Connect with us

সিনেমা হল

স্টার সিনেপ্লেক্সে একই দিনে হলিউডের নতুন দুই সিনেমা

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

‘মেগ টু: দ্য ট্রেঞ্চ’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: ওয়ার্নার ব্রাদার্স পিকচার্স)

হলিউডের ‘বার্বি’ ও ‘ওপেনহেইমার’ মিলিয়ে ‘বার্বেনহাইমার’ নিয়ে তাবৎ দুনিয়ায় ব্যাপক মাতামাতি দেখা গেছে। সিনেমাহলে যেন দর্শকদের উৎসব লেগেছে। এর রেশ কাটতে না কাটতে বাংলাদেশে একসঙ্গে এসেছে হলিউডের আরো নতুন দুটি সিনেমা। আজ (১১ আগস্ট) মুক্তি পেতে যাচ্ছে রক্তপিপাসু ভয়ঙ্কর হাঙরের তাণ্ডব নিয়ে নির্মিত অ্যাকশনধর্মী ‘মেগ টু: দ্য ট্রেঞ্চ’ এবং অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস: মিউট্যান্ট মেহেম’। দুটোই সিক্যুয়েল।

‘মেগ টু: দ্য ট্রেঞ্চ’ পরিচালনা করেছেন বেন হুইটলি। এতে জোনাস টেলর চরিত্রে আবার অভিনয় করেছেন হলিউড তারকা জেসন স্ট্যাটহাম। অন্যদিকে জনপ্রিয় কমিকস অবলম্বনে ‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস: মিউট্যান্ট মেহেম’ পরিচালনা করেছেন জেফ রো। স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যৈষ্ঠ ব্যবস্থাপক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদের আশা, ভিন্ন ভিন্ন ঘরানার সিনেমা দুটি দর্শকদের মন জয় করবে।

‘মেগ টু: দ্য ট্রেঞ্চ’
২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য মেগ’ সিনেমায় ডাইনোসর যুগের লুপ্তপ্রায় একটি বিশাল হাঙরের দেখা মেলে মাঝ সমুদ্রে, যার নাম মেগালোডন। সেই বিশালাকার হাঙরের গ্রাসে যেতে শুরু করে বহু জাহাজ থেকে সাবমেরিন। বিস্ময়কর সেই হাঙরের বিরুদ্ধে মরণপণ লড়াই করে একজন দুঃসাহসিক ডুবুরি। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত তার অভিযান সফল হওয়ায় মারা যায় মেগালোডন। তবে গল্প কিন্তু শেষ হয়নি!

দর্শকদের জন্য আরও ভয়ঙ্কর গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘মেগ টু: দ্য ট্রেঞ্চ’। এতে লুপ্তপ্রায় সেই রক্তপিপাসু হাঙরকে আবার দেখা যাবে। এবার মেগালোডন একা নয়, সদলবলে প্রতিশোধ নিতে ফিরছে সে। সমুদ্রের তলদেশে প্রাগৈতিহাসিককালের প্রাণীদের খাদ্যচক্র নিয়ে একদল বিজ্ঞানীর গবেষণার অনিবার্য ফল হিসেবে সেই হাঙরের প্রত্যাবর্তন হয়। এর আগে ‘জুরাসিক পার্ক’ ফ্র্যাঞ্চাইজে মহাকালের অমোঘ নিয়ম নিয়ে ছেলেখেলার ভয়ংকর পরিণতি উঠে এসেছে। ‘মেগ টু’তে হতে চলেছে ঠিক তেমনটাই।

স্টিভ অল্টেনের ‘মেগ: অ্যা নভেল অব ডিপ টেরর’ উপন্যাস অবলম্বনে জন টারটেলটাবের পরিচালনায় ‘দ্য মেগ’-এর বাজেট ছিলো ১৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। বক্স অফিসে এটি আয় করে ৫৩ কোটি ডলারের বেশি। এবারের পর্ব আরো বড় পরিসরে সাজানো হয়েছে। এর বাজেট ১৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত ৪ আগস্ট উত্তর আমেরিকায় মুক্তির পর এখন পর্যন্ত এটি আয় করেছে ১৫ কোটি ডলারের বেশি। জেসন স্টেটহাম ছাড়াও আগের সিনেমায় অভিনয় করা পেজ কেনেডি ও ক্লিফ কার্টিস ফিরেছেন। এছাড়া আছেন উ জিং, সিয়েনা গিলোরি, স্কাইলার স্যামুয়েলস, কিরণ সোনিয়া সাওয়ার, মেলিসান্তি মাহাত।

‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস: মিউট্যান্ট মেহেম’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: প্যারামাউন্ট পিকচার্স)

‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস: মিউট্যান্ট মেহেম’
বিশ্বব্যাপী দারুণ জনপ্রিয় কমিক সুপারহিরো টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস। ১৯৮০ সালের মাঝামাঝি পিটার লেয়ার্ড ও কেভিন ইস্টম্যানের মাধ্যমে একটি কমিকস সিরিজে এসব কচ্ছপের যাত্রা শুরু। এরপর তারা পাঠকদের কাছে রীতিমতো আইকনিক চরিত্র হয়ে ওঠে। পিৎজাপ্রেমী কচ্ছপগুলো নিয়ে তৈরি হয়েছে অনেক টিভি শো এবং ভিডিও গেম।

২০০৭ সালে এসব নিনজাকে নিয়ে নির্মিত অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘টিএমএনটি’ বিশ্বব্যাপী দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। ২০১৪ ও ২০১৬ সালে রক্তমাংসের চরিত্র নিয়ে ‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস’ সিরিজের দুটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।

এবার টিনএজ মিউট্যান্টরা নতুন অ্যাডভেঞ্চার নিয়ে ফিরে এসেছে। নতুন গল্পের নাম ‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস: মিউট্যান্ট মেহেম’। ‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস’ ফ্র্যাঞ্চাইজের সপ্তম সিনেমা এটি। এতে দেখা যাবে, বহু বছর ধরে পৃথিবীতে আশ্রয় নেওয়ার পর কচ্ছপ ভাইরা নিউইয়র্কবাসীর মন জয় করতে এবং সাধারণ কিশোর-কিশোরীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পেতে রওনা হয়। এপ্রিল ও’নিলের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। নতুন বন্ধুরা রহস্যময় একটি অপরাধ সিন্ডিকেটের কথা জানায়। তারা যখন সেই সিন্ডিকেটের সঙ্গে লড়াইয়ের পরিকল্পনা করে, ঠিক তখনই মিউট্যান্টদের একটি বাহিনী তাদের ওপর আক্রমণ করে, যা কচ্ছপের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে। তারা বন্ধু হবে নাকি শত্রু?

‘টিনএজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস: মিউট্যান্ট মেহেম’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন জ্যাকি চ্যান, জন চিনা, সেথ রোজেন, আইস কিউব, পল রুড, রোজ বায়ার্ন, মায়া রুডলফ প্রমুখ। এর বাজেট ৭ কোটি ডলার। গত ২ আগস্ট আমেরিকায় মুক্তির পর এখন পর্যন্ত ৬ কোটি ১৪ লাখ ডলার আয় করেছে এটি।

সিনেমা হল

দেশের ২৬টি সিনেমাহলে ‘ওমর’, আমেরিকায় ৩৫টি থিয়েটারে

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘ওমর’ সিনেমায় শরিফুল রাজ ও দর্শনা বণিক (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রাপ্ত মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ‘ওমর’ দর্শকদের মন জয় করে চলেছে। ফলে নতুন সপ্তাহে আরো কয়েকটি সিনেমাহলে যুক্ত হয়েছে এটি।

অ্যাকশন কাট এন্টারেটেইনমেন্টের পরিবেশনায় ঈদের দিন রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার ২১টি সিনেমাহল মুক্তি পায় ‘ওমর’। আজ (২৬ এপ্রিল) থেকে এটি চলছে ২৬টি সিনেমাহলে।

‘ওমর’-এর তৃতীয় সপ্তাহের সিনেমাহল তালিকা (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

আজই যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি শহরের ৩২টি থিয়েটারে মুক্তি পেয়েছে ‘ওমর’। নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, শিকাগো, সানফ্রান্সিসকো, ডালাস, ম্যাসাচুসেটস, ভার্জিনিয়া, ম্যারিল্যান্ড, কানেক্টিকাট, কলোরাডো, মিশিগান, ফ্লোরিডা, টেক্সাস, ইলিনয়েস, ক্যালিফোর্নিয়া, ওয়াশিংটন, জর্জিয়া, নেভাদা, ইন্ডিয়ানা, আরিজোনায় চলছে এর প্রদর্শনী।

আমেরিকায় ‘ওমর’ সিনেমার থিয়েটার তালিকা (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

‘ওমর’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন শরিফুল রাজ, নাসিরউদ্দিন খান, শহীদুজ্জামান সেলিম, ফজলুর রহমান বাবু, এরফান মৃধা শিবলু, আবু হুরায়রা তানভীর, নাফিস আহমেদ, রোজি সিদ্দিকী, তানজিলা হক মাইশা, আইমন সিমলা। মাস্টার কমিউনিকেশন্সের ব্যানারে সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন খোরশেদ আলম। চিত্রনাট্য লিখেছেন সিদ্দিক আহমেদ। চিত্রগ্রহণ করেছেন রাজু রাজ। শিল্প নির্দেশনায় সামুরাই মারুফ।

আমেরিকায় ‘ওমর’ সিনেমার থিয়েটার তালিকা (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

সিনেমাটির গান গেয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা, আরফিন রুমি, ‘নাসেক নাসেক’ তারকা অনিমেষ রায় ও ভারতের ঈশান মিত্র। গানের কথা লিখেছেন জনি হক, সোমেশ্বর অলি ও রাসেল মাহমুদ। সুর ও সংগীত পরিচালনায় নাভেদ পারভেজ এবং ভারতের স্যাভি। ‘ভাইরাল বেবি’ গানে নেচেছেন ভারতীয় নায়িকা দর্শনা বণিক।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমা হল

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের গল্প বাংলাদেশের বড় পর্দায়

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘মুচাচোস’ প্রামাণ্যচিত্রের পোস্টার (ছবি: স্টার সিনেপ্লেক্স)

২০২২ সালে কাতারে ফিফা বিশ্বকাপে দীর্ঘ ৩৬ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়েছে আর্জেন্টিনা। ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ, প্রথম ম্যাচে হারের অঘটন, এরপর ঘুরে দাঁড়ানো ও শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে জয়সহ সব মিলিয়ে আলবিসেলেস্তেদের বিশ্বকাপ জয় ছিলো নাটকীয়তায় মোড়ানো। বিশ্বকাপ জিতে সর্বকালের সেরাদের কাতারে নাম লিখিয়েছেন মেসি।

আর্জেন্টিনার অবিস্মরণীয় বিশ্বকাপ জয়যাত্রা নিয়ে ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে বেশকিছু প্রামাণ্যচিত্র। এরমধ্যে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে স্প্যানিশ ভাষায় নির্মিত ‘মুচাচোস’। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আর্জেন্টিনায় মুক্তি পাওয়া এই প্রামাণ্যচিত্র সেখানকার দর্শকদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলেছে। আর্জেন্টিনার সিনেমাহলগুলোতে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দর্শক এটি দেখেছে।

বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য ‘মুচাচোস’ নিয়ে আসছে স্টার সিনেপ্লেক্স। আগামী ২৬ এপ্রিল এই মাল্টিপ্লেক্সের সব শাখায় মুক্তি পাবে এটি। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের ক্ষণে ক্ষণে তৈরি হওয়া উম্মাদনা, রূপকথার নায়কের মতো মেসির অনন্য ফুটবলশৈলী, একেকটি ম্যাচে একেকটি গোল, বাঁধভাঙা জয়োল্লাস আর রুদ্ধশ্বাস ফাইনালের গল্প মিলিয়ে সোনালি স্মৃতি বড় পর্দায় দেখা যাবে।

বাংলাদেশের সিনেমাহলে প্রথম স্প্যানিশ ভাষার কোনও প্রামাণ্যচিত্র হিসেবে মুক্তি পাবে ‘মুচাচোস’। প্রথম আর্জেন্টাইন ও দক্ষিণ আমেরিকান প্রামাণ্যচিত্র এবারই প্রথম বড় পর্দায় দেখবে বাংলাদেশি দর্শকের। এছাড়া ফুটবল নিয়ে বাংলাদেশে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক কাজ হতে যাচ্ছে এটাই। স্প্যানিশ পরিচালক জেসাস ব্র্যাসেরাস নির্মাণ করেছেন ১০০ মিনিট দৈর্ঘ্যের ‘মুচাচোস’।

কাতার বিশ্বকাপকে অনেকেই ফিফার সেরা আসর হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একের পর এক অঘটন আর চূড়ান্ত মঞ্চে ফরাসিদের হারিয়ে মেসির হাতে বিশ্বকাপ– আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য কাতার বিশ্বকাপ ছিলো স্বপ্নের মতো। প্রিয় দল ও মেসির বিশ্বকাপ জয় দেখতে মুখিয়ে থাকা অগণিত সমর্থকের ষোলকলা পূর্ণ হয়েছে কাতারে। সব আক্ষেপ ঘুচিয়ে তাদের পরম আনন্দে ভাসিয়েছেন মেসি। চিরকাল এই সুখস্মৃতি সবাইকে পুলকিত করবে।

বাংলাদেশে ‘মুচাচোস’ মুক্তি প্রসঙ্গে স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার বিপুলসংখ্যক সমর্থক আছে। কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার খেলা উপভোগ করেছেন কোটি মানুষ। আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জয়ের পর ঢাকাসহ সারাদেশ উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিলো। বাংলাদেশের সমর্থকদের উম্মাদনা দেখে রীতিমতো অবাক হয়েছেন আর্জেন্টিনার মানুষেরাও। লিওনেল মেসির হাত ধরে বিশ্বকাপ জয়ের এই মুহূর্ত নিয়ে ভক্তদের উৎসাহ ফুরাবে না সহজে। ভক্ত-সমর্থকদের জন্যই প্রামাণ্যচিত্রটি নিয়ে এসেছি আমরা। আশা করি, বড় পর্দায় এটি দেখা দর্শকদের জন্য চমৎকার একটা ব্যাপার হবে।’

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমা হল

ঈদের ১৩ সিনেমার মধ্যে ৮টি দেখাবে স্টার সিনেপ্লেক্স

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘ওমর’, ‘কাজলরেখা’ ও ‘রাজকুমার’ সিনেমার পোস্টার

এবারের ঈদুল ফিতরে ঢালিউডের ১৩টি সিনেমা মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এরমধ্যে ৮টি সিনেমা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মাল্টিপ্লেক্স সিনেমাহল স্টার সিনেপ্লেক্স। আজ (৭ এপ্রিল) বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ঈদের দিন থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সে চলবে গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘কাজলরেখা’, মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ‘ওমর’, হিমেল আশরাফের ‘রাজকুমার’, মিশুক মনির ‘দেয়ালের দেশ’, কামরুজ্জামান রোমানের ‘মোনা: জ্বীন ২’, ছটকু আহমেদের ‘আহারে জীবন’, কাজী হায়াৎ ও কাজী মারুফের ‘গ্রিন কার্ড’ এবং ফুয়াদ চৌধুরীর ‘মেঘনা কন্যা’।

‘দেয়ালের দেশ’ ও ‘আহারে জীবন’ সিনেমার পোস্টার

ঈদে মুক্তির মিছিলে থাকা সিনেমার মধ্যে আহমেদ হুমায়ূনের ‘পটু’, জসিম উদ্দিন জাকিরের ‘মায়া: দ্য লাভ’, জাহিদ হোসেনের ‘সোনার চর’, কামরুজ্জামান রোমানের ‘লিপস্টিক’ এবং মো. ইকবালের ‘ডেডবডি’ স্টার সিনেপ্লেক্সে আপাতত চালাবে না।

‘গ্রিন কার্ড’, ‘মোনা: জ্বীন-২’ ও ‘মেঘনা কন্যা’ সিনেমার পোস্টার

২০০৪ সালের ৮ অক্টোবর ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে যাত্রা শুরু করে দেশের প্রথম মাল্টিপ্লেক্স সিনেমাহল স্টার সিনেপ্লেক্স। ঢাকায় এর পাঁচটি শাখা রয়েছে। ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার (পুরনো রাইফেলস স্কয়ার), মহাখালীর এসকেএস (সেনা কল্যাণ সংস্থা) টাওয়ার, মিরপুরের সনি স্কয়ার এবং বিজয় সরণির বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরে এগুলো অবস্থিত। এছাড়া ঢাকার বাইরে রয়েছে চট্টগ্রামের বালি আর্কেড কমপ্লেক্স ও রাজশাহীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ