Connect with us

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

টানা ৯ মিনিট দর্শকদের দাঁড়িয়ে অভিবাদন, ডিক্যাপ্রিওর কান জয়

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ সিনেমার কলাকুশলীদের পাশে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৬তম আসরের বহুল প্রত্যাশিত সিনেমার তালিকায় মার্টিন স্করসেসি পরিচালিত ‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ অন্যতম। গতকাল (২০ মে) উৎসবের প্রাণকেন্দ্র পালে দে ফেস্টিভ্যাল ভবনের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে প্রতিযোগিতার বাইরে এর ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়েছে। তার আগে লালগালিচায় হাজির হন সিনেমার অন্যতম তারকা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। তাকে ঘিরে সাগরপাড়ের শহরে ছড়িয়ে পড়ে উন্মাদনা। বিশেষ করে তরুণীদের উপচেপড়া ভিড় ছিলো লক্ষণীয়। তারা প্রিয় তারকাকে একনজর দেখতে ও তার ছবি-ভিডিও ধারণ করতে হইচই ফেলে দিয়েছে।

চার বছর পর আবার কানসৈকতে পা রেখেছেন হলিউড হার্টথ্রব লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। সর্বশেষ ২০১৯ সালে কানে প্রতিযোগিতার বাইরে দেখানো হয় তার অভিনীত ‘ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন হলিউড’। এর প্রচারে আরেক হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট এবং পরিচালক কোয়েন্টিন টারান্টিনোর সঙ্গে ফরাসি উপকূলীয় শহরটিতে গিয়েছিলেন তিনি।

লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ আবার কানে নিয়ে এলো লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওকে। শুধু তিনি নন, সিনেমাটি পুরোপুরি তারকায় ঠাসা। লালগালিচায় আরো ছিলেন অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো, জেসি প্লেমন্স, অভিনেত্রী লিলি গ্ল্যাডস্টোন, অ্যাপলের সিইও টিম কুক।

দম্পতির ভূমিকায় ডিক্যাপ্রিও-লিলির অভিনয়ে দর্শকরা এতোই মুগ্ধ হয়েছেন যে, প্রদর্শনী শেষে লুমিয়ের থিয়েটারের আলো জ্বলে ওঠার পর টানা ৯ মিনিট সবাই দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে অভিবাদন জানান। এবারের আসরে এখন পর্যন্ত এটাই সর্বোচ্চ সময়ের অভিবাদন। গতকাল স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে ১ হাজার ৬৮ আসনের দ্যুবুসি থিয়েটারে ছিল সংবাদকর্মীদের জন্য প্রদর্শনী। তারাও করতালি দিয়েছেন দীর্ঘক্ষণ।

‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ সিনেমার কলাকুশলীদের পাশে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

ওসেজ নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন লিলি গ্ল্যাডস্টোন, যিনি তেলের সম্পদ থাকায় স্বামীর লোভের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। প্রিমিয়ারে দর্শকরা তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তখন তার চোখে দেখা যায় আনন্দ অশ্রু। অস্কার ব্লগাররা মনে করেন, আগামী বছর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানগুলোতে মনোযোগ কাড়বেন এই নায়িকা।

লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও মার্টিন স্করসেসি (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

মার্টিন স্করসেসির সঙ্গে ‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ ডিক্যাপ্রিওর ষষ্ঠ পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। এর আগে ‘গ্যাংস অব নিউইয়র্ক’ (২০০২), ‘দ্য এভিয়েটর’ (২০০৪), ‘দ্য ডিপার্টেড’ (২০০৬), ‘শাটার আইল্যান্ড’ (২০১০) এবং ‘দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট’ (২০১৩) সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন তারা। এছাড়া স্করসেসির পরিচালনায় ‘দ্য অডিশন’ নামের একটি শর্টফিল্মে দেখা গেছে তাকে। এরমধ্যে ‘দ্য এভিয়েটর’ ও ‘দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট’-এর জন্য অস্কারে মনোনীত হন ডিক্যাপ্রিও।

‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ সিনেমার কলাকুশলীদের পাশে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

২০১৭ সালে প্রকাশিত আমেরিকান কথাসাহিত্যিক ডেভিড গ্রানের জনপ্রিয় গ্রন্থ ‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন: দ্য ওসেজ মার্ডারস অ্যান্ড দ্য বার্থ অব দ্য এফবিআই’ অবলম্বনে সাজানো হয়েছে তিন ঘণ্টা ২৬ মিনিট দৈর্ঘ্যের সিনেমাটি। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন মার্টিন স্করসেসি ও এরিক রোথ। গল্পে দেখা যায়, ১৯২০ শতকের আমেরিকান রাজ্য ওকলাহোমায় তেল আবিষ্কারের পর রহস্যজনকভাবে একের পর এক ওসেজ উপজাতির সদস্য নৃশংসভাবে খুন হতে থাকে। নবগঠিত এফবিআই তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে যায় এবং একটি ভয়ঙ্কর অপারেশন উন্মোচন করে। সিনেমাটির বাজেট ২ হাজার ১৪০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ প্রযোজনা করেছে অ্যাপল অরিজিনাল ফিল্মস। তবে অ্যাপল টিভি প্লাসের আগে সিনেমা হলে মুক্তি দেওয়া হবে এটি। সেজন্য কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের পরিচালক থিয়েরি ফ্রেমো মূল প্রতিযোগিতা শাখায় সিনেমাটিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। উৎসবের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে যেকোনো প্রযোজক কিংবা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানকে তাদের সিনেমা অনলাইনের আগে ফ্রান্সের সিনেমা হলে মুক্তি দিতেই হবে। কিন্তু পরিচালক স্করসেসি স্বর্ণপামের জন্য লড়তে রাজি হননি। কানে ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’ (১৯৭৬) সিনেমার সুবাদে স্বর্ণপাম জিতেছেন তিনি। এটি রবার্ট ডি নিরোর ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় কাজ। এর মাধ্যমে অস্কারে সেরা অভিনেতা শাখায় মনোনীত হন তিনি।

লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

এ নিয়ে স্করসেসির পরিচালনায় দশমবার পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমায় অভিনয় করলেন রবার্ট ডি নিরো। স্করসেসির ‘কেপ ফিয়ার’ (১৯৯১) ও ‘রেজিং বুল’ (১৯৮০) সিনেমা দুটিও তাকে অস্কারের সেরা অভিনেতা শাখার মনোনয়ন এনে দিয়েছে। এরমধ্যে ‘রেজিং বুল’ সিনেমার জন্য অস্কার জিতেছেন তিনি।

রবার্ট ডি নিরো, মার্টিন স্করসেসি ও লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

৩০ বছর পর আবার একসঙ্গে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমায় অভিনয় করলেন অস্কারজয়ী দুই অভিনেতা ডিক্যাপ্রিও-ডি নিরো। সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে ব্রিটিশ পরিচালক মাইকেল ক্যাটন-জোন্সের ‘দ্য বয়েজ লাইফ’ সিনেমায় দেখা গেছে তাদের। ডিক্যাপ্রিও, ডি নিরো ও স্করসেসি এবারই প্রথম একসঙ্গে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমায় কাজ করলেন।

৩৭ বছর পর আবার কানের অফিসিয়াল সিলেকশনে জায়গা পেলো মার্টিন স্করসেসির সিনেমা। ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’ দিয়ে তার কানযাত্রা শুরু হয়েছিলো। এরপর ১৯৮৬ সালে ‘আফটার আওয়ার্স’ সিনেমার সুবাদে কানে সেরা পরিচালকের পুরস্কার জেতেন তিনি।

মার্টিন স্করসেসি ও রবার্ট ডি নিরো (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

১৯৯৮ সালে কানের মূল প্রতিযোগিতা শাখায় বিচারকদের প্রধান ছিলেন মার্টিন স্করসেসি। ২০০২ সালে উৎসবটির সিনেফঁদাসো ও শর্টফিল্ম শাখার বিচারকদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৯০ সাল থেকে বিশ্ব সিনেমার ইতিহাস সুরক্ষা ও সংরক্ষণে নিবেদিত সংস্থা দ্য ফিল্ম ফাউন্ডেশন পরিচালনা করছেন এই গুণী নির্মাতা। এর অংশ হিসেবে পুনরুদ্ধার করা বেশকিছু সিনেমা কান ক্ল্যাসিকসে পরিবেশন করেছেন তিনি।

‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ সিনেমার কলাকুশলীদের পাশে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

প্যারামাউন্ট পিকচার্সের পরিবেশনায় ‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৬ অক্টোবর বড় পর্দায় আসবে। শুরুতে সীমিতসংখ্যক কিছু সিনেমা হলে এবং ২০ অক্টোবর উত্তর আমেরিকা জুড়ে মুক্তি পাবে এই সিনেমা। ফ্রান্সের সিনেমা হলে ১৮ অক্টোবর থেকে দেখা যাবে ‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’। এতে আরো অভিনয় করেছেন ব্রেন্ডন ফ্রেজার, জন লিথগো, কারা জেড মায়ার্স, জেনাই কলিন্স, জিলিয়ান ডিওন, টেন্টু কার্ডিনাল। অতিথি চরিত্রে আছেন মার্টিন স্করসেসি।

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

কান ২০২৪: কোন বিভাগে পুরস্কার পেলো কোন সিনেমা

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৭তম আসরের বিজয়ী ও বিচারকরা (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৭তম আসরের সমাপনী হলো। দক্ষিণ ফ্রান্সে ভূমধ্যসাগরের তীরে পালে দে ফেস্টিভ্যালে গত ১৪ মে এর পর্দা ওঠে। গতকাল (২৫ মে) পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে ১২ দিনের এই আয়োজন সমাপ্ত হলো। একনজরে এবারের পুরো বিজয়ী তালিকা দেখে নিন।

মূল প্রতিযোগিতা
স্বর্ণপাম: আনোরা (শন বেকার, যুক্তরাষ্ট্র)
গ্রাঁ প্রিঁ: অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট (পায়েল কাপাডিয়া, ভারত)
জুরি প্রাইজ: এমিলিয়া পেরেস (জ্যাক অদিয়াঁর, ফ্রান্স)
স্পেশাল জুরি প্রাইজ: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান)
সেরা অভিনেতা: জেসি প্লেমন্স (কাইন্ডস অব কাইন্ডনেস, যুক্তরাষ্ট্র)
সেরা অভিনেত্রী: সেলেনা গোমেজ, জোয়ি স্যালডানা, আদ্রিয়ানা পাজ, কার্লা সোফিয়া গাসকোন (এমিলিয়া পেরেস)
সেরা পরিচালক: মিগেল গোমেজ (গ্র্যান্ড ট্যুর, পর্তুগাল)
সেরা চিত্রনাট্যকার: কোরালি ফারগাঁ (দ্য সাবস্ট্যান্স, ফ্রান্স)

কারিগরি পুরস্কার
সিএসটি আর্টিস্ট-টেকনিশিয়ান অ্যাওয়ার্ড (শব্দ): দারিয়া দা’ন্তোনিও (চিত্রগ্রহণ, পার্থেনোপে; ইতালি)
সিএসটি ইয়াং ফিল্ম টেকনিশিয়ান অ্যাওয়ার্ড (শিল্প নির্দেশনা): এভেনিয়া আলেকজান্দ্রোভা (দ্য ব্যালকোনেটস, গ্রিস)

আঁ সাঁর্তে রিগা
সেরা চলচ্চিত্র: ব্ল্যাক ডগ (গুয়ান হু, চীন)
জুরি প্রাইজ: দ্য স্টোরি অব সুলেমান (বরিস লোজকাইন, ফ্রান্স)
সেরা অভিনেতা: আবু সনগারে (দ্য স্টোরি অব সুলেমান, ফ্রান্স)
সেরা অভিনেত্রী: অনসূয়া সেনগুপ্ত (দ্য শেমলেস)
সেরা পরিচালক: রবার্তো মিনারভিনি (ছবি: দ্য ড্যামড, ইতালি), রুঙ্গানো নিয়োনি (ছবি: অন বিকামিং অ্যা গিনি ফাউল, জাম্বিয়া/ওয়েলশ)
ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড: হলি কাউ (লুইস কুরভয়জিয়ের, ফ্রান্স; প্রথম চলচ্চিত্র)
স্পেশাল মেনশন: নোরা (তৌফিক আল জায়দি, সৌদি আরব; প্রথম চলচ্চিত্র)

সম্মানসূচক স্বর্ণপাম
সম্মানসূচক স্বর্ণপাম: মেরিল স্ট্রিপ, স্টুডিও জিবলি, জর্জ লুকাস

গোল্ডেন ক্যামেরা
ক্যামেরা দ’র: হল্ফদান উলমন তন্দেল (আরমান্ড, নরওয়ে; আঁ সাঁর্তে রিগা)
স্পেশাল মেনশন: মংগ্রেল (চাং ওয়ে লিয়েং, ইউ চাও ইন, তাইওয়ান)

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
স্বর্ণপাম: দ্য ম্যান হু কুড নট রিমেইন সাইলেন্ট (নেবোজা স্লিজেপসেভিক, ক্রোয়েশিয়া)
স্পেশাল মেনশন: ব্যাড ফর অ্যা মোমেন্ট (দানিয়েল সোয়ারিস, পর্তুগাল)

লা সিনেফ
প্রথম পুরস্কার: সানফ্লাওয়ার্স ওয়্যার দ্য ফার্স্ট ওয়ানস টু নো (চিদানন্দ এস নায়েক, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া-এফটিআইআই; ভারত)
দ্বিতীয় পুরস্কার: আউট দ্য উইন্ডো থ্রো দ্য ওয়াল (আচিয়া সেগালোভিচ, কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি; যুক্তরাষ্ট্র), দ্য কেওস শি লেফট বিহাইন্ড (নিকোস কোলিয়োকোস, অ্যারিস্টোটল ইউনিভার্সিটি অব থেসালোনিকি; গ্রিস)
তৃতীয় পুরস্কার: বানিহুড (মানসী মহেশ্বরী, ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন স্কুল-এনএফটিএস; যুক্তরাজ্য)

সেরা ইমারসিভ পুরস্কার
কালার্ড (তানিয়া দ্যু মনতেইন, স্টেফানে ফোনকিনোস, পিয়েরে-আঁলা জিরু; ফ্রান্স)

মুক্ত পুরস্কার
ফিপরেসি
মূল প্রতিযোগিতা: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান)
আঁ সাঁর্তে রিগা: দ্য স্টোরি অব সুলেমান (বরিস লোজকাইন, ফ্রান্স)
প্যারালাল শাখা (ডিরেক্টরস’ ফোর্টনাইট): ডেজার্ট অব নামিবিয়া (ইয়োকো ইয়ামানাকা, জাপান)

ইকুমেনিকাল প্রাইজ
জুরি প্রাইজ: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান)

ক্রিটিকস’ উইক
গ্র্যান্ড প্রাইজ: সায়মন অব দ্য মাউন্টেন (ফেদেরিকো লুইস, আর্জেন্টিনা)
ফ্রেঞ্চ টাচ জুরি প্রাইজ: ব্লু সান প্যালেস (কনস্ট্যান্স সাং, যুক্তরাষ্ট্র)
রাইজিং স্টার অ্যাওয়ার্ড (লুই রোদ্যুরের ফাউন্ডেশন): রিকার্দো তেওদোরো (ছবি: বেবি, ব্রাজিল)
লাইৎজ সিনে ডিসকোভারি প্রাইজ (স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র): মন্টসুরিস পার্ক (গিল সেলা, ফ্রান্স)
গ্যান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ফর ডিস্ট্রিবিউশন: জুলি কিপস কোয়ায়েট (লিওনার্দো ফন ডেইল, বেলজিয়াম)
এসএসিডি অ্যাওয়ার্ড: লিওনার্দো ফন ডেইল ও রুথ বেকার্ট (ছবি: জুলি কিপস কোয়ায়েট, বেলজিয়াম)
ক্যানাল প্লাস অ্যাওয়ার্ড (স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র): অ্যাবসেন্ট (জেম দেমিরার, তুরস্ক)

ডিরেক্টরস’ ফোর্টনাইট
সেরা ইউরোপিয়ান সিনেমা (ইউরোপা সিনেমাস লেবেল অ্যাওয়ার্ড): দ্য আদার ওয়ে অ্যারাউন্ড (হোনাস ত্রুয়েবা)
সেরা ফরাসি ভাষার সিনেমা (এসএসিডি অ্যাওয়ার্ড): দিস লাইফ অব মাইন (সোফি ফিলিয়ের, ফ্রান্স)
অডিয়েন্স চয়েস অ্যাওয়ার্ড: ইউনিভার্সেল ল্যাঙ্গুয়েজ (ম্যাথু র‍্যানকিন, কানাডা)
ক্যারোস দ’র: আন্ড্রেয়া আর্নল্ড

লই দ’র (সেরা প্রামাণ্যচিত্র)
গোল্ডেন আই: আরনেস্ট কোল: লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড (রাউল পেক), দ্য ব্রিঙ্ক অব ড্রিমস (নাদা রিয়াদ, আইমান এল আমির)

আর্টহাউস সিনেমাস প্রাইজ
এএফসিএই আর্টহাউস সিনেমা অ্যাওয়ার্ড: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান)
স্পেশাল মেনশন: অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট (পায়েল কাপাডিয়া, ভারত)

পাম ডগ (সেরা কুকুর অভিনয়শিল্পী)
পাম ডগ অ্যাওয়ার্ড: কোডি (ডগ অন ট্রায়াল)
গ্র্যান্ড জুরি প্রাইজ: জিন (ব্ল্যাক ডগ)
মাট মোমেন্ট: বার্ড, কাইন্ডস অব কাইন্ডনেস, মেগালোপলিস

কুইয়ার পাম (সমকামী সিনেমা)
সেরা সিনেমা: থ্রি কিলোমিটারস টু দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড
সেরা শর্টফিল্ম: সাউদার্ন ব্রাইডস (এলেনা লোপেজ রিয়েরা)

ট্রফি শপার্ড
শপার্ড ট্রফি: মাইক ফেইস্ট, সোফি ওয়াইল্ড

পড়া চালিয়ে যান

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

কান ২০২৪: ভারতের পায়েল জিতলেন গ্রাঁ প্রিঁ

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

গ্রাঁ প্রিঁ পুরস্কার হাতে পায়েল কাপাডিয়া ও তার সিনেমার তিন অভিনেত্রী (ছবি: কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল)

ভারতীয় পরিচালক পায়েল কাপাডিয়ার ‘অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট’ ইতিহাস গড়লো। কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৭তম আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার গ্রাঁ প্রিঁ জিতেছে এই সিনেমা। গতকাল (২৫ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় দক্ষিণ ফ্রান্সে ভূমধ্যসাগরের তীরে পালে দে ফেস্টিভ্যাল ভবনের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

পায়েল কাপাডিয়ার হাতে পুরস্কার তুলে দেন আমেরিকান অভিনেত্রী ভায়োলা ডেভিস। মঞ্চে তখন ছিলেন কম্পিটিশন শাখার ৯ বিচারক এবং সঞ্চালক ফরাসি কমেডিয়ান ক্যামিল কোঁতা।

গত ২৩ মে কান উৎসবে ‘অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট’-এর ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৩০ বছর পর কানের কম্পিটিশন শাখায় দেখা গেলো ভারতীয় সিনেমা। সর্বশেষ ১৯৯৪ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে শাজি এন করুণের ‘সোয়াহাম’ কানের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে স্থান করে নেয়।

‘অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট’-এর গল্প কেরালার দুই নার্স প্রভা ও অণুকে কেন্দ্র করে। মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চাকরি করে তারা। দুই জন থাকে একই ঘরে। সাগরপাড়ের শহরে একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার পর তাদের জীবনে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন কানি কুসরুতি, দিব্যা প্রভা ও ছায়া কদম।

২০১৭ সালে পুনের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার (এফটিটিআই) শিক্ষার্থী হিসেবে পায়েল কাপাডিয়ার শর্টফিল্ম ‘আফটারনুন ক্লাউডস’ কান উৎসবের শিক্ষার্থী নির্মাতাদের শাখা সিনেফঁদাসোতে নির্বাচিত হয়। এরপর ২০২১ সালে কানের প্যারালাল শাখা ডিরেক্টর’স ফোর্টনাইটে নির্বাচিত হয় পায়েলের ডকুমেন্টারি ‘অ্যা নাইট অব নোয়িং নাথিং’। এটি সেরা ডকুমেন্টারি হিসেবে গোল্ডেন আই পুরস্কার জিতে নেয়। এবার তার প্রাপ্তির খাতায় যুক্ত হলো আরও বড় স্বীকৃতি।

পড়া চালিয়ে যান

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

কান ২০২৪: স্বর্ণপাম জিতলো আমেরিকান সিনেমা

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ৭৭তম আসরের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণপাম জিতলো আমেরিকান সিনেমা ‘আনোরা’। এটি পরিচালনা করেছেন ৫৩ বছর বয়সী শন বেকার। গতকাল (২৫ মে) দক্ষিণ ফ্রান্সে ভূমধ্যসাগরের তীরে পালে দে ফেস্টিভ্যাল ভবনের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে তার হাতে স্বর্ণপাম তুলে দেন আমেরিকান পরিচালক জর্জ লুকাস।

‘আনোরা’ সিনেমায় মিকি ম্যাডিসন (ছবি: সিআরই ফিল্মস)

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি নাইটক্লাবের একজন নৃত্যশিল্পীকে ঘিরে ‘আনোরা’র গল্প। এতে অভিনয় করেছেন আমেরিকান তারকা মিকি ম্যাডিসন।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ