Connect with us

ছোটদের সিনেমা

সবাই ছবি তুলতে চায়, কিন্তু আমি দেই না: মুনতাহা

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

মুনতাহা এমেলিয়া

মুনতাহা এমেলিয়া (ছবি: কাজী সাজ্জাদ/সিনেমাওয়ালা)

শিশু শিল্পীদের মধ্যে এখন সবচেয়ে আলোচিত মুনতাহা এমেলিয়া। মিষ্টি সংলাপ ও স্বতন্ত্র ঢঙে সাবলীল অভিনয়ে আলাদাভাবে নজর কেড়েছে সে। অনেক নাটক ও বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেছে মেয়েটি। সিনেমাওয়ালা নিউজের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশ নিয়েছে মুনতাহা।

সিনেমাওয়ালা নিউজ: তোমাকে যে সবাই পিচ্চি বলে ডাকে, তোমার সেটা কেমন লাগে?
মুনতাহা এমেলিয়া: আমি জানি না। কিন্তু ওরা (সবাই) তো পিচ্চিই বলে, আমি কী বলবো।

মুনতাহা এমেলিয়া

মুনতাহা এমেলিয়া (ছবি: কাজী সাজ্জাদ/সিনেমাওয়ালা)

সিনেমাওয়ালা নিউজ: তোমার ক্লাসমেটরা কি কখনো অভিনয় করে দেখাতে বলেছে?
মুনতাহা: স্কুলে বলে না। কিন্তু আছে না? বাইরের জনেরা বলে। মাঝে মাঝে বলে একটু।

সিনেমাওয়ালা নিউজ: তুমি যখন রাস্তায় বের হও তখন কি কেউ ছবি তুলতে চায়?
মুনতাহা: ছবি তুলতে চায়, কিন্তু আমি দেই না।

মুনতাহা এমেলিয়া

মুনতাহা এমেলিয়া (ছবি: কাজী সাজ্জাদ/সিনেমাওয়ালা)

সিনেমাওয়ালা নিউজ: মুনতাহা নামের অর্থ কী?
মুনতাহা: আমি জানি না। এটা আমার মা-বাবা রেখেছে।

সিনেমাওয়ালা নিউজ: কী খেতে বেশি ভালো লাগে? চকোলেট নাকি আইসক্রিম?
মুনতাহা: দুটোই ভালো লাগে।

মুনতাহা এমেলিয়া

মুনতাহা এমেলিয়া (ছবি: কাজী সাজ্জাদ/সিনেমাওয়ালা)

সিনেমাওয়ালা নিউজ: ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস রিলোডেড’ নাটকে কে তোমাকে সবচেয়ে বেশি আদর করে?
মুনতাহা: রাজ মামা।

সিনেমাওয়ালা নিউজ: দেড় বছর বয়স থেকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছো তুমি। তা এখন তোমার বয়স কত?
মুনতাহা: আমার বয়স এখন সিক্স প্লাস।

মুনতাহা এমেলিয়া

মুনতাহা এমেলিয়া (ছবি: কাজী সাজ্জাদ/সিনেমাওয়ালা)

সিনেমাওয়ালা নিউজ: ‘নেটওয়ার্কের বাইরে’ ওয়েব ফিল্মে অল্প সময় দেখা গেলেও দর্শকরা তোমার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছে। এত মিষ্টি সংলাপ বলা তুমি কার কাছ থেকে শিখলে?
মুনতাহা: আমি নিজেই শিখেছি।

মুনতাহা এমেলিয়া

মুনতাহা এমেলিয়া (ছবি: কাজী সাজ্জাদ/সিনেমাওয়ালা)

সিনেমাওয়ালা নিউজ: দর্শকদের উদ্দেশে কিছু বলো।
মুনতাহা: আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আমি ভালো ভালো কাজ করি।

ছোটদের সিনেমা

ডিজনির শতবর্ষ উদযাপনে চট্টগ্রামে দুই দিনের উৎসব

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

ডিজনির শতবর্ষে চট্টগ্রামে দুই দিনের আয়োজন (ছবি: ফুলকি)

আমেরিকান অ্যানিমেটর, সিনেমা প্রযোজক ও উদ্যোক্তা ওয়াল্টার অ্যালায়াস ডিজনি ছিলেন স্বপ্নরাজ্যের স্বপ্নদ্রষ্টা। তিনি শিশু-কিশোরদের জন্য সৃষ্টি করে গেছেন কালজয়ী কার্টুন, সিনেমা ও বই। এগুলোর মাধ্যমে রূপকথার রঙিন রাজ্যে পৌঁছে যায় শিশু-কিশোররা। তার প্রতিষ্ঠিত দ্য ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানির শতবর্ষ এখন উদযাপিত হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কল্পনার জগত ডিজনি ওয়ার্ল্ডে। এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফুলকি আয়োজন করেছে দুই দিনের উৎসব।

নন্দনকাননের ৪৬ বৌদ্ধ মন্দির সড়কে ফুলকি প্রাঙ্গণ থেকে আগামীকাল (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে বের হবে বর্ণিল শোভাযাত্রা। ডিজনির যেকোনো চরিত্র সেজে শিশু-কিশোররা এতে অংশগ্রহণ করতে পারবে। জামালখান মোড় হয়ে ফুলকি প্রাঙ্গণে ফিরে শোভাযাত্রা শেষ হবে।

সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ফুলকির মুক্তমঞ্চে রয়েছে উদ্বোধনী আয়োজন। এতে থাকবে ডিজনির সিনেমার গান পরিবেশন, সিনেমার দৃশ্য অভিনয় করে দেখানো এবং নাচ। সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে শিশু-কিশোরদের আঁকা চিত্রকর্ম প্রদর্শনী হবে। বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এবং ২৩ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ফুলকি মিলনায়তনে দেখানো হবে ডিজনির বিভিন্ন সিনেমা।

ফিলিস্তিনে গাজায় যুদ্ধে বিপদগ্রস্ত শিশুদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ২৩ ডিসেম্বর সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ফুলকির সম্মুখভাগে রয়েছে মানববন্ধন কর্মসূচি।

এছাড়া শিশু-কিশোরদের জন্য আরো থাকছে ফটোবুথ, ডিজনির হরেক রকম বই, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বানানো কারুপণ্য ও মজার মজার কিছু খাবারের বিপণি। ফুলকির সর্বাধ্যক্ষা শীলা মোমেন সব আয়োজনে শিশু-কিশোরদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

পড়া চালিয়ে যান

ছোটদের সিনেমা

‘সিসিমপুর’ আবার আরটিভিতে

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘সিসিমপুর’ অনুষ্ঠানের জনপ্রিয় চরিত্রগুলো (ছবি: সিসেম ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ)

বেসরকারি চ্যানেল আরটিভিতে ফিরছে শিশুতোষ শিক্ষা ও বিনোদনমূলক জনপ্রিয় সিরিজ ‘সিসিমপুর’। ২০২৪ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে সপ্তাহের প্রতি শনি, রবি ও সোমবার বিকেল ৫টায় আরটিভিতে দেখানো হবে অনুষ্ঠানটি, যা মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার একই সময়ে পুনঃপ্রচার হবে। ফলে সপ্তাহে ছয় দিন শিশুরা আরটিভির পর্দায় ‘সিসিমপুর’ দেখার সুযোগ পাবে।

সম্প্রতি ‘সিসিমপুর’ প্রচারের বিষয়ে এর নির্মাণ প্রতিষ্ঠান সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশের পরিবেশনা অংশীদার ওয়াটারমার্ক এমসিএল-এর সঙ্গে আরটিভির একটি চুক্তি হয়েছে। এতে সই করেন আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান এবং ওয়াটারমার্ক এমসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পলাশ মিয়া।

চুক্তি সম্পাদনের সময় সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলমসহ তিনটি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।

শিশুদের শেখাকে আনন্দদায়ক ও উপভোগ্য করার লক্ষ্যে ২০০৫ সালে শুরু হয় ‘সিসিমপুর’। তিন থেকে আট বছর বয়সী শিশুর প্রারম্ভিক শিক্ষার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে ১৮ বছর ধরে শিশুতোষ এই টেলিভিশন অনুষ্ঠান তৈরি হচ্ছে। আনন্দ আর খেলার ছলে শিশুর সামগ্রিক বিকাশে ভূমিকা রাখছে ‘সিসিমপুর’। এর হালুম, ইকরি মিকরি, শিকু, টুকটুকি চরিত্রগুলো শিশুদের কাছে খুব জনপ্রিয়।

‘শিশুরা হয়ে উঠুক আরও সম্পন্ন, আরও সবল এবং আরও সদয়’– এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে সিসেমি স্ট্রিটের বাংলাদেশি সংস্করণ ‘সিসিমপুর’। অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে শিশুদের বর্ণ চেনানো, শব্দ থেকে বর্ণ চিহ্নিত করা, বর্ণ দিয়ে শব্দ মেলানো, শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করা শেখানো হয়। চারপাশের পরিবেশ থেকে উপকরণ খুঁজে সেগুলোর মাধ্যমে বর্ণ ও শব্দ চিনতে সাহায্য করে অনুষ্ঠানটি। ভাষা-বর্ণ, গণিত, পরিবেশ ছাড়াও স্বাস্থ্য সুরক্ষার মতো মৌলিক বিষয়গুলো শিশুদের বিনোদন ও খেলার ছলে শেখানো হয়। এসবের পাশাপাশি লিঙ্গ সমতা, সামাজিক মূল্যবোধ, দেশের শিল্প-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ইত্যাদি বিষয়ে শিশুদের শিখতে সাহায্য করছে ‘সিসিমপুর’। শুরু থেকেই ইউএসএআইডি বাংলাদেশ-এর আর্থিক সহায়তায় নির্মিত হয়ে আসছে এটি।

পড়া চালিয়ে যান

ছোটদের সিনেমা

আজ মীনা দিবস

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

মীনা কার্টুন

মীনা কার্টুনের দৃশ্য (ছবি: ফেসবুক)

মীনা একটি উচ্ছ্বল, প্রাণবন্ত ও সাহসী মেয়ের নাম। মীনা কার্টুন চরিত্রে মীনার বয়স নয় বছর। কার্টুনটির অন্য দুটি চরিত্র মিনার ভাই রাজু এবং পোষা পাখি মিঠু। লিঙ্গ বৈষম্য রোধ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও শিশু নিরাপত্তার গুরুত্ব নিয়ে মীনা কার্টুনের গল্প সাজানো হয়।

মীনা কার্টুনটি বাংলা, ইংরেজি, উর্দু, হিন্দি ও নেপালি ভাষায় প্রচার হয়েছে। কার্টুন ছাড়াও কমিক বই ও রেডিও অনুষ্ঠান হয়েছে। কার্টুনটির সূচনা সংগীত ‘আমি বাবা-মায়ের শত আদরের মেয়ে’ সব বয়সী মানুষের প্রিয়।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থা ইউনিসেফের বড় অর্জনগুলোর একটি ‘মীনা’। আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) ইউনিসেফ ঘোষিত মীনা দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে মানসম্মত শিক্ষা’। বিদ্যালয়ে যেতে সক্ষম শতভাগ শিশুর বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিতকরণ এবং ঝরে পড়া রোধের অঙ্গীকার নিয়ে বিশ্বে পালিত হয় মীনা দিবস।

সরকার, এনজিও ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সহযোগিতায় দিবসটি সাড়ম্বরে উদযাপন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা ও পূর্ব-এশিয়ার দেশগুলোতে দিনটি উদযাপিত হচ্ছে।

ঢাকা পিটিআইতে (মিরপুর-১৩) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে গল্প বলার আসর, পাপেট শো ও মাপেট শো, স্টল প্রদর্শনী, রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন, যেমন খুশি তেমন সাজো ও মীনা বিষয়ক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ