Connect with us

হলিউড

৭ বছরের পুরনো গাউনে ‘টাইটানিক’ নায়িকা

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

কেট উইন্সলেট

‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ সিনেমার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারে কেট উইন্সলেট (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)

শোবিজ তারকারা চাইলেই যখন-তখন স্টাইলিস্ট ও ডিজাইনারদের কাছ থেকে নতুন নতুন পোশাক পেয়ে যান। তবে খুব বেশি প্রয়োজন না পড়লে এক্ষেত্রে অপচয়ের পক্ষপাতী নন অনেকে। ফলে প্রথম সারির তারকাদের মধ্যে কেউ কেউ একই পোশাক পরে একাধিক অনুষ্ঠানে হাজির হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে প্রায়ই। অস্কারজয়ী অভিনেত্রী কেট উইন্সলেটের নাম যুক্ত হলো এই তালিকায়। সাত বছরের পুরনো গাউন পরে ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ সিনেমার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারের নীল কার্পেটে হাজির হন তিনি।

গত ৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যে লন্ডনের লেস্টার স্কয়ারে ব্যাজলি মিশকার ছাইরঙা গাউনে দেখা গেছে কেট উইন্সলেটকে। পোশাকটির একপাশে ঝিকিমিকি রুপালি ফুলের অলঙ্করণ রয়েছে। ৪৭ বছর বয়সী এই তারকার কানে ছিল হীরার দুল।

২০১৫ সালে টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নিজের অভিনীত ‘দ্য ড্রেসমেকার’ সিনেমার প্রিমিয়ারে অংশ নিতে একই গাউন বেছে নিয়েছিলেন কেট উইন্সলেট।

কেট উইন্সলেট

‘দ্য ড্রেসমেকার’ সিনেমার প্রিমিয়ারে কেট উইন্সলেট (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিনে কেট উইন্সলেট জানান, সিনেমার প্রচারণায় রেড কার্পেটে হাজির হওয়ার জন্য পোশাকের প্রস্তুতিকে চাপ মনে করেন তিনি। তখনই ‘টাইটানিক’ তারকা ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে একই পোশাক পরে একাধিক অনুষ্ঠানে যাবেন।

জেমস ক্যামেরন পরিচালিত সর্বকালের সবচেয়ে ব্যবসাসফল সিনেমা ‘অ্যাভাটার’-এর বহুল প্রতীক্ষিত সিক্যুয়েল ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। ১৩ বছর পর প্যান্ডোরার মন্ত্রমুগ্ধ করা ভুবন আবার দর্শকদের সামনে ফিরে আসছে। এটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ৩৫ কোটি মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ হাজার ৬১৬ কোটি ৭৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অ্যাভাটার’ আয় করেছিলো ২৮০ কোটি মার্কিন ডলার। আশা করা হচ্ছে, সিক্যুয়েলটি আরো বেশি ব্যবসা করবে। কারণ ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও ‘অ্যাভাটার’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ কমেনি। গত মে মাসে এর টিজার মুক্তির প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ১৪ কোটি ৮০ লাখ বার দেখা হয়েছে।

জেমস ক্যামেরনের পরিচালনায় ‘টাইটানিক’ সিনেমায় অভিনয় করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি পান কেট উইন্সলেট। ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-এর মাধ্যমে ২৫ বছর পর আবার তারা একসঙ্গে কাজ করলেন। তাকে দেখা যাবে না’ভি মেয়ে রোনাল চরিত্রে।

‘অ্যাভাটার’ সিনেমায় দেখা যায়, প্যান্ডোরার মনোরম ভুবনে নীল না’ভি জনগণ সুখে দিন কাটাচ্ছিলো। কিন্তু প্রাকৃতিক সম্পদ দখল করতে আসা লোভী মানুষদের কারণে তাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে।

‘অ্যাভাটার’ যেখানে শেষ হয়েছিলো, সেখান থেকে ১০ বছর পর নতুন সিনেমার গল্প শুরু হবে। এতে দেখা যাবে, প্যান্ডোরার নীল অধিবাসী জ্যাক সালি ও নেইতিরি দম্পতি এখন পাঁচ সন্তানের বাবা-মা। কিছু অসাধু মানুষের কারণে তাদের শান্তিপূর্ণ জীবনে সংকট নেমে আসে। সালি, নেইতিরি ও তাদের সন্তানেরা সমুদ্রের মেটকাইনা গোষ্ঠীর কাছে আশ্রয় চেয়ে দূরবর্তী অঞ্চলে পালিয়ে যায়। শত্রুদের হুমকি মাথায় নিয়ে সমুদ্রজলে বেঁচে থাকার উপায় শিখতে থাকে তারা।

কেট উইন্সলেট অভিনীত রোনাল চরিত্রটি।

জেমস ক্যামেরনের ‘টাইটানিক’ সিনেমায় অভিনয় করে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি পান কেট উইন্সলেট। ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-এর মাধ্যমে ২৫ বছর পর আবার একসঙ্গে কাজ করলেন তারা। মেটকাইনা বংশের মেয়ে রোনাল চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এজন্য পানির ২০ ফুট গভীরে সাত মিনিট পর্যন্ত দম ধরে রেখে ডুবে থাকার কৌশল রপ্ত করেন তিনি।

গত ৪ ডিসেম্বর লন্ডনে ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ সিনেমার ফটোকলে অংশ নেন কেট উইন্সলেট। এটি মুক্তি পাবে আগামী ১৬ ডিসেম্বর।

কেট উইন্সলেট

‘আই অ্যাম রুথ’ মুভিতে কেট উইন্সলেট ও মিয়া হানি থ্রিপলটন (ছবি: টুইটার)

এদিকে গতকাল (৮ ডিসেম্বর) যুক্তরাজ্যের চ্যানেল ফোরে মুক্তি পেয়েছে কেট উইন্সলেটের নতুন টিভি মুভি ‘আই অ্যাম রুথ’। ডমিনিক স্যাভেজের পরিচালনায় এতে নাম ভূমিকায় দেখা গেছে তাকে। তিনি দুই সন্তানের একাকী মা। তার ১৭ বছরের সন্তান ফ্রেয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিয়া হানি থ্রেপলটন। তারা বাস্তবেও মা-মেয়ে।

দুই ঘণ্টা ব্যাপ্তির এই মুভিতে দেখা যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমে আসক্ত হয়ে ওঠার কারণে ফ্রেয়া পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ে। এখন মোবাইল ফোনের কারণে কিশোর-কিশোরীদের মানসিক অবস্থা কেমন, কীভাবে এটি তাদের আত্মসম্মান ও খাদ্যাভ্যাসকে প্রভাবিত করছে, সেসব তুলে ধরা হয়েছে এই মুভিতে।

কেট উইন্সলেট বিবিসিকে বলেছেন, সন্তানদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের প্রবণতা নিয়ে অভিভাবকরা এখন অসহায়। তার মন্তব্য, শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব রোধে সরকারের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের বয়সসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া প্রয়োজন।

ব্যক্তিজীবনে তিনবার বিয়ে করেছেন কেট উইন্সলেট। মিয়া হানি থ্রিপলটনের বাবা সহকারী পরিচালক জিম থ্রিপলটন। ১৯৯৮ সালে তার সঙ্গে ঘর বাঁধেন উইন্সলেট। তিন বছর পর তাদের ছাড়াছাড়ি হয়। ২০০৩ সালে পরিচালক স্যাম মেন্ডেসের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে জড়ান তিনি। সেই সম্পর্ক টিকেছিলো আট বছর। বর্তমান স্বামী এডওয়ার্ড আবেল স্মিথের সঙ্গে তার বিয়ে হয় ২০১২ সালে।

হলিউড

‘টাইটানিক’ ও ‘অ্যাভাটার’ প্রযোজক মারা গেছেন

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

‘টাইটানিক’ ও ‘অ্যাভাটার’ সিনেমার দৃশ্য এবং জন ল্যান্ডাউ (ছবি: টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স)

‘টাইটানিক’ ও ‘অ্যাভাটার’ সিনেমার অস্কারজয়ী প্রযোজক জন ল্যান্ডাউ মারা গেছেন। তবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। তার বয়স হয়েছিলো ৬৩ বছর। গুণী এই নির্মাতার মৃত্যুতে বিশ্ব সিনেমায় নেমেছে শোকের ছায়া।

স্ত্রী জুলি ল্যান্ডাউ, দুই ছেলে জেমি ও জোডিকে রেখে গেছেন জন ল্যান্ডাউ। তার বোন টিনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। জন ল্যান্ডাউকে যেকোনো মেয়ের জন্য সেরা ভাইয়ের মতো আখ্যা দিয়েছেন তিনি। টিনা লিখেছেন, ‘আমি খুব মর্মাহত। তবে তার অসাধারণ জীবন ও দারুণ সব সিনেমা এবং তিনি আমাকে যে ভালোবাসা ও উপহার দিয়েছেন সেসবের জন্য আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ।’

১৯৯৮ সালের অস্কারে জন ল্যান্ডাউ ও জেমস ক্যামেরন (ছবি: অস্কার)

জন ল্যান্ডাউকে ভাবা হতো জেমস ক্যামেরনের ডান হাত। তাদের যৌথ প্রয়াস ‘টাইটানিক’ (১৯৯৭) বিশ্বব্যাপী প্রথম ১০০ কোটি ডলারের বেশি ব্যবসা করে। এটি সেরা সিনেমাসহ মোট ১১টি শাখায় অস্কার জিতেছে। প্রযোজক হিসেবে জেমস ক্যামেরন ও জন ল্যান্ডাউ অস্কার পান। সেরা পরিচালক হিসেবেও অস্কার জিতেছেন জেমস ক্যামেরন। তাদের আরেক স্বপ্নের প্রকল্প ‘অ্যাভাটার’ মুক্তি পায় ২০০৯ সালে। ২০২২ সালে বড় পর্দায় এসেছে এর সিক্যুয়েল ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। ‘টাইটানিক’-এর ব্যবসার রেকর্ড ভেঙেছে এগুলো।

জেমস ক্যামেরনের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান লাইটস্টর্ম এন্টারটেইনমেন্টের চিফ অপারেটিং অফিসার পদে দায়িত্ব পালন করেছেন জন ল্যান্ডাউ। তার মৃত্যুর খবর জেনে জেমস ক্যামেরন বলেন, ‘একজন অসাধারণ প্রযোজক ও একজন চমৎকার মানুষ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। জন ল্যান্ডাউ সিনেমার স্বপ্নে বাঁচতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, সিনেমাই হলো মানব শিল্পের চূড়ান্ত রূপ এবং সিনেমা নির্মাণের জন্য প্রথমে মানুষের মতো মানুষ হওয়া চাই। বিশাল উদার মন ও দারুণ কিছু সিনেমার জন্য তিনি অমর হয়ে থাকবেন। একজন বন্ধু ও ৩১ বছরের সহযাত্রীকে হারালাম আমি। মনে হচ্ছে আমার একটি অংশ ছিড়ে গেছে।’

জন ল্যান্ডাউ (ছবি: টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স)

‘অ্যাভাটার’ সিনেমার অভিনেত্রী জোয়ি স্যালডানা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘সত্যিই বিমর্ষ লাগছে। আপনার বিজ্ঞতা ও আনুকূল্য আমাদের অনেককে এমনভাবে গড়ে দিয়েছে যেগুলোর জন্য আমরা সবসময় কৃতজ্ঞ থাকবো।’

পরিচালক পিটার জ্যাকসন ও তার স্ত্রী চিত্রনাট্যকার ফ্র্যান ওয়ালশের ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাভাটার’ সিনেমাগুলোতে ব্যবহার হয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘জন ল্যান্ডাউকে হারিয়ে আমরা গভীর শোকাহত। তিনি যেসব প্রকল্পে কাজ করেছেন সেগুলোতে অতুলনীয় আবেগ ঢেলে দিয়েছেন। তার প্রভাব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাবে।’

হলিউডের দুই প্রযোজক ইলি ও ইডি ল্যান্ডাউয়ের ছেলে জন ল্যান্ডাউ। ১৯৬০ সালের ২৩ জুলাই নিউইয়র্কে জন্ম হয় তার। সত্তর দশকে পরিবারটি লস অ্যাঞ্জেলেসে বসতি গড়ে। ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার ফিল্ম স্কুলে স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি।

আশির দশকে প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন জন ল্যান্ডাউ। মাত্র ২৯ বছর বয়সে প্রযোজনা সংস্থা টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্সের নির্বাহী সহ-সভাপতি হন তিনি। তার তত্ত্বাবধানেই নির্মিত হয়েছে ‘ডাই হার্ড টু’, ‘পাওয়ার রেঞ্জার্স’, ‘দ্য লাস্ট অব দ্য মোহিকানস’, ‘হোম অ্যালোন’, ‘মিসেস ডাউটফায়ার’। ১৯৯৪ সালে জেমস ক্যামেরন পরিচালিত ‘ট্রু লাইস’ পরিবেশনা করেছে টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স। সেই সূত্রে তার সঙ্গে জন ল্যান্ডাউয়ের বোঝাপড়া তৈরি হয়। স্টিভেন সোডারবার্গের ‘সোলারিস’ (২০০২) ও রবার্ট রড্রিগেজের  ‘অ্যালিটা: ব্যাটল অ্যাঞ্জেল’ যৌথভাবে প্রযোজনা করেন তারা।

পড়া চালিয়ে যান

হলিউড

দ্রুততম সময়ে ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা আয়ের রেকর্ড গড়লো ‘ইনসাইড আউট টু’

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

‘ইনসাইড আউট টু’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: ডিজনি)

পিক্সারের ‘ইনসাইড আউট টু’ মুক্তির তিন সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ১০০ কোটি ডলার (১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা) আয়ের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। দ্রুততম সময়ে এই স্তরে পৌঁছানো প্রথম অ্যানিমেটেড সিনেমা এটাই। পিক্সারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানি তথ্যটি জানিয়েছে।

২০২৪ সালে সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ‘ইনসাইড আউট টু’। চলতি বছর ১ বিলিয়ন ডলারের অভিজাত ক্লাবে ঢুকতে পেরেছে কেবল এটাই।

‘ইনসাইড আউট টু’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: ডিজনি)

‘ইনসাইড আউট টু’ হলো ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ইনসাইড আউট’ সিনেমার সিক্যুয়েল। একটি অল্পবয়সী মেয়ের মনোজগত তুলে ধরা হয় এতে। এটি বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ৮৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার (১০ হাজার ৬৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা)।

ওয়াল্ট ডিজনি স্টুডিওস মোশন পিকচার্সের পরিবেশনায় গত ১৪ জুন উত্তর আমেরিকায় মুক্তি পায় ‘ইনসাইড আউট টু’। ১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট দৈর্ঘ্যের সিনেমাটির বাজেট ২০ কোটি ডলার।

নতুন সিনেমায় রাইলি নামের মেয়েটি কিশোরী হয়ে উঠেছে। গল্পে উদ্বেগ ও হিংসাসহ নিজের নতুন আবেগের সঙ্গে সংগ্রাম করে সে। এবারের কিস্তি পরিচালনা করেছেন কেলসি মান। এটাই তার পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। নতুন গল্পটি মেগ লেফভকে নিয়ে লিখেছেন তিনি।

অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে আগের পর্বে কাজ করা অ্যামি পোলার, ফিলিস স্মিথ, লুইস ব্ল্যাক, ডায়ান লেন ও কাইল ম্যাকলকল্যান নতুন সিনেমাতে ফিরেছেন। নতুন যুক্ত হয়েছেন মায়া হোক, আয়ো এডেবিরি, আদেল এক্সারকোপুলোস, গ্রেস লু, টনি হেল, কেনজিংটন টলম্যান, লিলিমার, লাইজা লাপিরা, সুমাইয়া নুরিদ্দীন-গ্রিন, পল ওয়াল্টার হাউজার।

পড়া চালিয়ে যান

হলিউড

‘ডেসপিকেবল মি ফোর’ যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশে একই দিনে

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

‘ডেসপিকেবল মি ফোর’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: ইউনিভার্সেল পিকচার্স)

হলিউডের অ্যানিমেটেড কমেডি ফ্র্যাঞ্চাইজ ‘ডেসপিকেবল মি’ সারাবিশ্বে ছোট-বড় সব বয়সী দর্শকের প্রিয়। গত ১৪ বছরে সিক্যুয়েল ও প্রিক্যুয়েল মিলিয়ে এর ছয়টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এবার বড় পর্দায় আসছে ‘ডেসপিকেবল মি ফোর’। ইউনিভার্সেল পিকচার্সের পরিবেশনায় আজ (৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে এটি।

‘ডেসপিকেবল মি ফোর’ মূলত ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডেসপিকেবল মি থ্রি’র সিক্যুয়েল। এবারও প্রধান চরিত্র গ্রু হিসেবে কণ্ঠ দিয়েছেন আমেরিকান তারকা স্টিভ ক্যারেল। এছাড়া বিভিন্ন চরিত্রে আছেন ক্রিস্টেন উইগ, উইল ফেরেল, সোফিয়া ভারজারা, জোয়ি কিং, স্টিফেন কোলবার্ট, মিরান্ডা কসগ্রোভ, স্টিভ কুগ্যান, ক্লোয়ি ফাইনম্যান, পিয়ের কফিন।

আড়াই কোটি ডলার বাজেটে নতুন সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আমেরিকান নির্মাতা ক্রিস রেনো। তিনি ও পিয়ের কফিন প্রথম দুটি পর্বের পরিচালক ছিলেন। তৃতীয় কিস্তি পরিচালনা করেন পিয়ের কফিন ও কাইল ব্যাল্ডা। নতুন পর্বের দৈর্ঘ্য ১ ঘণ্টা ৩৪ মিনিট।

এবারের গল্পে দেখা যাবে, গ্রু, লুসি, মার্গো, এডিথ ও আনিয়েস নিজেদের পরিবারে স্বাগত জানায় নতুন সদস্য গ্রু জুনিয়রকে। সে সারাক্ষণ বাবাকে জ্বালাতন করে। এদিকে গ্রু’র নতুন শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয় ম্যাক্সিম লে ম্যাল ও তার প্রেমিকা ভ্যালেন্টিনা। নিজেকে তেলাপোকার দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে সাজায় ম্যাক্সিম। তাদের কারণে গ্রু’র পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খায় অ্যান্টি-ভিলেন লিগ (এভিএল) এজেন্টরা। গ্রু জুনিয়রকে অপহরণ করে উড়ন্ত তেলাপোকা জাহাজে আটকে রাখে ম্যাক্সিম।

পড়া চালিয়ে যান
Advertisement

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ