Connect with us

হলিউড

সবচেয়ে বাজে অভিনয়ের তিরস্কার পেলেন টম হ্যাঙ্কস

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

টম হ্যাঙ্কস (ছবি: টুইটার)

অস্কারে টানা দুইবার সেরা অভিনেতার পুরস্কার, পাঁচটি গোল্ডেন গ্লোব, সাতটি এমি অ্যাওয়ার্ডসসহ অসংখ্য সম্মাননা পাওয়া টম হ্যাঙ্কসকে ভাবা হয় তারকাদের তারকা। তার অসাধারণ অভিনয় বিভিন্ন দেশের অনেক তারকার কাছে পাঠ্য। সেই তাকেই ২০২২ সালে সবচেয়ে বাজে পার্শ্ব অভিনেতার তিরস্কার হজম করতে হলো।

গত বছর মুক্তিপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী এলভিস প্রিসলির বায়োপিক ‘এলভিস’-এর জন্য সবচেয়ে বাজে জুটির তিরস্কারও সইতে হয়েছে ৬৬ বছর বয়সী টম হ্যাঙ্কসকে। ফোলা চেহারা এবং হাস্যকর উচ্চারণের জন্য এই সমালোচনার তীর ছুটে গেলো তার দিকে। সিনেমাটিতে এলভিসের নির্দয় ও দুর্নীতিবাজ সাবেক ম্যানেজার কর্নেল টম পার্কার চরিত্রে দেখা গেছে তাকে।

৯৫তম অস্কার অনুষ্ঠানের দুই দিন আগে (১০ মার্চ) ৪৩তম গোল্ডেন রাস্পবেরি অ্যাওয়ার্ডসে তিরস্কৃতদের চূড়ান্ত তালিকা ইউটিউবে ঘোষণা করা হয়েছে।

হলিউডের ইজ্জত ডুবিয়ে ২০২২ সালের সবচেয়ে বাজে সিনেমা হয়েছে প্রয়াত অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর বায়োপিক ‘ব্লন্ড’। সবচেয়ে বাজে চিত্রনাট্যের তিরস্কার হজম করেছেন সিনেমাটির পরিচালক অ্যান্ড্রু ডমিনিক। যদিও ৯৫তম অস্কারে সেরা অভিনেত্রী শাখায় মনোনীতদের তালিকায় আছেন মনরো চরিত্রে অভিনয় করা আনা ডে আরমাস।

আনা ডে আরমাস (ছবি: টুইটার)

‘গুড মোর্নিং’ সিনেমার জন্য সবচেয়ে বাজে পরিচালকের স্বীকৃতি হজম করেছেন কলসন বেকার ও মড সান। কলসন বেকারের ছদ্মনাম হলো মেশিন গান কেলি। “ডিজনি’স পিনোকিও” সবচেয়ে বাজে রিমেক, রিপ-অফ অথবা সিক্যুয়েলের তকমা পেয়েছে।

‘মোরবিয়াস’ সিনেমার জন্য জারেড লেটো সবচেয়ে বাজে অভিনেতা এবং আদ্রিয়া আরজোনা সবচেয়ে বাজে পার্শ্ব অভিনেত্রীর স্বীকৃতি হজম করেছেন। সবচেয়ে বাজে অভিনেত্রী শাখায় কাউকে তিরস্কার করা হয়নি। বরং আয়োজকরা নিজেরাই নিজেদের দুষেছেন! বাজে অভিনেত্রী শাখার মনোনয়ন তালিকায় ‘ফায়ারস্টার্টার’-এর জন্য ১২ বছর বয়সী রায়ান কিয়েরা আর্মস্ট্রংকে রাখাই এর কারণ। রেজি ব্যালট থেকে কিয়েরার নাম আগেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ অভিনেতা কলিন ফেরেল নিজের হারানো সম্মান পুনরুদ্ধার করেছেন। ২০০৪ সালে “উইন্টারস টেল” সিনেমার জন্য রেজি অ্যাওয়ার্ডসে সবচেয়ে বাজে অভিনেতার মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনি। ২০২২ সালে অস্কারে মনোনীত সেরা অভিনেতাদের মধ্যে তিনিই পুরস্কার জয়ের দৌড়ে এগিয়ে।

গোল্ডেন র‌্যাস্পবেরি অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের উদ্যোক্তা ইউসিএলএ ফিল্ম স্কুলের দুই গ্র্যাজুয়েট জন জে. বি. উইলসন এবং মো মারফির আয়োজনে ১৯৮০ সাল থেকে প্রতিবছর হলিউডের দর্শকবিমুখ ছবিগুলোকে ব্যঙ্গ করে দেওয়া হয় রেজি অ্যাওয়ার্ডস। আমেরিকার ১১০০ জন এবং অন্যান্য দেশের দুই ডজন রেজি সদস্য ৪০ ডলারের বিনিময়ে অনলাইনে ভোট দিয়ে তিরস্কৃতদের তালিকা চূড়ান্ত করেছেন। বাজে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে রেজি বিজয়ীরা পান সোনার স্প্রে দেওয়া ট্রফি। এর প্রতিটির মূল্য ৪.৯৭ ডলার।

একনজরে ৪৩তম গোল্ডেন রাস্পবেরি অ্যাওয়ার্ডস
সবচেয়ে বাজে সিনেমা
ব্লন্ড (নেটফ্লিক্স)

সবচেয়ে বাজে অভিনেতা
জারেড লেটো (মোরবিয়াস)

সবচেয়ে বাজে অভিনেত্রী
দ্য রেজিস (বাজে অভিনেত্রী মনোনয়নে সাঙ্ঘাতিক ভুলের কারণে)

সবচেয়ে বাজে পার্শ্ব অভিনেতা
টম হ্যাঙ্কস (এলভিস)

সবচেয়ে বাজে পার্শ্ব অভিনেত্রী
আদ্রিয়া আরজোনা (মোরবিয়াস)

সবচেয়ে বাজে জুটি
টম হ্যাঙ্কস এবং তার ফোলা চেহারা ও হাস্যকর উচ্চারণ (এলভিস)

সবচেয়ে বাজে প্রিক্যুয়েল, রিমেক, রিপ-অফ অথবা সিক্যুয়েল
ডিজনি’স পিনোকিও (ডিজনি প্লাস)

সবচেয়ে বাজে পরিচালক
মেশিন গান কেলি ও মড সান (গুড মোর্নিং)

সবচেয়ে বাজে চিত্রনাট্য
ব্লন্ড (অ্যান্ড্রু ডমিনিক)

রেজি রিডিমার অ্যাওয়ার্ড
কলিন ফেরেল

হলিউড

আন্তর্জাতিক মুক্তির আগেই বাংলাদেশের পর্দায় ‘দ্য ফল গাই’

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

‘দ্য ফল গাই’ সিনেমার পোস্টারে রায়ান গসলিং ও এমিলি ব্লান্ট (ছবি: ইউনিভার্সেল পিকচার্স)

আশির দশকে অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চারভিত্তিক আমেরিকান টিভি সিরিজ ‘দ্য ফল গাই’ তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। সেই ‘দ্য ফল গাই’ এবার এলো বড় পর্দায়। সিরিজের নামেই রাখা হয়েছে সিনেমার নাম। ইউনিভার্সেল পিকচার্সের পরিবেশনায় এটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাবে ৩ মে। তবে চমকপ্রদ খবর হলো, বাংলাদেশের বড় পর্দায় ইতোমধ্যে চলে এসেছে ‘দ্য ফল গাই’। আজ (১ মে) এটি মুক্তি দিয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্স। ফলে বিশ্বের অনেক দেশের আগেই বাংলাদেশের দর্শকরা এই সিনেমা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।

অ্যাকশন-কমেডি ধাঁচের সিনেমা ‘দ্য ফল গাই’ পরিচালনা করেছেন আমেরিকার ডেভিড লিচ। ‘জন উইক’, ‘অ্যাটমিক ব্লন্ড’ ও ‘বুলেট ট্রেন’-এর মতো অ্যাকশনধর্মী সিনেমা পরিচালনার আগে তিনি নিজেই একজন স্টান্টম্যান ছিলেন। ব্র্যাড পিট ও ম্যাট ডেমনের স্টান্ট-ডাবল হিসেবে কাজ করেছেন ৪৮ বছর বয়সী এই নির্মাতা। আমেরিকান সংবাদমাধ্যম এন্টারটেইনমেন্ট উইকলিকে তিনি বলেন, ‘সিনেমাটি পুরো স্টান্ট সম্প্রদায়ের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। স্টান্টম্যান ও পর্দার আড়ালের ক্রুরা মিলেই একটি সিনেমাকে পূর্ণতা এনে দেন। সিনেমায় তাদের অবদান ও না-বলা গল্প সবার সামনে তুলে ধরতেই সিনেমাটি তৈরি করা।’

‘দ্য ফল গাই’ সিনেমার পোস্টারে রায়ান গসলিং (ছবি: ইউনিভার্সেল পিকচার্স)

গল্পে দেখা যাবে, হলিউড স্টান্ট পারফরমার কোল্ট সিভার্স সাবেক প্রেমিকার প্রথম পরিচালিত সিনেমায় কাজ করে। তার উদ্দেশ্য শুধুই সিনেমাটির প্রধান অভিনেতাকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের কুলকিনারা করা। কোল্ট সিভার্স চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘বার্বি’ তারকা রায়ান গসলিং। তিনি ও পরিচালক ডেভিড লিচ সিনেমাটির দুই প্রযোজক।

‘দ্য ফল গাই’তে নির্মাতা চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘ওপেনহাইমার’ খ্যাত ব্রিটিশ তারকা এমিলি ব্লান্ট। এছাড়াও আছেন অ্যারন টেলর-জনসন, হানা ওয়াডিংহাম, স্টেফানি সু, উইনস্টন ডিউক, টেরেসা পালমার।

‘দ্য ফল গাই’ সিনেমার পোস্টারে রায়ান গসলিং ও এমিলি ব্লান্ট (ছবি: ইউনিভার্সেল পিকচার্স)

সিনেমাহলে মুক্তির আগে গিনেস বুকে জায়গা করে নিয়েছে ২ ঘণ্টা ৬ মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘দ্য ফল গাই’। সর্বাধিক ক্যানন রোলের (শূন্যে গাড়িকে চক্কর দেওয়ানো) অন্যরকম রেকর্ড গড়েছে এটি। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে শুটিংয়ের সময় স্টান্ট ড্রাইভার লোগান হোলাডে একটি গাড়িতে সর্বাধিক সাড়ে আট বার ক্যানন রোল করে ভেঙেছেন ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জেমস বন্ড ফ্র্যাঞ্চাইজের ‘ক্যাসিনো রয়েল’-এর স্টান্টম্যান অ্যাডাম কার্লির সাতটি ক্যানন রোলের রেকর্ড।

পড়া চালিয়ে যান

হলিউড

‘ট্রান্সফরমার্স ওয়ান’: মহাকাশে ট্রেলার প্রকাশ!

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

‘ট্রান্সফরমার্স ওয়ান’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: প্যারামাউন্ট পিকচার্স)

হলিউডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজ ‘ট্রান্সফরমার্স’ পৃথিবীর সীমানা পেরিয়ে পৌঁছে গেলো মহাকাশে! ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার ফুট ওপরে এর নতুন কিস্তি ‘ট্রান্সফরমার্স ওয়ান’-এর ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে। ইতিহাসে এর আগে এমনটি ঘটেনি!

গতকাল (১৮ এপ্রিল) ইউটিউবে প্যারামাউন্ট পিকচার্সের চ্যানেলে, ট্রান্সফরমার্স মুভির সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে এবং ইনস্টাগ্রামে অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা ক্রিস হেমসওয়ার্থের অ্যাকাউন্টে সরাসরি দেখানো হয় মনিটর নিয়ে একটি নভোযানের মহাকাশযাত্রা। ১ লাখ ২৫ হাজার ফুট ওপরে পৌঁছাতে লেগেছে প্রায় ১ ঘণ্টা। ‘ট্রান্সফরমার্স ওয়ান’ সিনেমার ট্রেলারের প্রিমিয়ার শুরুর ৭ সেকেন্ড আগে পর্দায় হাজির হন অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা ক্রিস হেমসওয়ার্থ ও আমেরিকান অভিনেতা ব্রায়ান টাইরি হেনরি। আগে থেকে ধারণকৃত ভিডিওতে তারা বলেন, “ট্রান্সফরমার্স বন্ধুরা, একটুও নড়বেন না। ‘ট্রান্সফরমার্স ওয়ান’ ট্রেলার শুরু হচ্ছে এখন!”

ইউটিউবে মহাকাশযাত্রা ও ট্রেলারের প্রিমিয়ার দেখা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ বার। এর হাইলাইটসের ভিউ সংখ্যা ৬০ হাজার। ট্রেলারটির ভিউ ১৮ ঘণ্টায় ছাড়িয়েছে ৭০ লাখের ঘর।

সিনেমাটিতে অরিয়ন প্যাক্স ওরফে অপটিমাস প্রাইম চরিত্রে ক্রিস হেমসওয়ার্থ ও ডি-সিক্সটিন ওরফে মেগাট্রনের ভূমিকায় কণ্ঠ দিয়ে অভিনয় করেছেন ব্রায়ান টাইরি হেনরি। এছাড়া ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন স্কারলেট জোহানসন, কিগ্যান-মাইকেল কি, স্টিভ বুশেমি, লরেন্স ফিশবার্ন ও জন হ্যাম।

‘ট্রান্সফরমার্স ওয়ান’-এ দেখা যাবে, জনপ্রিয় দুই ট্রান্সফরমার অপটিমাস প্রাইম ও মেগাট্রনের শেকড়ের গল্প। তারা শত্রু হিসেবে পরিচিত হলেও একসময় ভাইয়ের মতো বন্ধু ছিলো। চৌকস এই দুই ট্রান্সফরমার মিলেই সাইবারট্রনের ভাগ্য চিরতরে বদলে দিয়েছিলো।

‘ট্রান্সফরমার্স ওয়ান’ কম্পিউটার গ্রাফিক্স অ্যানিমেটেড সিনেমা। এবারই প্রথম ‘ট্রান্সফরমার্স’ সিরিজের কোনো সিনেমার পুরোটাই এভাবে তৈরি হলো। এটি পরিচালনা করেছেন জশ কুলি। নির্বাহী প্রযোজকদের মধ্যে আছেন স্টিভেন স্পিলবার্গ। চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর সিনেমাহলে মুক্তি পাবে ‘ট্রান্সফরমার্স ওয়ান’।

পড়া চালিয়ে যান

হলিউড

ঢাকায় বড় পর্দায় আবার গডজিলা বনাম কং

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘গডজিলা এক্স কং: দ্য নিউ এম্পায়ার’ সিনেমার পোস্টার (ছবি:ওয়ার্নার ব্রাদার্স পিকচার্স)

মনস্টার জগতের দুই মহারথী গডজিলা ও কংয়ের দ্বৈরথ সিনেমাপ্রেমীদের কাছে বরাবরই বেশ উপভোগ্য। বিশাল আকারের এই দুটি চরিত্র আবার একসঙ্গে আসছে বড় পর্দায়। ‘গডজিলা এক্স কং: দ্য নিউ এম্পায়ার’ নামের সিনেমায় দেখা যাবে তাদের তাণ্ডব। ওয়ার্নার ব্রাদার্স পিকচার্সের পরিবেশনায় আগামীকাল (২৯ মার্চ) আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে এটি। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে এই সিনেমা।

সর্বশেষ ২০২১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গডজিলা ভার্সেস কং’ সিনেমায় কিং কং ও গডজিলার দ্বৈরথ দেখা গেছে। করোনা মহামারিতে এটি দর্শকদের দারুণ সাড়া পায়। এবার আসছে এর বহুল প্রতীক্ষিত সিক্যুয়েল। লিজেন্ডারি পিকচার্সের প্রযোজনায় আগের পর্বের সাফল্যের সুবাদে এবারের কিস্তিও পরিচালনা করেছেন অ্যাডাম উইনগার্ড। আগের সিনেমার অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে ফিরছেন রেবেকা হল, ব্রায়ান টাইরি হেনরি ও কেইলি হটেল। নতুন যুক্ত হয়েছেন ড্যান স্টিভেনস, অ্যালেক্স ফার্নস, ফালা চেন, র‌্যাচেল হাউস।

‘গডজিলা এক্স কং: দ্য নিউ এম্পায়ার’ সিনেমার দৃশ্য (ছবি:ওয়ার্নার ব্রাদার্স পিকচার্স)

‘গডজিলা এক্স কং: দ্য নিউ এম্পায়ার’ হলো ‘মনস্টারভার্স’ ফ্রাঞ্চাইজের পঞ্চম কিস্তি, গডজিলা ফ্রাঞ্চাইজের ৩৮তম পর্ব এবং কিং কং ফ্রাঞ্চাইজের ১৩তম সিনেমা। ১ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটের সিনেমাটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ১৫ কোটি ডলার।

‘গডজিলা এক্স কং: দ্য নিউ এম্পায়ার’ সিনেমার দৃশ্য (ছবি:ওয়ার্নার ব্রাদার্স পিকচার্স)

গডজিলা আর কং প্রাগৈতিহাসিক দুই দানব। কং নির্জন রহস্যময় দ্বীপ স্কাল আইল্যান্ডের বাসিন্দা আর গডজিলা প্রশান্ত মহাসাগরের জলরাশির গভীর তলদেশ থেকে উঠে আসে। নতুন সিনেমায় বিশ্বে লুকিয়ে থাকা এক বিশাল অনাবিষ্কৃত হুমকি নিয়ে তাদের মধ্যে লড়াই হবে। গডজিলা আণবিক নিশ্বাস ছাড়লেও শেষ পর্যন্ত কাবু হয় কংয়ের বাহুবলের কাছে, নাকি ‘অবমানব’ কংয়ের মানবিক সত্তার কাছে? সেই উত্তর মিলবে গল্পে। টাইটানদের ইতিহাস, তাদের উৎস, স্কাল আইল্যান্ড এবং তার বাইরের রহস্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায়। সেই সঙ্গে রয়েছে পৌরাণিক যুদ্ধ।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ