Connect with us

টেলিভিশন

‘ইত্যাদি’তে শিবলী-নীপার ত্রিমাত্রিক নাচ

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

‘ইত্যাদি’তে শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নীপা এবং নৃত্যশিল্পীরা (ছবি: ফাগুন অডিও ভিশন)

ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র নাচ মানেই বাড়তি আয়োজন ও বাড়তি আকর্ষণ। এবারের বিষয়ভিত্তিক নৃত্যে তুলে ধরা হয়েছে তিনটি ধারা। এটি একটি ত্রিমাত্রিক নাচ বলা যায়। এতে অংশ নিয়েছেন নৃত্যজুটি শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নীপা। তাদের সঙ্গে ছিলেন দেড় শতাধিক নৃত্য ও অভিনয়শিল্পী।

নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ফাগুন অডিও ভিশন জানায়, নাচের বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুনত্বের স্বাদ দিতে রয়েছে নতুন সংগীত। সংগীত পরিচালনা করেছেন আকাশ মাহমুদ।

‘ইত্যাদি’তে শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নীপা এবং নৃত্যশিল্পীরা (ছবি: ফাগুন অডিও ভিশন)

শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নিপার পরিচালনায় তাদের বৈচিত্র্যময় পরিবেশনায় মূর্ত হয়েছে উৎসব-আনন্দের রূপ। এর আগে নিয়মিত মহড়া করেছেন সব নৃত্যশিল্পী।

‘ইত্যাদি’তে শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নীপা এবং নৃত্যশিল্পীরা (ছবি: ফাগুন অডিও ভিশন)

ঈদের ‘ইত্যাদি’তে বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের দেশাত্মবোধক গানের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ও ক্রিকেট দলের মেয়েরা। ঢাকার মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে কয়েক হাজার দর্শকের করতালির মধ্য দিয়ে গানটির শুটিং হয়েছে। সামাজিক ও পারিপার্শ্বিক বৈরিতাসহ বিভিন্ন প্রতিকূলতাকে জয় করে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনা খেলোয়াড়দের দেখে ‘বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।

‘ইত্যাদি’তে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে নারী ফুটবল ও ক্রিকেট দল (ছবি: ফাগুন অডিও ভিশন)

‘পতাকার লাল সূর্যটা মাগো, প্রতিটি হৃদয়ে জ্বেলে দাও’ কথার গানটি লিখেছেন দেশবরেণ্য গীতিকবি মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন আকাশ মাহমুদ।

সাবিনা ইয়াসমিন ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে কোরিওগ্রাফিতে অংশ নিয়েছেন শতাধিক নৃত্যশিল্পী। কোরিওগ্রাফি করেছেন মনিরুল ইসলাম মুকুল।

ঈদের ‘ইত্যাদি’ রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। ঈদের পরদিন একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচার হবে বিশেষ অনুষ্ঠানটি।

টেলিভিশন

আদনান আল রাজীবের নির্দেশনায় নিপুন-এলিটা দম্পতির অভিনয়

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

(বাঁ থেকে) আদনান আল রাজীব, আশফাক নিপুন ও এলিটা করিম (ছবি: ফেসবুক)

‘মহানগর’ ওয়েব সিরিজের নির্মাতা আশফাক নিপুন ও সংগীতশিল্পী এলিটা করিম দম্পতি প্রথমবার একসঙ্গে অভিনয় করলেন। একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকাতেই দেখা যাবে তাদের। এটি বার্জার রঙের। এর শুটিং হয়েছে ঢাকায়।

বিজ্ঞাপনচিত্রটি নির্মাণ করেছেন আদনান আল রাজীব। তিনি ও আশফাক নিপুন ছিলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ছবিয়ালের সহকারী।

পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয়ে ও মডেল হিসেবে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন আশফাক নিপুন। অন্যদিকে গান ও সাংবাদিকতার ফাঁকে টুকটাক অভিনয়ে দেখা গেছে এলিটাকে। ২০১০ সালে আশফাক নিপুণের পরিচালনায় ‘মুকিম ব্রাদার্স’ ধারাবাহিক নাটকে প্রথমবার অভিনয় করেন তিনি। এতে অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। ২০১৪ সালে ‘ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প’র ‘হোয়াই সো সিরিয়াস’-এ নিপুনের পরিচালনায় অভিনয় করেন এলিটা। ১০ বছর পর বিজ্ঞাপনচিত্রের মাধ্যমে আবার জুটি বাঁধলেন তারা। এবার দুই জনই থাকছেন পর্দার সামনে।

আদনান আল রাজীবের পরিচালনায় ১০ বছর আগে ‘মিডল ক্লাস সেন্টিমেন্ট’ নাটকে অভিনয় করেন নিপুন। এবার মডেল হলেন তিনি।

(বাঁ থেকে) আদনান আল রাজীব, আশফাক নিপুন ও এলিটা করিম (ছবি: ফেসবুক)

২০১৫ সালে ভালোবেসে ঘর বাঁধেন আশফাক নিপুন ও এলিটা করিম। তাদের ব্যাপারে আদনান আল রাজীব বলেন, ‘সবাই জানে আশফাক নিপুন সাবলীল ও প্রাণচঞ্চল। যতটা দেখেছি তাতে মনে হয়েছে, পর্দার সামনে থাকতে ভালোই লাগে তার এবং অভিনয়ে কখনও সংকোচ বোধ করে না। কিন্তু এলিটা করিমকে কতজন জানে! তার সঙ্গে প্রথম দেখা থেকেই কাজ করার সুপ্ত ইচ্ছে ছিলো আমার। তিনি সহজাত প্রতিভাবান এবং পর্দায় অনেক অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারেন। অবশেষে তাদের একসঙ্গে মডেল করার সুযোগ পেয়েছি! কী চমৎকার না?’

এটাই মডেল হিসেবে এলিটার প্রথম কাজ। প্রথমবার আদনান আল রাজীবের নির্দেশনায় কাজ করলেন তিনি। ঈদের পরপরই বিজ্ঞাপনচিত্রটি প্রচারে আসবে।

পড়া চালিয়ে যান

টেলিভিশন

‘আনন্দমেলা’য় রুনা লায়লার গান, সঞ্চালক নুসরাত ফারিয়া

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

রুনা লায়লা (ছবি: বিটিভি)

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গায়িকা রুনা লায়লা প্রথমবার বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ঈদের ‘আনন্দমেলা’য় গান গাইলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। তারা একসঙ্গে বসে কিছুক্ষণ আড্ডাও দিয়েছেন।

রুনা লায়লার গাওয়া নতুন গানটির শিরোনাম ‘চলো গানে গানে গড়ি নতুন পৃথিবী’। তিনি একা নন, এতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা, ইমরান মাহমুদুল, ঝিলিক ও সাব্বির। এর কথা লিখেছেন আনজির লিটন, সুর করেছেন আশরাফ বাবু।

নুসরাত ফারিয়া ও রুনা লায়লা (ছবি: বিটিভি)

প্রযোজক মনিরুল হাসান ও ইয়াসির আরাফাত জানান, বাঙালি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে এবারের ‘আনন্দমেলা’য় থাকছে শত বাউলের অংশগ্রহণে তিনটি বাউল গানের কোলাজ নিয়ে একটি পরিবেশনা। এছাড়া আছে ইসলাম বাউলের কণ্ঠে একটি পালাগান।

(বাঁ থেকে) সাব্বির, দিলশাদ নাহার কনা, নুসরাত ফারিয়া, রুনা লায়লা, ইমরান মাহমুদুল ও ঝিলিক (ছবি: বিটিভি)

অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় গানের তালে নেচেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও চিত্রনায়ক জিয়াউল রোশান। সাত নৃত্যগুরুর সঙ্গে নাচে অংশ নিয়েছেন তাদের দুইজন করে শিষ্য। জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পীদের অংশগ্রহণে নৃত্য এবং পুতুলনাচ রয়েছে। ব্যান্ডসংগীত পরিবেশন করেছেন বিভিন্ন ব্যান্ডের সংগীতশিল্পীরা। এছাড়া নাট্যাংশে অংশ নিয়েছেন নাটকের খ্যাতিমান অভিনয়শিল্পীরা।

জিয়াউল রোশান ও তানজিন তিশা (ছবি: বিটিভি)

ঈদের দিন রাত ১০টার ইংরেজি সংবাদের পর বিটিভিতে প্রচার হবে ‘আনন্দমেলা’।

পড়া চালিয়ে যান

টেলিভিশন

প্রথমবার ছোট পর্দায় ‘হাওয়া’, ঈদে দেখা যাবে তিন দিন

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘হাওয়া’র দৃশ্যে চঞ্চল চৌধুরী (ছবি: সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড)

ছোট পর্দায় প্রথমবারের মতো আসছে বহুল আলোচিত ও ব্যবসাসফল সিনেমা ‘হাওয়া’। এবারের রোজার ঈদে এটি দেখা যাবে মাছরাঙা টেলিভিশনে। দর্শকদের জন্য ঈদুল ফিতরের বিশেষ উপহার হিসেবে তিন দিন ‘হাওয়া’ প্রচার করবে বেসরকারি চ্যানেলটি। ঈদের দিন, ঈদের তৃতীয় দিন এবং ঈদের পঞ্চম দিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে দেখানো হবে এই সিনেমা।

২০২২ সালের ২৯ জুলাই মুক্তির পর অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত ‘হাওয়া’। পাশাপাশি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। দেশের বাইরেও দারুণ সাড়া পেয়েছে সিনেমাটি। এর নির্মাণ, চিত্রনাট্য, চিত্রগ্রহণ, সাউন্ড ডিজাইন, সংগীত, খুলনার আঞ্চলিক ভাষার সংলাপ, অভিনয়, রঙসহ সবই উপভোগ করেছেন দেশ-বিদেশের দর্শকরা।

‘হাওয়া’র দৃশ্যে নাজিফা তুষি (ছবি: সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড)

সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত ‘হাওয়া’র গল্প সাজানো হয়েছে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া আট জেলে এবং রহস্যময় বেদেনী গুলতিকে কেন্দ্র করে। মেয়েটির আগমনে জেলেদের মধ্যে সন্দেহ, দ্বন্দ্ব ও ভয় বাড়ে। মাছ ধরার বড় নৌকা ‘নয়নতারা’র সরদার চাঁন মাঝি চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী। জেলে ইব্রাহীম চরিত্রে আছেন শরিফুল রাজ। গুলতি রূপে রয়েছেন নাজিফা তুষি। এছাড়াও অভিনয় করেছেন নাসিরউদ্দিন খান (নাগু), সুমন আনোয়ার (ইজা), সোহেল মণ্ডল (উরকেস), রিজভি রিজু (পারকেস), বাবলু বোস (ফনি) ও মাহমুদ আলম (মোরা)।

‘হাওয়া’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: ফেসকার্ড প্রোডাকশন)

সিনেমাটির গান ‘সাদা সাদা কালা কালা’ আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পেয়েছে। হাশিম মাহমুদের কথা ও সুরে এতে কণ্ঠ দিয়েছেন এরফান মৃধা শিবলু। এতে আরো আছে বাসুদেব দাস বাউলের গাওয়া ‘আটটা বাজে দেরি করিস না’ গানটি। সংগীতায়োজনে ইমন চৌধুরী। এছাড়া সিনেমাটিকে কেন্দ্র করে মেঘদল ব্যান্ড দীর্ঘ বিরতির পর নতুন গান ‘এ হাওয়া’ নিয়ে হাজির হয়। পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন মেঘদল ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

‘হাওয়া’ সিনেমায় নাজিফা তুষি (ছবি: সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড)

পরিচালনার পাশাপাশি ‘হাওয়া’র কাহিনী ও সংলাপ লিখেছেন মেজবাউর রহমান সুমন। তার সঙ্গে মিলে চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন সুকর্ন সাহেদ ধীমান ও জাহিন ফারুক আমিন। চিত্রগ্রহণে কামরুল হাসান খসরু। গানের সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী। আবহ সংগীতে রাশিদ শরীফ শোয়েব।

‘হাওয়া’ সিনেমায় চঞ্চল চৌধুরী (ছবি: সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড)

৪৭তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেতা হয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী। এছাড়া সেরা শব্দগ্রাহকের পুরস্কার জিতেছেন রিপন নাথ। ২৪তম মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে সমালোচকদের বিচারে সেরা সিনেমা, সেরা পরিচালকসহ পাঁচটি পুরস্কার অর্জন করে ‘হাওয়া’। ৯৫তম অস্কারের আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা শাখায় বাংলাদেশ থেকে মনোনীত হয় এটি।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ