Connect with us

গান বাজনা

১৫ বছর পর তিশার কণ্ঠে নতুন গান

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

নুসরাত ইমরোজ তিশা (ছবি: ফেসবুক)

অনেক বছর পর আবার গান গাইলেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। নিজের অভিনীত ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ ওয়েব ফিল্মের টাইটেল গান গেয়েছেন তিনি। যদিও সিনেমা মুক্তির পাঁচ দিন পর প্রকাশিত হলো এটি। গতকাল (৫ ডিসেম্বর) রাতে চরকির ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে এসেছে এই গান।

গত ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় গানটিতে কণ্ঠ দেন তিশা। এরপর নারায়ণগঞ্জের জিন্দা পার্কে এর ভিডিওর শুটিং হয়। এতে হলুদ শাড়ি পরে বিভিন্ন অভিব্যক্তি তুলে ধরেছেন তিনি।

‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র গানের দৃশ্যে নুসরাত ইমরোজ তিশা (ছবি: চরকি)

আবার গান গাওয়া প্রসঙ্গে তিশা সিনেমাওয়ালা নিউজকে বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর পর গাইলাম। এর কথা ও সুর তৈরি হওয়ার আমিই গাইতে চেয়েছি।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে গান গাইতেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। দিলশাদ নাহার কনা, রুমানা খান ও নাফিজা জাহানকে নিয়ে মেয়েদের ব্যান্ড অ্যাঞ্জেল ফোর গড়ে সংগীতে নিয়মিত ছিলেন তিনি। পরে কনা ছাড়া বাকি তিন জনই অভিনয়ে ব্যস্ত হওয়ায় ব্যান্ডটি আর এগোয়নি। দেড় দশক পর পুরোনো পরিচয়ে ভক্তদের সামনে এলেন তিশা।

গানটির কয়েকটি লাইন হলো, ধীরে ধীরে ঘিরে যত ভয়/ফিরে ফিরে তবু যেতে হয়/জীবন অলিখিত ভ্রমণ, আর কিছু নয়। এর কথা লিখেছেন ইশতিয়াক আহমেদ, সুর ও সংগীতায়োজনে চিরকুট ব্যান্ডের সদস্য পাভেল আরীন।

ইলহামের জন্মের পর ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ নুসরাত ইমরোজ তিশার প্রথম সিনেমা। শুধু অভিনয় ও গান নয়, এর মাধ্যমে প্রথমবার গল্পকার পরিচয় যুক্ত হয়েছে তার নামের পাশে। সিনেমার শেষ দৃশ্যের পর একটি মিউজিক ভিডিও রয়েছে, এতে ইলহামকে দেখা যায়। এটাই তার প্রথম মিউজিক ভিডিও।

‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র দৃশ্যে নুসরাত ইমরোজ তিশা (ছবি: চরকি)

নিজের পরিচালিত ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’তে প্রথমবার অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তাকে দেখা গেছে ফিল্মমেকার ফারহান চরিত্রে। তিশা আছেন অভিনেত্রী তিথির ভূমিকায়। বিয়ের অনেক বছর পেরিয়ে যাওয়ায় সন্তান নিতে সামাজিক চাপে পড়ে তারা। একপর্যায়ে গর্ভধারণ করে তিথি। এরপর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন অপ্রিয় সত্য বেরিয়ে আসতে থাকে। ৮২ মিনিটের এই ওয়েব ফিল্মে আরো অভিনয় করেছেন ইরেশ যাকের, ডলি জহুর, শরাফ আহমেদ জীবনসহ অনেকে।

‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র পোস্টারে নুসরাত ইমরোজ তিশা ও মোস্তফা সরয়ার ফারুকী (ছবি: চরকি)

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের প্রথম সিনেমা ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’। মোট ১২ জন নির্মাতা এই প্রকল্পে ১২টি ফিল্ম বানাচ্ছেন। পুরো প্রকল্পের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র পাশাপাশি তিনি পরিচালনা করেছেন ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী’ নামের আরেকটি সিনেমা। আগামী বছর মুক্তি পাবে এটি।

গান বাজনা

ইউটিউবের গ্লোবাল টপ হান্ড্রেড সংস চার্টের চার নম্বরে ‘লাগে উরাধুরা’

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘লাগে উরাধুরা’ গানে শাকিব খান ও মিমি চক্রবর্তী (ছবি: এসভিএফ)

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের ‘তুফান’ সিনেমার গান ‘লাগে উরাধুরা’ জায়গা করে নিয়েছে ইউটিউবের গ্লোবাল টপ হান্ড্রেড সংস চার্টের চার নম্বরে। এবারই প্রথম বাংলাদেশের কোনো গান এই তালিকার শীর্ষ পাঁচের মধ্যে ঢুকলো। এছাড়া গ্লোবাল টপ মিউজিক ভিডিও চার্টের ৬২ নম্বরে রয়েছে এটি।

‘তুফান’ সিনেমার পরিচালক রায়হান রাফী গতকাল (১২ জুলাই) সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, ‘লাগে উরাধুরা’ গানটি গ্লোবাল টপ হান্ড্রেড সংস চার্টের চার নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। ইউটিউব গ্লোবাল উইকলি (২৮ জুন থেকে ৪ জুলাই) টপ সংস চার্ট প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

ইউটিউবের গ্লোবাল উইকলি টপ সংস চার্ট

গত ২৭ মে ইউটিউবে চরকির চ্যানেলে অবমুক্ত করা হয় ‘লাগে উরাধুরা’। এখন পর্যন্ত এর ভিউ ৩ কোটি ৯০ লাখের বেশি। গানটি গেয়েছেন প্রীতম হাসান ও দেবশ্রী অন্তরা। এটি লিখেছেন শরিফ উদ্দিন ও রাসেল মাহমুদ। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন প্রীতম হাসান ও প্রয়াত মাতাল রাজ্জাক দেওয়ান।

‘লাগে উরাধুরা’ গানে প্রীতম হাসান, মিমি চক্রবর্তী ও শাকিব খান (ছবি: এসভিএফ)

‘লাগে উরাধুরা’ গানে শাকিব খানের সঙ্গে কলকাতার নায়িকা মিমি চক্রবর্তীর রসায়ন দেখা গেছে। এছাড়া সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান হাজির হয়েছেন শেষাংশে। নৃত্য পরিচালনা করেছেন ভারতের আদিল শেখ। পোশাক পরিকল্পনায় ফারজানা সান, শিল্প নির্দেশনায় শিহাব নুরুন নবী, চিত্রগ্রহণে তাহসিন রহমান।

‘লাগে উরাধুরা’ গানে মিমি চক্রবর্তী ও শাকিব খান (ছবি: এসভিএফ)

সিনেমাটির সব গানই সাড়া ফেলেছে। আকাশ সেনের কথা, সুর ও সংগীতে ‘দুষ্টু কোকিল’ গেয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা। টাইটেল গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আরিফ রহমান জয়। এতে র‍্যাপ করেছেন রাপাস্তা দাদু। এর কথা লিখেছেন তাহসান শুভ, সুর ও সংগীত পরিচালনায় নাভেদ পারভেজ।

‘লাগে উরাধুরা’ গানে শাকিব খান ও মিমি চক্রবর্তী (ছবি: এসভিএফ)

‘তুফান’ প্রযোজনা করেছেন প্রযোজক আলফা-আই স্টুডিওজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল। এর আন্তর্জাতিক পরিবেশক এসভিএফ, ডিজিটাল পার্টনার চরকি।

পড়া চালিয়ে যান

গান বাজনা

রুনা লায়লা ৬০ নটআউট!

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্তির আয়োজনে রুনা লায়লা (ছবি: চ্যানেল আই)

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্ণ হলো। গান রেকর্ডিংয়ের হিসাবে আজ (২৪ জুন) এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারে মোট ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন এই মহাতারকা।

রুনা লায়লার সংগীতজীবনের ছয় দশক পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে ঢাকার তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আইয়ের ছাদবারান্দায়। এখান থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘রুনা লায়লা: সংগীত জীবনের ৬০ বছর।’ তিনি বলেন, ‘আপনাদের দোয়া, আশীর্বাদ ও ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। এই ভালোবাসা, আশীর্বাদ শ্রদ্ধা যেন চিরকাল আমার সঙ্গে থাকে।’

নিজের সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্তির আয়োজনে শাইখ সিরাজের সঙ্গে রুনা লায়লা (ছবি: চ্যানেল আই)

অনুষ্ঠানে চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য তো বটেই, গোটা উপমহাদেশের সংগীতপিপাসু সকলের জন্যই আনন্দের একটি দিন। রুনা লায়লা উপমহাদেশের সংগীতকে যেভাবে সমৃদ্ধ করেছেন, বাঙালি হিসেবে আমরা গর্ববোধ করি।’

বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান অভিনেতা আলমগীরের আজ একটি বিশেষ দিন। ১৯৭২ সালের ২৪ জুন সর্বপ্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান তিনি।

নিজের সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্তির আয়োজনে আলমগীরের সঙ্গে রুনা লায়লা (ছবি: চ্যানেল আই)

ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশ-বিদেশের তারকারা। সনু নিগাম বলেন, ‘আপনি দারুণ গুণী শিল্পী ও সুন্দর। আপনার ব্যবহার ভালো। আপনার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হয়েছিলো আমার। যখন থেকে আমার চোখ খুলেছে, তখন থেকে আপনাকে শুনছি। আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা। পৃথিবী আপনাকে ভালোবাসে, আমি আপনাকে ভালোবাসি।’

পাকিস্তানের অভিনেতা ইমরান আব্বাস শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘আপনি বাকি জীবন গাইতে থাকুন, পৃথিবীকে সমৃদ্ধ করুন। পাকিস্তান থেকে ভালোবাসা জানাই।’

অনুষ্ঠানের শেষে রুনা লায়লার কালজয়ী গান ‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাবো’ গেয়ে শোনান গায়িকা সোমনূর মনির কোনাল। এছাড়া গান গেয়েছেন ইমরান মাহমুদুল, ঝিলিক, লুইপা, অনিমা মুক্তি, অনন্যা।

রুনা লায়লা (ছবি: ফেসবুক)

১৯৬৪ সালের ২৪ জুন মাত্র ১২ বছর বয়সে পাকিস্তানের ‘জুগনু’ সিনেমার ‘গুড়িয়া সি মুন্নি মেরি ভাইয়া’ গানটি গাওয়ার মধ্য দিয়ে পেশাগতভাবে প্লেব্যাকে মনোনিবেশ করেন রুনা লায়লা। গানটি লিখেছেন তিসনা মেরুতি, সুর করেন মানজুর। এরপর পাকিস্তানের বহু সিনেমার জন্য গেয়েছেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের আগেই ১৯৭০ সালের ২৯ মে মুক্তিপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘স্বরলিপি’র মাধ্যমে প্রথম বাংলাদেশের সিনেমায় প্লেব্যাক করেন রুনা লায়লা। এতে তার গাওয়া ‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে’ গানটি তুমুল শ্রোতাপ্রিয়তা পায়। এটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সুর করেন সুবল দাস। গানটির সঙ্গে পর্দায় ঠোঁট মিলিয়েছেন চিত্রনায়িকা ববিতা। প্রথম প্লেব্যাকেই ব্যাপক সাড়া ফেলে দেওয়ায় বাংলাদেশের সিনেমার গানে তার কণ্ঠের কদর বেড়ে যায়। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে এসে তিনি একে একে বহু সিনেমায় প্লেব্যাক করে শ্রোতা-দর্শককে মুগ্ধ করেছেন।

রুনা লায়লা

রুনা লায়লা (ছবি: ফেসবুক)

বাংলা ভাষায় রুনা লায়লার বহু আধুনিক জনপ্রিয় গান রয়েছে। তিনি ‘দি রেইন’, ‘জাদুর বাঁশি’, ‘অ্যাক্সিডেন্ট’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘দেবদাস’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ ও ‘তুমি আসবে বলে’ সিনেমায় প্লেব্যাকের জন্য সেরা গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

পড়া চালিয়ে যান

গান বাজনা

‘রূপবান’ মিলার নতুন আইটেম গান ‘টোনা টুনি’

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

মিলা ইসলাম (ছবি: জি-সিরিজ)

পপ গায়িকা মিলা ইসলাম চমক নিয়ে ফিরছেন। ঈদুল আজহা উপলক্ষে নতুন একটি গান আনছেন তিনি। এর শিরোনাম ‘টোনা টুনি’। গায়িকা নিজেই এই গান লিখেছেন এবং সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন। আইটেম গানের উপযোগী করে সাজানো হয়েছে এটি।

‘টোনা টুনি’র ভিডিওতে নেচেছেন মিলা। তার সঙ্গে মডেল হয়েছেন মারুফ চৌধুরী অমি। এটি নির্মাণ করেছেন ইলজার ইসলাম। ইউটিউবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজের চ্যানেলে আগামীকাল (১৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় মিউজিক ভিডিওটি মুক্তি পাচ্ছে।

নতুন গান নিয়ে আশাবাদী মিলা। এতে তার জনপ্রিয় গান ‘রূপবান’-এর আবহ পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, “শ্রোতাদের প্রিয় ‘রূপবান’ গানের পর আর কখনো আমাকে আইটেম গানে দেখা যায়নি। তবে ভক্তদের চাওয়া ছিলো এমন কাজ যেন আবার করি। কিন্তু মনের মতো গান পাচ্ছিলাম না। শেষ পর্যন্ত নিজেই গানের কথা লিখে সুর ও সংগীতায়োজন করেছি।”

মিলা যোগ করেন, “ভক্তদের প্রত্যাশা পূরণ করতে ‘টোনা টুনি’ গানে হাজির হচ্ছি। তবে এমন আইটেম গান আর কখনো করবো না। এটাই আমার দ্বিতীয় ও শেষ আইটেম গান। দুই বছর ধরে এটি তৈরি করেছি। শ্রোতা-দর্শকদের কাছে একটি চমক নিয়ে ফিরতে চেয়েছি। ‘টোনা টুনি’ গানের কথাগুলো একেবারে আলাদা। আমি ড্যান্সার না তারপরও এই গানের জন্য নাচ করতে হয়েছে। নিজের সেরাটা দিয়ে ভালো করার চেষ্টা করেছি। এতটুকু বলতে পারি বিভিন্ন উৎসব মাতানোর মতো একটি গান হয়েছে। গানটি দিয়ে মঞ্চ মাতানোর অপেক্ষায় আছি। এখন দর্শক-শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় আছি।’

‘টোনা টুনি’র পোস্টারে মিলা ইসলাম (ছবি: জি-সিরিজ)

মাঝে নতুন গানের অনেক প্রস্তাব পেলেও ‘টোনা টুনি’র কথা ভেবে অপেক্ষায় ছিলেন মিলা। গানের টিজার প্রকাশের পর ভক্তদের আগ্রহ দেখে তার প্রত্যাশা বেড়েছে।

মিলা জানিয়েছেন, টিকটকে ‘টোনা টুনি’ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভিউ হবে যাদের এবং যারা ভালো নাচবেন, এমন ১০ জনের সঙ্গে তিনি গানটির তালে পারফর্ম করবেন।

জি-সিরিজ থেকে নতুন গান আনা প্রসঙ্গে মিলা বলেন, ‘অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী নাজমুল হক ভূঁইয়া খালেদ আমাকে মেয়ের মতো স্নেহ করেন। তিনি আমার সুখে-দুখে সবসময় পাশে ছিলেন। আমিও ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত গানের কথা ভাবলে জি-সিরিজের নাম আগে মাথায় আসে। তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দারুণ। বলা যায় জি-সিরিজ আমার নিজের ঘর। সেজন্য তাদের মাধ্যমেই নতুন গান প্রকাশ করছি।’

‘টোনা টুনি’র পোস্টারে মিলা ইসলাম (ছবি: জি-সিরিজ)

সর্বশেষ তিন বছর আগে জি-সিরিজের ‘আইসালা’ শিরোনামের একটি মিউজিক ভিডিওতে দেখা গেছে মিলাকে। এরপর কাজ কমিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে মঞ্চে সংগীত পরিবেশন নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে তার।

আর বিরতি নয়, মিলা এখন থেকে গানে নিয়মিত হবেন। পাশাপাশি আরো বেশি সরব থাকবেন মঞ্চে। তার কথায়, ‘বিভিন্ন কারণে মাঝে কিছু সময় নষ্ট হয়েছে। আর যেন এমন না হয় সেদিকে সজাগ থাকবো। মঞ্চে সংগীত পরিবেশনার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া নতুন গানের কাজ করছি। চলতি বছর শ্রোতাদের আরো কয়েকটি গান উপহার দিতে চাই।’

পড়া চালিয়ে যান
Advertisement

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ