Connect with us

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

কানে নারী পরিচালকদের রেকর্ড

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

৭৫তম কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিসিয়াল পোস্টার

৭৫তম কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিসিয়াল পোস্টার (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৫তম আসরের অফিসিয়াল সিলেকশন ঘোষণা করা হয় গত ১৪ এপ্রিল। এতে ছিল ৪৯টি সিনেমা। একসপ্তাহ পর তালিকায় আরও ১৭টি সিনেমা সংযোজন করার খবর জানিয়েছে আয়োজকরা। এরমধ্যে প্রতিযোগিতা শাখায় রাখা তিনটির মধ্যে দুটি সিনেমা পরিচালনা করেছেন নারীরা। ফলে কানের ইতিহাসে এবারই প্রথম স্বর্ণপামের জন্য মনোনীত হলো নারীদের পরিচালিত পাঁচটি সিনেমা। সেই সুবাদে ভেঙেছে দীর্ঘ সময়ের রেকর্ড। অনেক বছর ধরে এক আসরের প্রতিযোগিতার শাখায় নারী পরিচালকদের সর্বোচ্চ চারটি সিনেমা দেখা গেছে। অবশেষে সেই চিত্রটা বদলালো।

৭৫তম আসরের প্রতিযোগিতা শাখায় নির্বাচিত ১৮টি সিনেমার নাম সাতদিন আগেই জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) রাতে আয়োজকরা উল্লেখ করেছে, প্রতিযোগিতা শাখায় নতুন সংযোজন ‘দ্য এইট মাউন্টেনস’ (ইতালি/বেলজিয়াম) নিজের প্রেমিক ফেলিক্স ফন খ্রোনিনেনের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন বেলজিয়ান অভিনেত্রী-নির্মাতা শার্লোট ফান্দারমিয়ার্স। ‘মাদার অ্যান্ড সান’ বানিয়েছেন ক্যামেরা দ’র জয়ী ফরাসি নারী লেওনর সেরাইল।

এবারের প্রতিযোগিতা শাখায় নির্বাচিত ২১টি সিনেমার মধ্যে নারীরা একক কিংবা যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন পাঁচটি। গত সপ্তাহে ঘোষিত প্রতিযোগিতা শাখায় রয়েছে ফ্রান্সের ক্লেয়ার ডেনির ‘স্টারস অ্যাট নুন’ ও ভালেরিয়া ব্রুনি তেদেস্কির ‘দ্য আলমন্ড ট্রি’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেলি রাইকার্ডের ‘শোয়িং আপ’।

করোনার কারণে গত বছর স্বাভাবিক সময়ের (মে মাস) চেয়ে কিছুটা দেরিতে জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত ৭৪তম কান উৎসবে প্রতিযোগিতা শাখায় নির্বাচিত ২৪টির মধ্যে চারটি সিনেমার পরিচালক ছিলেন নারীরা। এরমধ্যে ফ্রান্সের জুলিয়া দুকুরনোর ‘তিতান’ জিতে নেয় স্বর্ণপাম। কানের ইতিহাসে এই সম্মান জয়ী দ্বিতীয় নারী তিনি। এর আগে নিউজিল্যান্ডের জেন ক্যাম্পিয়ন ১৯৯৩ সালে ‘দ্য পিয়ানো’ সিনেমার সুবাদে স্বর্ণপাম জিতে ইতিহাস গড়েন।

এমিলি আতেফের ‘মোর দ্যান এভার’

এমিলি আতেফের ‘মোর দ্যান এভার’ ছবির পোস্টার (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)

প্রতিযোগিতা শাখায় নতুন সংযোজিত অন্য সিনেমাটি হলো স্পেনের আলবের্ত চেরার ‘টরমেন্ট অন দ্য আইল্যান্ডস’।

৭৫তম কানের অফিসিয়াল সিলেকশনে থাকা মোট ৬৬টি সিনেমার মধ্যে ১৫টি একক কিংবা যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন নারীরা।

আঁ সার্তে রিগায় নতুন নির্বাচিত চারটি সিনেমার মধ্যে নারীরা পরিচালনা করেছেন তিনটি। এগুলো হলো এমিলি আতেফের ‘মোর দ্যান এভার’ (জার্মানি/ফ্রান্স), ফিলিস্তিনের মাহা হাজের ‘মেডিটেরানিয়ান ফিভার’ এবং মরক্কোর মরিয়ম তুজানির ‘দ্য ক্যাফটান ব্লু’। এছাড়া আছে তিউনিসিয়ার লটফি ন্যাথানের প্রথম সিনেমা ‘হারকা’।

‘ফেমিনিস্ট রেসপন্স’ প্রামাণ্যচিত্রের পোস্টার

‘ফেমিনিস্ট রেসপন্স’ প্রামাণ্যচিত্রের পোস্টার (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)

স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে নতুন সংযোজন ‘দ্য ভেগাবন্ডস’ (জার্মানি) পরিচালনা করেছেন দোরোতেয়া দ্রুমেভা। অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘লিটল নিকোলাস হোয়াট আর উই ওয়েটিং ফর টু বি হ্যাপি?’ বেনিয়ামিন মাস্যুবের সঙ্গে মিলে বানিয়েছেন ফ্রান্সের আমান্দিন ফ্র্যঁদো। সাইমন দ্যঁপারদোর সঙ্গে মিলে প্রামাণ্যচিত্র ‘ফেমিনিস্ট রেসপন্স’ তৈরি করেছেন ফ্রান্সের মারি পেরেনেস। পাঁচজনেরই পরিচালক হিসেবে প্রথম কাজ এগুলো।

স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে এছাড়া আছে পর্তুগালের টিয়াগো গেডেস পরিচালিত ‘উইন্ড রিমেইনিং’ এবং চিলির প্যাট্রিসিও গুজমানের প্রামাণ্যচিত্র ‘মাই ইমাজিনারি কান্ট্রি’।

‘দোঁ হুয়ান’ ছবির দৃশ্য

‘দোঁ হুয়ান’ ছবিতে তাহির রহিম (ছবি: টুইটার)

প্রতিযোগিতা শাখার বাইরে নেওয়া হয়েছে ফ্রান্সের লুই গাহেল পরিচালিত ‘দ্য ইনোসেন্ট’। কান প্রিমিয়ারে যুক্ত হয়েছে ফ্রান্সের সার্জ বোজোঁ পরিচালিত ‘দোঁ হুয়ান’, দ্যেঁমিনিক মলের ‘দ্য নাইট অব টুয়েলভ’, ইমানুয়েল মুহে পরিচালিত ‘ক্রনিকল অব অ্যা টেম্পোরারি অ্যাফেয়ার’। মিডনাইট স্ক্রিনিং শাখায় নির্বাচিত হয়েছে বেলজিয়ামের আদিল এল আরবি ও বিলাল ফালাহ পরিচালিত ‘রেবেল’।

কান উৎসবের স্বর্ণপাম

কান উৎসবের স্বর্ণপাম (ছবি: টুইটার)

চিরাচরিতভাবে মে মাসে হবে এবারের কান উৎসব। আগামী ১৭ মে এই আয়োজনের পর্দা উঠবে। উৎসবের উদ্বোধনী সিনেমা নির্বাচিত হয়েছে অস্কার জয়ী ফরাসি পরিচালক মিশেল আজানাভিসুসের ‘ফাইনাল কাট’। স্বর্ণপাম জয়ী ছবির নাম ঘোষণা করা হবে ২৮ মে। উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করবেন বেলজিয়ান অভিনেত্রী ভার্জিনি এফিরা।

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

কান ২০২৪: কোন বিভাগে পুরস্কার পেলো কোন সিনেমা

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৭তম আসরের বিজয়ী ও বিচারকরা (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৭তম আসরের সমাপনী হলো। দক্ষিণ ফ্রান্সে ভূমধ্যসাগরের তীরে পালে দে ফেস্টিভ্যালে গত ১৪ মে এর পর্দা ওঠে। গতকাল (২৫ মে) পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে ১২ দিনের এই আয়োজন সমাপ্ত হলো। একনজরে এবারের পুরো বিজয়ী তালিকা দেখে নিন।

মূল প্রতিযোগিতা
স্বর্ণপাম: আনোরা (শন বেকার, যুক্তরাষ্ট্র)
গ্রাঁ প্রিঁ: অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট (পায়েল কাপাডিয়া, ভারত)
জুরি প্রাইজ: এমিলিয়া পেরেস (জ্যাক অদিয়াঁর, ফ্রান্স)
স্পেশাল জুরি প্রাইজ: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান)
সেরা অভিনেতা: জেসি প্লেমন্স (কাইন্ডস অব কাইন্ডনেস, যুক্তরাষ্ট্র)
সেরা অভিনেত্রী: সেলেনা গোমেজ, জোয়ি স্যালডানা, আদ্রিয়ানা পাজ, কার্লা সোফিয়া গাসকোন (এমিলিয়া পেরেস)
সেরা পরিচালক: মিগেল গোমেজ (গ্র্যান্ড ট্যুর, পর্তুগাল)
সেরা চিত্রনাট্যকার: কোরালি ফারগাঁ (দ্য সাবস্ট্যান্স, ফ্রান্স)

কারিগরি পুরস্কার
সিএসটি আর্টিস্ট-টেকনিশিয়ান অ্যাওয়ার্ড (শব্দ): দারিয়া দা’ন্তোনিও (চিত্রগ্রহণ, পার্থেনোপে; ইতালি)
সিএসটি ইয়াং ফিল্ম টেকনিশিয়ান অ্যাওয়ার্ড (শিল্প নির্দেশনা): এভেনিয়া আলেকজান্দ্রোভা (দ্য ব্যালকোনেটস, গ্রিস)

আঁ সাঁর্তে রিগা
সেরা চলচ্চিত্র: ব্ল্যাক ডগ (গুয়ান হু, চীন)
জুরি প্রাইজ: দ্য স্টোরি অব সুলেমান (বরিস লোজকাইন, ফ্রান্স)
সেরা অভিনেতা: আবু সনগারে (দ্য স্টোরি অব সুলেমান, ফ্রান্স)
সেরা অভিনেত্রী: অনসূয়া সেনগুপ্ত (দ্য শেমলেস)
সেরা পরিচালক: রবার্তো মিনারভিনি (ছবি: দ্য ড্যামড, ইতালি), রুঙ্গানো নিয়োনি (ছবি: অন বিকামিং অ্যা গিনি ফাউল, জাম্বিয়া/ওয়েলশ)
ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড: হলি কাউ (লুইস কুরভয়জিয়ের, ফ্রান্স; প্রথম চলচ্চিত্র)
স্পেশাল মেনশন: নোরা (তৌফিক আল জায়দি, সৌদি আরব; প্রথম চলচ্চিত্র)

সম্মানসূচক স্বর্ণপাম
সম্মানসূচক স্বর্ণপাম: মেরিল স্ট্রিপ, স্টুডিও জিবলি, জর্জ লুকাস

গোল্ডেন ক্যামেরা
ক্যামেরা দ’র: হল্ফদান উলমন তন্দেল (আরমান্ড, নরওয়ে; আঁ সাঁর্তে রিগা)
স্পেশাল মেনশন: মংগ্রেল (চাং ওয়ে লিয়েং, ইউ চাও ইন, তাইওয়ান)

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
স্বর্ণপাম: দ্য ম্যান হু কুড নট রিমেইন সাইলেন্ট (নেবোজা স্লিজেপসেভিক, ক্রোয়েশিয়া)
স্পেশাল মেনশন: ব্যাড ফর অ্যা মোমেন্ট (দানিয়েল সোয়ারিস, পর্তুগাল)

লা সিনেফ
প্রথম পুরস্কার: সানফ্লাওয়ার্স ওয়্যার দ্য ফার্স্ট ওয়ানস টু নো (চিদানন্দ এস নায়েক, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া-এফটিআইআই; ভারত)
দ্বিতীয় পুরস্কার: আউট দ্য উইন্ডো থ্রো দ্য ওয়াল (আচিয়া সেগালোভিচ, কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি; যুক্তরাষ্ট্র), দ্য কেওস শি লেফট বিহাইন্ড (নিকোস কোলিয়োকোস, অ্যারিস্টোটল ইউনিভার্সিটি অব থেসালোনিকি; গ্রিস)
তৃতীয় পুরস্কার: বানিহুড (মানসী মহেশ্বরী, ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন স্কুল-এনএফটিএস; যুক্তরাজ্য)

সেরা ইমারসিভ পুরস্কার
কালার্ড (তানিয়া দ্যু মনতেইন, স্টেফানে ফোনকিনোস, পিয়েরে-আঁলা জিরু; ফ্রান্স)

মুক্ত পুরস্কার
ফিপরেসি
মূল প্রতিযোগিতা: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান)
আঁ সাঁর্তে রিগা: দ্য স্টোরি অব সুলেমান (বরিস লোজকাইন, ফ্রান্স)
প্যারালাল শাখা (ডিরেক্টরস’ ফোর্টনাইট): ডেজার্ট অব নামিবিয়া (ইয়োকো ইয়ামানাকা, জাপান)

ইকুমেনিকাল প্রাইজ
জুরি প্রাইজ: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান)

ক্রিটিকস’ উইক
গ্র্যান্ড প্রাইজ: সায়মন অব দ্য মাউন্টেন (ফেদেরিকো লুইস, আর্জেন্টিনা)
ফ্রেঞ্চ টাচ জুরি প্রাইজ: ব্লু সান প্যালেস (কনস্ট্যান্স সাং, যুক্তরাষ্ট্র)
রাইজিং স্টার অ্যাওয়ার্ড (লুই রোদ্যুরের ফাউন্ডেশন): রিকার্দো তেওদোরো (ছবি: বেবি, ব্রাজিল)
লাইৎজ সিনে ডিসকোভারি প্রাইজ (স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র): মন্টসুরিস পার্ক (গিল সেলা, ফ্রান্স)
গ্যান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ফর ডিস্ট্রিবিউশন: জুলি কিপস কোয়ায়েট (লিওনার্দো ফন ডেইল, বেলজিয়াম)
এসএসিডি অ্যাওয়ার্ড: লিওনার্দো ফন ডেইল ও রুথ বেকার্ট (ছবি: জুলি কিপস কোয়ায়েট, বেলজিয়াম)
ক্যানাল প্লাস অ্যাওয়ার্ড (স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র): অ্যাবসেন্ট (জেম দেমিরার, তুরস্ক)

ডিরেক্টরস’ ফোর্টনাইট
সেরা ইউরোপিয়ান সিনেমা (ইউরোপা সিনেমাস লেবেল অ্যাওয়ার্ড): দ্য আদার ওয়ে অ্যারাউন্ড (হোনাস ত্রুয়েবা)
সেরা ফরাসি ভাষার সিনেমা (এসএসিডি অ্যাওয়ার্ড): দিস লাইফ অব মাইন (সোফি ফিলিয়ের, ফ্রান্স)
অডিয়েন্স চয়েস অ্যাওয়ার্ড: ইউনিভার্সেল ল্যাঙ্গুয়েজ (ম্যাথু র‍্যানকিন, কানাডা)
ক্যারোস দ’র: আন্ড্রেয়া আর্নল্ড

লই দ’র (সেরা প্রামাণ্যচিত্র)
গোল্ডেন আই: আরনেস্ট কোল: লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড (রাউল পেক), দ্য ব্রিঙ্ক অব ড্রিমস (নাদা রিয়াদ, আইমান এল আমির)

আর্টহাউস সিনেমাস প্রাইজ
এএফসিএই আর্টহাউস সিনেমা অ্যাওয়ার্ড: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান)
স্পেশাল মেনশন: অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট (পায়েল কাপাডিয়া, ভারত)

পাম ডগ (সেরা কুকুর অভিনয়শিল্পী)
পাম ডগ অ্যাওয়ার্ড: কোডি (ডগ অন ট্রায়াল)
গ্র্যান্ড জুরি প্রাইজ: জিন (ব্ল্যাক ডগ)
মাট মোমেন্ট: বার্ড, কাইন্ডস অব কাইন্ডনেস, মেগালোপলিস

কুইয়ার পাম (সমকামী সিনেমা)
সেরা সিনেমা: থ্রি কিলোমিটারস টু দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড
সেরা শর্টফিল্ম: সাউদার্ন ব্রাইডস (এলেনা লোপেজ রিয়েরা)

ট্রফি শপার্ড
শপার্ড ট্রফি: মাইক ফেইস্ট, সোফি ওয়াইল্ড

পড়া চালিয়ে যান

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

কান ২০২৪: ভারতের পায়েল জিতলেন গ্রাঁ প্রিঁ

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

গ্রাঁ প্রিঁ পুরস্কার হাতে পায়েল কাপাডিয়া ও তার সিনেমার তিন অভিনেত্রী (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

ভারতীয় পরিচালক পায়েল কাপাডিয়ার ‘অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট’ ইতিহাস গড়লো। কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৭তম আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার গ্রাঁ প্রিঁ জিতেছে এই সিনেমা। গতকাল (২৫ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় দক্ষিণ ফ্রান্সে ভূমধ্যসাগরের তীরে পালে দে ফেস্টিভ্যাল ভবনের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

পায়েল কাপাডিয়ার হাতে পুরস্কার তুলে দেন আমেরিকান অভিনেত্রী ভায়োলা ডেভিস। মঞ্চে তখন ছিলেন কম্পিটিশন শাখার ৯ বিচারক এবং সঞ্চালক ফরাসি কমেডিয়ান ক্যামিল কোঁতা।

গত ২৩ মে কান উৎসবে ‘অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট’-এর ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৩০ বছর পর কানের কম্পিটিশন শাখায় দেখা গেলো ভারতীয় সিনেমা। সর্বশেষ ১৯৯৪ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে শাজি এন করুণের ‘সোয়াহাম’ কানের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে স্থান করে নেয়।

‘অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট’-এর গল্প কেরালার দুই নার্স প্রভা ও অণুকে কেন্দ্র করে। মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চাকরি করে তারা। দুই জন থাকে একই ঘরে। সাগরপাড়ের শহরে একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার পর তাদের জীবনে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন কানি কুসরুতি, দিব্যা প্রভা ও ছায়া কদম।

২০১৭ সালে পুনের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার (এফটিটিআই) শিক্ষার্থী হিসেবে পায়েল কাপাডিয়ার শর্টফিল্ম ‘আফটারনুন ক্লাউডস’ কান উৎসবের শিক্ষার্থী নির্মাতাদের শাখা সিনেফঁদাসোতে নির্বাচিত হয়। এরপর ২০২১ সালে কানের প্যারালাল শাখা ডিরেক্টর’স ফোর্টনাইটে নির্বাচিত হয় পায়েলের ডকুমেন্টারি ‘অ্যা নাইট অব নোয়িং নাথিং’। এটি সেরা ডকুমেন্টারি হিসেবে গোল্ডেন আই পুরস্কার জিতে নেয়। এবার তার প্রাপ্তির খাতায় যুক্ত হলো আরও বড় স্বীকৃতি।

পড়া চালিয়ে যান

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

কান ২০২৪: স্বর্ণপাম জিতলো আমেরিকান সিনেমা

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৭তম আসরের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণপাম জিতলো আমেরিকান সিনেমা ‘আনোরা’। এটি পরিচালনা করেছেন ৫৩ বছর বয়সী শন বেকার। গতকাল (২৫ মে) দক্ষিণ ফ্রান্সে ভূমধ্যসাগরের তীরে পালে দে ফেস্টিভ্যাল ভবনের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে তার হাতে স্বর্ণপাম তুলে দেন আমেরিকান পরিচালক জর্জ লুকাস।

‘আনোরা’ সিনেমায় মিকি ম্যাডিসন (ছবি: সিআরই ফিল্মস)

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি নাইটক্লাবের একজন নৃত্যশিল্পীকে ঘিরে ‘আনোরা’র গল্প। এতে অভিনয় করেছেন আমেরিকান তারকা মিকি ম্যাডিসন।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ