Connect with us

মঞ্চ-রেডিও

ঢাকার মঞ্চে একসঙ্গে ফ্রান্সের সেরমাদিরাস ও মালির সুলেমান

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

একজন ক্রেতা, আরেকজন বিক্রেতা। বিক্রেতা একটি অফার নিয়ে ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে। এরপর একে অপরের মুখোমুখি হয় তারা। তাদের ভাষা আলাদা। ফরাসি মঞ্চনাটক ‘ইন দ্য সলিটিউড অব কটন ফিল্ডস’-এর গল্প এটি। ঢাকায় এই প্রযোজনা প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ফরাসি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ।

ক্রেতা ও বিক্রেতা চরিত্র দুটি নামহীন। তারা কোন সময়ের ও কোন জায়গার বাসিন্দা তা জানানো হবে না। ক্রেতা ও বিক্রেতার ভূমিকায় অনন্য অভিনয়শৈলীতে দর্শকদের মুগ্ধ করবেন ফ্রান্সের জ্যঁ পল সেরমাদিরাস এবং মালির সুলেমান সানোগো। সংলাপের সঙ্গে থাকবে তাদের শরীরী অভিব্যক্তি।

ঢাকার সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় এই নাট্য প্রদর্শনী হবে।

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের প্রোগ্রাম অফিসার মামুন অর রশিদ জানান, ১ ঘণ্টা ব্যাপ্তির ‘ইন দ্য সলিটিউড অব কটন ফিল্ডস’ নাটকটি বিনামূল্যে উপভোগ করা যাবে। প্রত্যেক দর্শনার্থীকে মিলনায়তনে প্রবেশের সময় দেখাতে হবে করোনার টিকা গ্রহণের সনদ।

সুলেমান সানোগো এ মাসে মালি থেকে ঢাকায় এসে আলিয়াঁস ফ্রঁসেজের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমিতে ‘ড্যান্স অর ক্যাওস’ শীর্ষক নাচ পরিবেশন করেন। তিনি ‘সোলো’ নামে পরিচিত। বেড়ে উঠেছেন মালির বামাকো শহরের পথে পথে। তার যাপিত জীবন দুঃখ-কষ্টে ভরা। সোলোর অনুভূতিতে, ‘আমি যখন নাচি, তখন সব ভুলে যাই। তখনই সবচেয়ে সুখ অনুভব করি। নাচ আমার নিজেকে খুঁজে পাওয়া।’

সুলেমান সানোগোকে খুঁজে বের করে বিশ্বের সবচেয়ে স্বকীয় কোরিওগ্রাফিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম বেলজিয়ামের ব্রাসেলসের পারফর্মিং আর্টস রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং স্টুডিওস (পার্টস)। সেখানে তিনি তিন বছর পৃথিবীর বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার এবং শিক্ষকদের কাছ থেকে তালিম নিয়েছেন।

অন্যদিকে গত জানুয়ারিতে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে ফরাসি নাটক ‘দ্য ড্র্রিম অব অ্যা রিডিকুলাস ম্যান’ পরিবেশন করেন বিখ্যাত অভিনেতা জ্যঁ পল সেরমাদিরাস। ১৮৭৭ সালে রুশ লেখক দস্তয়েভস্কির ছোটগল্প অবলম্বনে এতে একক অভিনয় করেছেন তিনি।

জ্যঁ পল সেরমাদিরাস প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি ‘ব্লস সালো’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক কর্মশালায় প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৯৫ সালে গড়ে তোলেন ‘কোম্পানি দু পাসাজ’।

বেশ কয়েকবার বিখ্যাত ‘ফেস্টিভাল দো আভিনিও’তে পারফর্ম করেছেন জ্যঁ পল সেরমাদিরাস। ফ্রান্সের পাশাপাশি মরক্কো এবং ভারতসহ অন্যান্য দেশের মঞ্চে শেক্সপিয়র, মলিয়ের এবং চেখভের ৪০টিরও বেশি নাটক মঞ্চায়ন করেছেন তিনি।

পড়া চালিয়ে যান
মন্তব্য করতে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মঞ্চ-রেডিও

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে আসছে মঞ্চনাটক

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

সংবাদ সম্মেলনে (বাঁ থেকে) রিয়াজ, লাকী ইনাম, মামুনুর রশীদ ও ফরিদুর রেজা সাগর (ছবি: ইমপ্রেস টেলিফিল্ম)

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে প্রচার হবে মঞ্চনাটক। এর অংশ হিসেবে ‘ওটিটিতে মঞ্চনাটক, চ্যানেল আইতে মঞ্চনাটক, মঞ্চনাটক দেখুন, নাট্যকর্মীদের সাথে থাকুন, মঞ্চনাটক সত্যি কথা বলে’– এই স্লোগান নিয়ে পথচলা শুরু করছে আইস্ক্রিন।

আজ (৯ মার্চ) চ্যানেল আই স্টুডিওতে সংবাদ সম্মেলনে উদ্যোগটি প্রসঙ্গে চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, ‘নাটক আমাদের গর্ব। এই নাটক পৃথিবীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।’

সংবাদ সম্মেলনে থাকা নাট্যকার, নির্দেশক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা মামুনুর রশীদের মন্তব্য, ‘আমরা একটি দুঃসময়ে এসে পড়েছি, সংস্কৃতির চর্চা কমে গেছে।’ তার পরামর্শ, নাটক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সংখ্যা বাড়ানোর কথা না ভেবে মান বাড়ানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে (বাঁ থেকে) রিয়াজ, লাকী ইনাম, মামুনুর রশীদ ও ফরিদুর রেজা সাগর (ছবি: ইমপ্রেস টেলিফিল্ম)

একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী লাকী ইনাম মনে করেন, ‘মঞ্চনাটকের আর্কাইভ না থাকায় অনেক নাটক হারিয়ে গেছে। চ্যানেল আইয়ের এই উদ্যোগ অসাধারণ।’

আইস্ক্রিনের প্রকল্প পরিচালক চিত্রনায়ক রিয়াজ বলেন, ‘আইস্ক্রিনের সঙ্গে মঞ্চনাটক যুক্ত হতে যাচ্ছে। এটি একটি অনন্য সহযোজন। দারুণ অভিনেতা-অভিনেত্রীদের যখন আইস্ক্রিন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দর্শকেরা দেখবেন, তখন তারা বুঝবেন অভিনয় কোনো ছেলেখেলা নয়। অভিনয় অনেক বড় ব্যাপার, এটি সাধনা ও ত্যাগের বিষয়।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন টিভি ও ওটিটিতে মঞ্চনাটক প্রচারের প্রকল্প প্রধান শহীদুল আলম সাচ্চু এবং শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক আমীরুল ইসলাম।

‘বিনোদনের স্মার্ট দুনিয়া’ স্লোগান নিয়ে পথ চলছে ‘আইস্ক্রিন’। ওটিটি প্ল্যাটফর্মটির মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি ৮৯ টাকা, হাফ-ইয়ারলি ২৬৯ টাকা এবং ইয়ারলি ৪৬৯ টাকা।

পড়া চালিয়ে যান

মঞ্চ-রেডিও

তিন দিনে পাঁচবার ‘খোঁজ’

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘খোঁজ’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: ফেইম স্কুল অব ড্যান্স, ড্রামা অ্যান্ড মিউজিক)

ঢাকাস্থ ফরাসি দূতাবাসের প্রযোজনা ও আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ চট্টগ্রামের সহযোগিতায় নাট্যশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফেইম স্কুল অব ড্যান্স, ড্রামা অ্যান্ড মিউজিকের নাট্যকলা বিভাগের মঞ্চে আনছে ‘খোঁজ’। এটি তাদের ২৮তম প্রযোজনা।

চট্টগ্রামের থিয়েটার ইনস্টিটিউট আজ (১৮ জানুয়ারি) থেকে টানা তিন দিনে পাঁচটি মঞ্চায়ন হবে। আজ সন্ধ্যা ৭টায় একটি, আগামীকাল (১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৭টায় দুটি এবং ২০ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৭টায় থাকছে দুটি প্রদর্শনী। প্রবেশপত্র পাওয়া যাবে প্রদর্শনীর আগে মিলনায়তন কাউন্টারে। প্রতিটি প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেখালে ছাড় মিলবে।

‘খোঁজ’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: ফেইম স্কুল অব ড্যান্স, ড্রামা অ্যান্ড মিউজিক)

ইসরায়েলি বংশোদ্ভূত ইতান ও আরব বংশোদ্ভূত ওয়াহিদার ভালো লাগার সম্পর্কে উঠে আসে ধর্ম, রাজনীতি আর মানবিকতার হাহাকার। ৫০০ বছর আগের একজন কূটনীতিকের দর্শন খুঁজতে গিয়ে ওয়াহিদা ও ইতান আবিষ্কার করে জীবনের বিচিত্র অধ্যায়। নাটকের পরতে পরতে উঠে এসেছে মানুষের চিরন্তন অস্তিত্বের লড়াই। অস্তিত্ব, গোত্র ও দলের বড়াইসহ সবই যে দিনশেষে মূল্যহীন, সেটাই প্রতীয়মান হয় এতে।

‘খোঁজ’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: ফেইম স্কুল অব ড্যান্স, ড্রামা অ্যান্ড মিউজিক)

ক্ষমতা, ধর্ম, ব্যক্তিস্বার্থের দ্বন্দ্ব ও ভূূমির আধিপত্য বিস্তারে বিশ্ব টালমাটাল। ফিলিস্তিন পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তুপে। ক্ষুদ্র স্বার্থ আর দ্বন্দ্বে বুঁদ হয়ে মানুষ হারাচ্ছে হিতাহিত জ্ঞান। ‘খোঁজ’ নাটকে তেমনই দ্বন্দ্ব ও সম্পর্কের টানাপোড়েন উঠে এসেছে।

লেবানিজ বংশোদ্ভুত ফরাসি নাট্যকার ওয়াজদি মাওয়াদ রচিত ‘বার্ডস অব অ্যা কাইন্ড’ নাটকটি অনুবাদ করে ‘খোঁজ’ নাম রেখেছেন অসীম দাশ ও কমল বড়ুয়া। এর পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় ফেইম পরিচালক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অসীম দাশ।

‘খোঁজ’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: ফেইম স্কুল অব ড্যান্স, ড্রামা অ্যান্ড মিউজিক)

নাটকটিতে অভিনয় করবেন জীশু দাশ, মুবিদুর সুজাত, কমল বড়ুয়া, সাবিহা বিনতে জসিম, দীপ্ত চক্রবর্তী, পূজা চক্রবর্তী, সৌরভ হোসাইন, অমিতা বড়ুয়া, শাওন দে, পায়েল চৌধুরী ও অপরাজিতা চৌধুরী। পোশাক পরিকল্পনা করেছেন অন্বেষা দাশ।

পড়া চালিয়ে যান

মঞ্চ-রেডিও

প্রাঙ্গণেমোরের ‘রক্তকরবী’র ৫০তম প্রদর্শনী

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘রক্তকরবী’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: প্রাঙ্গণেমোর)

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পাহাড় জেলার শহর শিলংয়ে ১৩৩০ বঙ্গাব্দে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন ‘রক্তকরবী’। ২০২৩ সালে নাটকটি লেখার ১০০ বছর পূর্ণ হলো। এ উপলক্ষে প্রাঙ্গণেমোর নাট্যদল আয়োজন করেছে এর ৫০তম প্রদর্শনী। আগামী ২৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার সেগুন বাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে এটি মঞ্চায়ন হবে।

নাটকটির গল্পে দেখা যায়, মাটির নিচে যক্ষের ধন পোঁতা আছে জেনে পাতালে সুড়ঙ্গ-খোদাই চলছে। এজন্য লোকে জায়গাটির নাম দিয়েছে যক্ষপুরী। এখানকার রাজার ডাকনাম মকররাজ। রাজমহলের বাহির-দেয়ালে একটি জালের জানালা আছে। সেই জালের আড়াল থেকে মকররাজ তার ইচ্ছেমতো পরিমাণে মানুষের সঙ্গে দেখাশোনা করে থাকেন।

রাজ্যের যারা সর্দার তারা যোগ্য লোক এবং যাকে বলে বহুদর্শী। তারা রাজার অন্তরঙ্গ পর্ষদ। তাদের সতর্ক ব্যবস্থাগুণে খোদাইকরদের কাজের মধ্যে ফাঁক পড়ে না এবং যক্ষপুরীর নিরন্তর উন্নতি হতে থাকে। এখানকার মোড়লরা একসময় খোদাইকর ছিলো, নিজ গুণে তাদের পদবৃদ্ধি ও উপাধি লাভ ঘটেছে। কর্মনিষ্ঠতায় তারা অনেক বিষয়ে সর্দারদের ছাড়িয়ে যায়। জেলেদের জালে দৈবাৎ মাঝে মধ্যে অখাদ্য জাতের জলচর জীব আটকা পড়ে। ঘটনাজালের মধ্যে নন্দিনী নামে এক কন্যা আসে। মকররাজ যে বেড়ার আড়ালে থাকেন সেটিকে এই মেয়ে টিকতে দেয় না।

‘রক্তকরবী’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: প্রাঙ্গণেমোর)

প্রাঙ্গণেমোরের চতুর্থ প্রযোজনা ‘রক্তকরবী’ নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেত্রী, নাট্যকার ও নির্দেশক নূনা আফরোজ। এতে অভিনয় করেন নূনা আফরোজ, অনন্ত হিরা, প্রকৃতি শিকদার, রামিজ রাজু, আউয়াল রেজা, সাগর রায়, নিজাম লিটন, সবুক্তগীন শুভ, জুয়েল রানা, সুজয়, সুমন, ঝুমুর, বাঁধন, আশা, তমা, আরিফ, পার্থ ও রুমা।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ