঘোষের সহকারী হিসেবে ‘তালাশ’ চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেন।
১৯৭০ সালে প্রথম চলচ্চিত্রকার আব্দুল জব্বার খান পরিচালিত ‘কাচ কাটা হীরে’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এককভাবে সংগীত পরিচালনা শুরু করেন। তাঁর সুর করা প্রথম জনপ্রিয় গান ‘স্লোগান’ ছায়াছবির ‘তবলার তেড়ে কেটে তাক’। এরপর ১৯৭৭ সালে আবদুল্লাহ আল মামুন তাঁর পরিচালিত ‘সারেং বৌ’ চলচ্চিত্রের গান নিয়ে কথা বলার সময় তাঁর ১৯৬৯ সালের সুর করা একটি মুখরা শোনালে ছবির পরিচালক তা নিতে আগ্রহী হন। ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সেই ছবির আবদুল জব্বারের কণ্ঠে ‘ওরে নীল দরিয়া’ গানটি তাঁর এক অনন্য সৃষ্টি। ১৯৮২ সালে ‘রজনীগন্ধা’ চলচ্চিত্রে সাবিনা ইয়াসমিনের গাওয়া ‘আমি রজনীগন্ধা ফুলের মত’ ও ‘বড় ভালো লোক ছিল’ চলচ্চিত্রের সৈয়দ শামসুল হকের লেখা এন্ড্রু কিশোরের কণ্ঠে ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’ দর্শকদের মনোযোগ কাড়ে। ‘বড় ভালো লোক ছিল’ চলচ্চিত্রের জন্য আলম খান অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ১৯৮৫ সালে তাঁর সুর করা ‘তিন কন্যা’ চলচ্চিত্রের ‘তিন কন্যা এক ছবি’ গান দিয়ে প্লেব্যাক শুরু করেন বলিউডের সংগীতশিল্পী কুমার শানু।
তিনি সর্বশেষ এ টি এম শামসুজ্জামান পরিচালিত ‘এবাদত’ চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ লাভ করেন। মোট সাতবার এ পুরস্কার পান তিনি।
আলম খানের সুর ও সংগীত পরিচালনায় সৃষ্ট অসংখ্য গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো—‘চুমকি চলেছে একা পথে’, ‘হীরামতি হীরামতি ও হীরামতি’, ‘আমি রজনীগন্ধা ফুলের মতো গন্ধ বিলিয়ে যাই’, ‘বুকে আছে মন’, ‘ সবাই তো ভালোবাসা চায়’, ‘ভালোবেসে গেলাম শুধু’, ‘আজকে না হয় ভালোবাসো আর কোনোদিন নয়’, ‘তেল গেলে ফুরাইয়া’, ‘আমি তোমার বধূ তুমি আমার স্বামী’, ‘মনে বড় আশা ছিল’, ‘দুনিয়াটা মস্ত বড়’, ‘ও সাথীরে যেও না কখনো দূরে’, ‘কাল তো ছিলাম ভালো’, ‘ওরে ও জান আমারই জান’, ভালোবাসিয়া গেলাম ফাঁসিয়া’ ইত্যাদি।
-
ছবিঘর2 years agoতাসনিয়া ফারিণের বিয়ের কিছু ছবি
-
বলিউড3 years ago‘ব্রহ্মাস্ত্র’ নিয়ে ক্যাটরিনার মধুর প্রতিশোধ!
-
নাটক3 years agoআমেরিকায় ফুরফুরে মেজাজে মেহজাবীন-তানজিন তিশা-ফারিণ
-
ওয়ার্ল্ড সিনেমা2 years agoবুসানে ফারুকী-তিশার সিনেমা দেখতে দর্শকদের ভিড়
-
ঢালিউড2 years agoরাষ্ট্রপতি সিনেমাহলে সপরিবারে ‘প্রিয়তমা’ দেখলেন
-
ওয়ার্ল্ড সিনেমা2 years ago‘জেলার’ হিট হওয়ায় ১০০ কোটি রুপি ও বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার পেলেন রজনীকান্ত
-
ঢালিউড3 years agoশাকিবের ‘প্রিয়তমা’ কলকাতার এই নায়িকা
-
ঢালিউড3 years ago‘বিউটি সার্কাস’: এমন চরিত্রে আর অভিনয় করবো না: ফেরদৌস
