Connect with us

টেলিভিশন

‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফসলি উঠোন

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শাইফ সিরাজ (ছবি: চ্যানেল আই)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবনের ভেতরের জায়গাকে কৃষিকাজে ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছেন। মাটি ও ফসলের সংস্পর্শে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। নিজের এই দিকটি নিয়ে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের পরিচালক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজকে প্রামাণ্য প্রতিবেদন সাজানোর সুযোগ দিয়েছেন তিনি। এর শিরোনাম রাখা হয়েছে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফসলি উঠোন: গণভবনে বাংলার মুখ’।

শাইখ সিরাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছোটবেলায় বাবার কাছে কৃষিতে হাতেখড়ি। তিনি আমাদের সব ভাইবোনকে কৃষি অনুশীলনের সুযোগ করে দিতেন। আমাদের দেশের অর্থনীতির ভিত্তিই তো কৃষির ওপর। অন্যদিকে জনসংখ্যাও বেশি। সেটি বিবেচনা করে কৃষির ওপর জোর দিতে হয় সবসময়। আমাদের জমি এতো উর্বর, একটু চেষ্টা করলেই আমরা উৎপাদন আরো বাড়াতে পারি।’

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফসলি উঠোন: গণভবনে বাংলার মুখ’ প্রামাণ্য প্রতিবেদন তৈরির অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে শাইখ সিরাজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গণভবনে বহুমুখী কৃষি উৎপাদনের যে দৃষ্টান্ত গড়েছেন তা দেশের মানুষের জন্য শিক্ষণীয়। তাকে দেখে দেশের মানুষ আরো অনেক আগ্রহী ও উৎসাহিত হবে কৃষিতে। প্রধানমন্ত্রীর এই কৃষিমুখী কর্মযজ্ঞ প্রমাণ করে বঙ্গবন্ধু কন্যার কৃষিপ্রেমই গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও আগামীর স্বপ্নপূরণের সবচেয়ে বড় নিয়ামক। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনের বিস্তীর্ণ কৃষিক্ষেত্রটি জনমানুষের সামনে তুলে ধরতে পারার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত।’

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টা ৩০ মিনিটে চ্যানেল আইয়ে ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কৃষি অনুশীলন নিয়ে সাজানো প্রামাণ্য প্রতিবেদনটি দেখা যাবে।

টেলিভিশন

আদনান আল রাজীবের নির্দেশনায় নিপুন-এলিটা দম্পতির অভিনয়

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

(বাঁ থেকে) আদনান আল রাজীব, আশফাক নিপুন ও এলিটা করিম (ছবি: ফেসবুক)

‘মহানগর’ ওয়েব সিরিজের নির্মাতা আশফাক নিপুন ও সংগীতশিল্পী এলিটা করিম দম্পতি প্রথমবার একসঙ্গে অভিনয় করলেন। একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকাতেই দেখা যাবে তাদের। এটি বার্জার রঙের। এর শুটিং হয়েছে ঢাকায়।

বিজ্ঞাপনচিত্রটি নির্মাণ করেছেন আদনান আল রাজীব। তিনি ও আশফাক নিপুন ছিলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ছবিয়ালের সহকারী।

পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয়ে ও মডেল হিসেবে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন আশফাক নিপুন। অন্যদিকে গান ও সাংবাদিকতার ফাঁকে টুকটাক অভিনয়ে দেখা গেছে এলিটাকে। ২০১০ সালে আশফাক নিপুণের পরিচালনায় ‘মুকিম ব্রাদার্স’ ধারাবাহিক নাটকে প্রথমবার অভিনয় করেন তিনি। এতে অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। ২০১৪ সালে ‘ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প’র ‘হোয়াই সো সিরিয়াস’-এ নিপুনের পরিচালনায় অভিনয় করেন এলিটা। ১০ বছর পর বিজ্ঞাপনচিত্রের মাধ্যমে আবার জুটি বাঁধলেন তারা। এবার দুই জনই থাকছেন পর্দার সামনে।

আদনান আল রাজীবের পরিচালনায় ১০ বছর আগে ‘মিডল ক্লাস সেন্টিমেন্ট’ নাটকে অভিনয় করেন নিপুন। এবার মডেল হলেন তিনি।

(বাঁ থেকে) আদনান আল রাজীব, আশফাক নিপুন ও এলিটা করিম (ছবি: ফেসবুক)

২০১৫ সালে ভালোবেসে ঘর বাঁধেন আশফাক নিপুন ও এলিটা করিম। তাদের ব্যাপারে আদনান আল রাজীব বলেন, ‘সবাই জানে আশফাক নিপুন সাবলীল ও প্রাণচঞ্চল। যতটা দেখেছি তাতে মনে হয়েছে, পর্দার সামনে থাকতে ভালোই লাগে তার এবং অভিনয়ে কখনও সংকোচ বোধ করে না। কিন্তু এলিটা করিমকে কতজন জানে! তার সঙ্গে প্রথম দেখা থেকেই কাজ করার সুপ্ত ইচ্ছে ছিলো আমার। তিনি সহজাত প্রতিভাবান এবং পর্দায় অনেক অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারেন। অবশেষে তাদের একসঙ্গে মডেল করার সুযোগ পেয়েছি! কী চমৎকার না?’

এটাই মডেল হিসেবে এলিটার প্রথম কাজ। প্রথমবার আদনান আল রাজীবের নির্দেশনায় কাজ করলেন তিনি। ঈদের পরপরই বিজ্ঞাপনচিত্রটি প্রচারে আসবে।

পড়া চালিয়ে যান

টেলিভিশন

‘আনন্দমেলা’য় রুনা লায়লার গান, সঞ্চালক নুসরাত ফারিয়া

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

রুনা লায়লা (ছবি: বিটিভি)

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গায়িকা রুনা লায়লা প্রথমবার বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ঈদের ‘আনন্দমেলা’য় গান গাইলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। তারা একসঙ্গে বসে কিছুক্ষণ আড্ডাও দিয়েছেন।

রুনা লায়লার গাওয়া নতুন গানটির শিরোনাম ‘চলো গানে গানে গড়ি নতুন পৃথিবী’। তিনি একা নন, এতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা, ইমরান মাহমুদুল, ঝিলিক ও সাব্বির। এর কথা লিখেছেন আনজির লিটন, সুর করেছেন আশরাফ বাবু।

নুসরাত ফারিয়া ও রুনা লায়লা (ছবি: বিটিভি)

প্রযোজক মনিরুল হাসান ও ইয়াসির আরাফাত জানান, বাঙালি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে এবারের ‘আনন্দমেলা’য় থাকছে শত বাউলের অংশগ্রহণে তিনটি বাউল গানের কোলাজ নিয়ে একটি পরিবেশনা। এছাড়া আছে ইসলাম বাউলের কণ্ঠে একটি পালাগান।

(বাঁ থেকে) সাব্বির, দিলশাদ নাহার কনা, নুসরাত ফারিয়া, রুনা লায়লা, ইমরান মাহমুদুল ও ঝিলিক (ছবি: বিটিভি)

অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় গানের তালে নেচেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও চিত্রনায়ক জিয়াউল রোশান। সাত নৃত্যগুরুর সঙ্গে নাচে অংশ নিয়েছেন তাদের দুইজন করে শিষ্য। জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পীদের অংশগ্রহণে নৃত্য এবং পুতুলনাচ রয়েছে। ব্যান্ডসংগীত পরিবেশন করেছেন বিভিন্ন ব্যান্ডের সংগীতশিল্পীরা। এছাড়া নাট্যাংশে অংশ নিয়েছেন নাটকের খ্যাতিমান অভিনয়শিল্পীরা।

জিয়াউল রোশান ও তানজিন তিশা (ছবি: বিটিভি)

ঈদের দিন রাত ১০টার ইংরেজি সংবাদের পর বিটিভিতে প্রচার হবে ‘আনন্দমেলা’।

পড়া চালিয়ে যান

টেলিভিশন

প্রথমবার ছোট পর্দায় ‘হাওয়া’, ঈদে দেখা যাবে তিন দিন

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘হাওয়া’র দৃশ্যে চঞ্চল চৌধুরী (ছবি: সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড)

ছোট পর্দায় প্রথমবারের মতো আসছে বহুল আলোচিত ও ব্যবসাসফল সিনেমা ‘হাওয়া’। এবারের রোজার ঈদে এটি দেখা যাবে মাছরাঙা টেলিভিশনে। দর্শকদের জন্য ঈদুল ফিতরের বিশেষ উপহার হিসেবে তিন দিন ‘হাওয়া’ প্রচার করবে বেসরকারি চ্যানেলটি। ঈদের দিন, ঈদের তৃতীয় দিন এবং ঈদের পঞ্চম দিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে দেখানো হবে এই সিনেমা।

২০২২ সালের ২৯ জুলাই মুক্তির পর অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত ‘হাওয়া’। পাশাপাশি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। দেশের বাইরেও দারুণ সাড়া পেয়েছে সিনেমাটি। এর নির্মাণ, চিত্রনাট্য, চিত্রগ্রহণ, সাউন্ড ডিজাইন, সংগীত, খুলনার আঞ্চলিক ভাষার সংলাপ, অভিনয়, রঙসহ সবই উপভোগ করেছেন দেশ-বিদেশের দর্শকরা।

‘হাওয়া’র দৃশ্যে নাজিফা তুষি (ছবি: সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড)

সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত ‘হাওয়া’র গল্প সাজানো হয়েছে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া আট জেলে এবং রহস্যময় বেদেনী গুলতিকে কেন্দ্র করে। মেয়েটির আগমনে জেলেদের মধ্যে সন্দেহ, দ্বন্দ্ব ও ভয় বাড়ে। মাছ ধরার বড় নৌকা ‘নয়নতারা’র সরদার চাঁন মাঝি চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী। জেলে ইব্রাহীম চরিত্রে আছেন শরিফুল রাজ। গুলতি রূপে রয়েছেন নাজিফা তুষি। এছাড়াও অভিনয় করেছেন নাসিরউদ্দিন খান (নাগু), সুমন আনোয়ার (ইজা), সোহেল মণ্ডল (উরকেস), রিজভি রিজু (পারকেস), বাবলু বোস (ফনি) ও মাহমুদ আলম (মোরা)।

‘হাওয়া’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: ফেসকার্ড প্রোডাকশন)

সিনেমাটির গান ‘সাদা সাদা কালা কালা’ আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পেয়েছে। হাশিম মাহমুদের কথা ও সুরে এতে কণ্ঠ দিয়েছেন এরফান মৃধা শিবলু। এতে আরো আছে বাসুদেব দাস বাউলের গাওয়া ‘আটটা বাজে দেরি করিস না’ গানটি। সংগীতায়োজনে ইমন চৌধুরী। এছাড়া সিনেমাটিকে কেন্দ্র করে মেঘদল ব্যান্ড দীর্ঘ বিরতির পর নতুন গান ‘এ হাওয়া’ নিয়ে হাজির হয়। পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন মেঘদল ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

‘হাওয়া’ সিনেমায় নাজিফা তুষি (ছবি: সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড)

পরিচালনার পাশাপাশি ‘হাওয়া’র কাহিনী ও সংলাপ লিখেছেন মেজবাউর রহমান সুমন। তার সঙ্গে মিলে চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন সুকর্ন সাহেদ ধীমান ও জাহিন ফারুক আমিন। চিত্রগ্রহণে কামরুল হাসান খসরু। গানের সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী। আবহ সংগীতে রাশিদ শরীফ শোয়েব।

‘হাওয়া’ সিনেমায় চঞ্চল চৌধুরী (ছবি: সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড)

৪৭তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেতা হয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী। এছাড়া সেরা শব্দগ্রাহকের পুরস্কার জিতেছেন রিপন নাথ। ২৪তম মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে সমালোচকদের বিচারে সেরা সিনেমা, সেরা পরিচালকসহ পাঁচটি পুরস্কার অর্জন করে ‘হাওয়া’। ৯৫তম অস্কারের আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা শাখায় বাংলাদেশ থেকে মনোনীত হয় এটি।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ