Connect with us

ঢালিউড

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়, ফারুকীর সেরা দিন

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার দৃশ্য

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার দৃশ্য (ছবি: ফেসবুক)

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘শনিবার বিকেল’ সিনেমাকে সেন্সর ছাড়পত্র দিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন নির্মাতা, শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) দুপুর থেকে ফেসবুক জুড়ে ‘ফ্রি স্যাটারডে আফটারনুন’ ও ‘রিলিজ স্যাটারডে আফটারনুন’ হ্যাশট্যাগ ছড়িয়ে পড়েছে। সবার আহ্বান, ‘শনিবার বিকেল’ মুক্তি পাক। সিনেমাটি আটকে রাখায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বাণিজ্যিক সিনেমার পরিচালক মালেক আফসারী তথ্য মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘বাংলাদেশে এই প্রথম একটি সিনেমা হয়েছে এক শটে। একবার ক্যামেরা অন করেছে এবং সিনেমা শেষ হওয়ার পর ক্যামেরা অফ হয়েছে। পৃথিবীতে এমন ছবি হয়েছে হাতেগোনা কয়েকটি। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘শনিবার বিকেল’ সিনেমাটি দীর্ঘদিন ধরে সেন্সরে আটকে আছে। চলচ্চিত্রে এখন সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সিনেমা খুবই দরকার।’

নির্মাতা অনিমেষ আইচ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এভাবে, ‘লাইভে এসে আত্মহত্যা দেখি, বিডিআর বিদ্রোহ লাইভ দেখি, বিশ্বজিৎকে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে মেরে ফেলতে দেখি, পিকে হালদারের দুর্নীতি তাও দেখি শান্ত দু’চোখে। একটা সিনেমা দেখতে গেলেই হয়তো আমাদের ঘুমিয়ে থাকা গতজন্মে মৃত আত্মা জেগে উঠবে। তাই দেখি না, দেখাতে পারি না। ‘শনিবার বিকেল’ মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নির্মিত একটি সিনেমা, তিন বছর ধরে পড়ে আছে তিমিরে। সিনেমার সঙ্গে কেন এমন ফ্যাসিস্ট আচরণ?’

‘হাওয়া’ সিনেমার পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন লিখেছেন, ‘আঁকো ফুল আঁকো প্রজাপতি/ এঁকো না কখনও স্বদেশের মুখ/ তোবড়ানো গাল ভেঙে যাওয়া বুক/ শনিবার বিকেল মুক্তি পাক।’

অভিনেতা শতাব্দী ওয়াদুদের আহ্বান, ‘শনির দশা কেটে যাক! ‘শনিবার বিকেল’ মুক্তি পাক!’

অভিনেতা ইমতিয়াজ বর্ষণের মন্তব্য, ‘সেন্সর বোর্ডের অনাকাঙ্ক্ষিত নিষেধাজ্ঞার বাতিল চাই। ‘শনিবার বিকেল’ সিনেমা হলে বসে দেখতে চাই।’

নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ ও রেদওয়ান রনির আহ্বান, ‘চলচ্চিত্র কারাগারের তালা খুলে যাক, শনিবার বিকেল মুক্তি পাক।’

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার পোস্টার

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: ফেসবুক)

চয়নিকা চৌধুরী লিখেছেন, ‘মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘শনিবার বিকেল’ দেখার জন্য সেই শুটিং চলাকালীন থেকে অপেক্ষা করে আছি, যা সেন্সর বোর্ড আটকে দিয়েছে। সিনেমাটি বিদেশে অনেক প্রশংসিত হয়েছে। বর্তমান জোয়ারে সিনেমাটি যেন মুক্তি পায় সেই প্রার্থনা।’

চিত্রনায়ক ইমন ‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার পোস্টার শেয়ার করে বলেন, ‘সিনেমা হলে দেখতে চাই।’

এছাড়া নির্মাতা রায়হান রাফি, কাজল আরেফিন অমি, আবু শাহেদ ইমন, ইমেল হক, আফজাল হোসেন মুন্না, ইশতিয়াক আহমেদ রুমেল, নিয়ামুল মুক্তা, মাহমুদুর রহমান হিমি সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা উল্লেখ করেন, ‘আমাদের শিল্পী বা কলাকুশলীদের জন্য একটি দারুণ অভিজ্ঞতা ছিলো ‘শনিবার বিকেল’! সিনেমাটি বিনা কারণে আজ সাড়ে তিন বছর সেন্সর বোর্ডে আটকা। অবিলম্বে ছবিটির মুক্তি চাই!’

সবার সমর্থন পেয়ে আবেগাপ্লুত ফারুকী। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) ফেসবুকে নিজের অনুভূতিতে তিনি লিখেছেন, ‘আমি একা খেতে পারি না। একা চলতে পারি না। একাকীত্বকে আমার ভীষণ ভয়। এই দুই দিনে আমার সতীর্থ ফিল্মমেকাররা ‘শনিবার বিকেল’ মুক্তির দাবিতে যেরকম স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সোচ্চার হয়েছে তাতে বহুবারই আমার চোখ ভিজেছে। সাধারণত এসব প্রতিবাদ সংগঠিত করতে হয় ফোন করে, সভা করে। কিন্তু আমি তো কাউকে ফোন করি নাই, কথাও বলি নাই। তারপরও আপনারা যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন তাতে বহুবার চোখ ভিজেছে। আপনারা আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন– আমি একা নই, আমি আপনাদেরই একজন। এটা আমাদের জীবনের অন্যতম সেরা একটি দিন। সবাইকে ভালোবাসি। আসুন, একসঙ্গে থাকি এবং কোনো ফিল্মমেকারের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে পাশে দাঁড়াই।’

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার দৃশ্য

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার দৃশ্য (ছবি: ফেসবুক)

২০১৯ সালে সেন্সর বোর্ডের সনদ পাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলেও এখনো আটকে আছে ‘শনিবার বিকেল’। অথচ সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা এর ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ফেস্টিভ্যালে সমালোচক পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছে এই সিনেমা। এছাড়া মিউনিখ, সিডনিসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত হয়েছে এটি। দেশের ‘ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ’ হতে পারে এমন আশঙ্কায় সিনেমাটির মুক্তি আটকে দেয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড। বিষয়টি এখন আপিল বিভাগে রয়েছে।

গত ৭ আগস্ট সকালে ফেসবুকে ফারুকী লিখেছিলেন, ‘আজ সকাল সকাল মনটা খারাপ হয়ে গেলো! এরকম কতো সকাল যে আমার গেছে। আমি একটা ছবি বানাইছি ‘শনিবার বিকেল’ নামে, যেটা সেন্সর বোর্ড সদস্যরা দেখে বিভিন্ন পত্রিকায় বলেছিলেন, ‘আমরা দ্রুতই সেন্সর সার্টিফিকেট দিয়ে দিচ্ছি।’ তারপর এক অদৃশ্য ইশারায় সিনেমাটির দ্বিতীয়বার দেখেছেন তারা। তারপর বলে দিলেন, সিনেমা নিষিদ্ধ। আমরা আপিল করলাম। আজ সাড়ে তিন বছর হলো আপিলের। কোনো উত্তর নাই। আমাদেরও বুঝি কিছু বলার নাই। কারণ তারাপদ রায়ের কবিতার মতো আমাদের কখন সর্বনাশ হয়ে গেছে আমরা টেরও পাইনি।’

ফেসবুক স্ট্যাটাসটির সঙ্গে এশিয়ান সিনেমা নির্ভর ম্যাগাজিন ইস্টার্ন কিকসে প্রকাশিত ‘শনিবার বিকেল’-এর একটি রিভিউ শেয়ার করেন ফারুকী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা আমি আগে পড়ি নাই। পড়ে মনে হলো আমরা ফুল, পাখি, লতা-পাতা নিয়া ছবি বানালে ‘ঠিক আছে’! এমন কিছু বানানো যাবে না যেখানে আমাদের চেহারা দেখা যায়। কিন্তু আমি তো চিরকাল সেসব গল্পই বলে আসছি যেখানে আমাদের চেহারা দেখা যায়, সেটা প্রেমের গল্পই হোক আর রাজনীতির গল্পই হোক। আমি তো অন্য কিছু পারি না। তাহলে পাখি সব যে রব করবে, সেটা কি নতুন সুরে করতে হবে? নতুন সুর শিখতে হবে?’

পরদিন (৮ আগস্ট) বিকালে ‘শনিবার বিকেল’ প্রসঙ্গে আরেকটি স্ট্যাটাস দেন ফারুকী। এবার তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘দুই দিন পর যে হলি আর্টিজান নিয়ে ভারত থেকে একটা সিনেমা মুক্তি পাবে, সেটা কি আপনারা আটকাতে পারছেন? সেটার বেলায় আপনাদের কি কথা?’

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার পোস্টার

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: ফেসবুক)

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) সকালে ‘শনিবার বিকেল’ আটকে রাখায় ফেসবুকে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফারুকী। তার কথায়, ‘আমার কতো রাত গেছে অনিদ্রায়। কতো দিন গেছে ক্ষমতাবানদের দুয়ারে হাত মুছতে মুছতে। কতো দুপুর গেছে রাগে অন্ধ হয়ে। কতো বছর গেছে নিজের চিৎকার নিজেই গিলে ফেলে। ধন্যবাদ, হে রাষ্ট্র! ফিল্মমেকিংয়ের চেয়ে বড় কোনো অপরাধ তো আর নাই। সুতরাং, ঠিকই আছে। তোমাকে ধন্যবাদ, আমাকে ঠিকঠাক সাইজ করার জন্য।’

ফারুকী তার আগের সিনেমাগুলোর বেলায় ঘটে যাওয়া অযাচিত কিছু ঘটনা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ব্যাচেলর’-এর সময় তুমি ভাবছো আমার ছবি সমাজ নষ্ট করে ফেলবে! ‘মেড ইন বাংলাদেশ’-এ ভাবছো এই ছবি দেশ ধ্বংস করবে! সুতরাং দেড় বছর সেন্সর জেলে রাখছো! ঠিকই আছে। ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার’-এর জন্য সেন্সরের জেলটা একটা বোধ হয় কম হয়ে গিয়েছিলো। অপরাধ বিবেচনায় ওই সিনেমা আটকে রাখা উচিত ছিলো তিন বছর। যাই হোক ‘শনিবার বিকেল’-এ সেটা পুষিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।’

এরপর তীর্যকভাবে ফারুকী লিখেছেন, ‘উঠতে বসতে এভাবে পিটিয়ে ছাল তোলার জন্য কৃতজ্ঞ। কিন্তু এভাবে বোধ হয় পুরোপুরি হবে না। কারণ একটা ছবি ভাবা হয়ে গেলে তো সেটা দুনিয়াতে এগজিস্ট করে গেলো। বানানো হলে তো আরো শক্তভাবে এগজিস্ট করলো। আজ হোক কাল হোক সেটা তো দেখে ফেলবে মানুষ। তাই বলি কী, এমন কিছু একটা করো যাতে ভাবনাটাও বন্ধ করে দেওয়া যায়। এমন ওষুধ আবিষ্কার করো হে রাষ্ট্র, যাতে কারো মনে ক্ষোভ জন্ম না নেয়! কারণ সম্মিলিত ক্ষোভের চেয়ে বিধ্বংসী কোনো অস্ত্র নাই! আরো খেয়াল রাখতে হবে ক্রমাগত চাপে এই ক্ষোভ যেন ঘৃণায় রূপ না নেয়। কারণ কে না জানে ঘৃণার চেয়ে বড় কোনো মারণাস্ত্র নাই।’

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার দৃশ্য

‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার দৃশ্য (ছবি: ফেসবুক)

মূলত ফারুকীর এই ফেসবুক স্ট্যাটাসের পরই ‘শনিবার বিকেল’কে ছাড়পত্র দিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে। বুধবার (১০ আগস্ট) সকাল থেকেও অনেকে সিনেমাটির পক্ষে সোচ্চার হয়েছেন।

জাজ মাল্টিমিডিয়া, ছবিয়াল ও ট্যানডেম প্রোডাকশন প্রযোজিত ‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ১২টি দেশের অভিনয়শিল্পী। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশের জাহিদ হাসান, মামুনুর রশীদ, ভারতের পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, ফিলিস্তিনের ইয়াদ হুরানি, ইউরোপের এলি পুসো, সেলিনা ব্ল্যাক প্রমুখ।

ঢালিউড

জোড়া সিনেমা নিয়ে ফিরছেন আফরান নিশো

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

আফরান নিশো (ছবি: ফেসবুক)

‘সুড়ঙ্গ’ পেরিয়ে ফিরছেন অভিনেতা আফরান নিশো। নতুন দুটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। দুটিতেই প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। তবে পরিচালক ও ছবি দুটির নাম এখনো জানা যায়নি। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এসব ঘোষণা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন সিনেমা দুটি প্রযোজনা করবে এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট। ভারতীয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস (এসভিএফ) ও ঢাকার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয়েছে এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড। এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল ও এসভিএফ-এর চেয়ারম্যান মহেন্দ্র সোনি।

২০২৩ সালে ঈদুল আজহায় রায়হান রাফী পরিচালিত ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় আফরান নিশোর। এতে তার অভিনয় প্রশংসা কুড়িয়েছে। এরপর থেকে তার নতুন কাজের ব্যাপারে কৌতূহল ছিলো ভক্ত-দর্শকদের। অবশেষে বড় পর্দায় ফেরার সুখবর দিলেন তিনি।

পড়া চালিয়ে যান

ঢালিউড

‘তুফান’ টিজারে শাকিবের হুংকার

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘তুফান’ সিনেমার টিজারে শাকিব খান (ছবি: চরকি)

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের আলোচিত সিনেমা ‘তুফান’-এর টিজার প্রকাশ্যে এলো। রায়হান রাফীর পরিচালনায় এতে অপ্রতিরোধ্য গ্যাংস্টারের আমেজে দেখা গেছে তাকে। বিভিন্ন অ্যাকশন দৃশ্যে তার লুক ও মেজাজ আভাস দিচ্ছে, তুফান বয়ে যাবে সিনেমাহলে!

১ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের টিজারের শুরুতে শাকিব বলেন, ‌‘পূর্বের কথা মোতাবেক, এখন থেকে পুরো দেশকে তুফানের হাতে তুলিয়া দেবো। সে যা চাইবে পাইবে, যা করিতে চাইবে করিবে। তাহাকে কোনো কিছুতেই বাধা দেয়ার এখতিয়ার কেউই রাখিতে পারিবে না। আর এর ব্যত্যয় ঘটিলে…।’ এরপরই শুরু হয় তার আগ্রাসী কর্মকাণ্ড।

‘তুফান’ সিনেমার টিজারে শাকিব খান (ছবি: চরকি)

টিজারে শেষ দৃশ্যের আগে অন্যমাত্রা নিয়ে হাজির হন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। তিনি উপহাস মোড়ানো হাসি দিয়ে বলেন, ‘তুফান খুব ভয় পাইছিরে।’ এরপর বাথটাবে পানিতে বসে থাকা শাকিব হুংকার ছাড়েন।

‘তুফান’ সিনেমার টিজারে চঞ্চল চৌধুরী (ছবি: চরকি)

গতকাল (৭ মে) বিকেলে সিনেমাটির তিন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলফা আই, চরকি ও এসভিএফ-এর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয় টিজার।

টিজারে ধুন্ধুমার অ্যাকশন দৃশ্যের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে টাইটেল গান। এর কথা এমন– ‘প্রলয়ের তুফান, আসছে এ তুফান, প্রলয়ের তুফান, থামাও এ তুফান’। এটি গেয়েছেন আরিফ রহমান জয়। তার সঙ্গে সহ-কণ্ঠ দিয়েছেন সাম্যব্রত দৃপ্ত। র‍্যাপ গেয়েছেন র‍্যাপস্টা দাদু। এর কথা লিখেছেন তাহসান শুভ, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন নাভেদ পারভেজ।

টিজার প্রসঙ্গে পরিচালক রায়হান রাফী বলেন, “বাংলা সিনেমাকে বিশ্ব দরবারে নতুনভাবে চেনাবে ‘তুফান’। অনেক সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি পরিবর্তন করে। ‘তুফান’ তেমন একটি সিনেমা হতে যাচ্ছে। বাংলা সিনেমার মানদণ্ড অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। বলা যায়, ‘তুফান’ আমার জীবনের একটি স্বপ্নের প্রকল্প। শাকিব ভাইকে এই সিনেমায় পাওয়া আশীর্বাদ।”

‘তুফান’ সিনেমার টিজারে শাকিব খান (ছবি: চরকি)

‘তুফান’ দর্শকের মধ্যে ঝড় তুলবে বলে আশাবাদী এসভিএফ-এর পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মহেন্দ্র সোনি, আলফা-আই স্টুডিওসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল এবং চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি। তিনজনই জানিয়েছেন, টিজার প্রকাশের পর দারুণ সাড়া মিলছে।

আসন্ন ঈদুল আজহায় সিনেমাহলে মুক্তি পাবে ‘তুফান’। এতে শাকিব ও চঞ্চলের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন মিমি চক্রবর্তী, মাসুমা রহমান নাবিলাসহ অনেকেই।

পড়া চালিয়ে যান

ঢালিউড

‘ফাতিমা’ সিনেমাহলে কবে আসছে জানালেন ফারিণ

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

তাসনিয়া ফারিণ (ছবি: ফেসবুক)

বাংলাদেশের বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণের। তার নতুন সিনেমা ‘ফাতিমা’ আগামী ২৪ মে সিনেমাহলে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এতে নাম ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে।

গতকাল (৫ মে) সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ফাতিমা’র পোস্টার শেয়ার দিয়ে ফারিণ লিখেছেন, “আসছে দুই সময়ের দুই সংগ্রামের আখ্যান ‘ফাতিমা’। দেখুন আগামী ২৪ মে থেকে আপনার কাছের সিনেমা হলে!”

‘ফাতিমা’র পোস্টারে তাসনিয়া ফারিণ (ছবি: আউটকাস্ট ফিল্মস)

পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, তাসনিয়া ফারিণ একদৃষ্টিতে একদিকে তাকিয়ে আছেন। এতে ১৯৭১ ও ২০২৩ সাল উল্লেখ রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ও ২০২৩ সালের দুটি পৃথক সময়ের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। পোস্টারের নিচের অংশে গরুর গাড়িতে চড়ে ও পায়ে হেঁটে অনেককে আশ্রয়ের খোঁজে যেতে দেখা যাচ্ছে।

‘ফাতিমা’য় অসাধারণ অভিনয়ের জন্য ইরানের ৪২তম ফজর আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে পুরস্কার পেয়েছেন তাসনিয়া ফারিণ। ইস্টার্ন ভিস্তা শাখায় ক্রিস্টাল সিমোর্গ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তাকে।

তাসনিয়া ফারিণ (ছবি: ফেসবুক)

ইরানের পর গত বছর অরল্যান্ডো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং ইন্ডি গ্যাদারিং আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিসিয়াল সিলেকশনে স্থান পায় ‘ফাতিমা’।

‘ফাতিমা’য় তাসনিয়া ফারিণ ছাড়াও অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান, সংগীতশিল্পী পান্থ কানাই, তারিক আনাম খান, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, আয়েশা মনিকা, গাউসুল আলম শাওন।

আউটকাস্ট ফিল্মস প্রযোজিত ‘ফাতিমা’র নাম শুরুতে ছিলো ‘দাহকাল’। ২০১৭ সালে এর শুটিং শুরু হলেও অর্থনৈতিক জটিলতার কারণে কাজ শেষ করে সাত বছর লেগেছে। চিত্রগ্রহণ করেছেন তুহিন তমিজুল।

তাসনিয়া ফারিণ (ছবি: ইয়াকুব)

সিনেমাটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন ধ্রুব হাসান। গল্পটি তারই। তিনি ও আদনান হাবিব চিত্রনাট্য লিখেছেন। তারাই সম্পাদনা ও নির্বাহী প্রযোজকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সহ-প্রযোজক আরমান কাদরী, আরজু মানারা বেগম, শামসুর রাহমান আলভী ও তুনাজ্জিনা চৌধুরী পুনম। শিল্প নির্দেশনায় তারেক বাবলু, শিহাব নুরুন নবী ও উত্তম গুহ। শব্দসজ্জা করেছেন শৈব তালুকদার। পোশাক পরিকল্পনায় জুনায়েদ বোগদাদি জিমি ও এদিলা ফারিদ তুরিন।

গানের সুর ও সংগীত এবং আবহ সংগীত পরিচালনা করেছেন পাভেল আরীন। শারমিন সুলতানা সুমি লেখার পাশাপাশি একটি কণ্ঠ দিয়েছেন। এছাড়া রয়েছে সোমনূর মনির কোনালের গাওয়া একটি গান।

পশ্চিমবঙ্গের ‘আরো এক পৃথিবী’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাসনিয়া ফারিণের। এটি মুক্তি পায় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ