Connect with us

টেলিভিশন

জিমে পড়ে গিয়ে ভারতীয় এই টিভি অভিনেতার মৃত্যু

সিনেমাওয়ালা ডেস্ক

Published

on

সিদ্ধান্ত বীর সূর্যবংশী

সিদ্ধান্ত বীর সূর্যবংশী (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)

অভিনেতা-মডেল সিদ্ধান্ত বীর সূর্যবংশী আর নেই। জিমে শরীরচর্চা করার সময় পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘কসৌটি জিন্দেগি কে’র সুবাদে পরিচিত তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিলো ৪৬ বছর।

প্রথমে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিলো, শুক্রবার (১১ নভেম্বর) জিমে ব্যায়াম করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সিদ্ধান্ত। তার পরিবার কোনো বিবৃতি না দিলেও অভিনেতা জয় ভানুশালী আকস্মিক মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক জানাতে প্রয়াত অভিনেতার একটি ছবি শেয়ার করেছেন।

সিদ্ধান্ত বীর সূর্যবংশী

সিদ্ধান্ত বীর সূর্যবংশী (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)

১৯৭৫ সালের ১‌৫ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন আনন্দ সূর্যবংশী। মডেল হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিলো তার। ২০০১ সালে সনি এন্টারটেইনমেন্ট চ্যানেলের ‘কুসুম’ সিরিজের মাধ্যমে টেলিভিশন অঙ্গনে পা রাখেন তিনি। ২০১৬ সালে নিজের নাম বদলে সিদ্ধান্ত বীর সূর্যবংশী রাখেন তিনি। তার অভিনীত বেশকিছু টিভি সিরিজ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে ‘সুফিয়ানা ইশক মেরা’, ‘ওয়ারিশ’, ‘কৃষ্ণ অর্জুন’, ‘কেয়া দিল মে হ্যায়’, ‘মমতা’, ‘সূর্যপুত্র কর্ণ’, ‘জমিন সে আসমান তক’, ‘বিরুদ্ধ’, ‘ভাগ্য বিধাতা’, ‘সাত ফেরে: সালোনি কা সফর’, ‘গৃহস্তী’। সবশেষ জিটিভির ‘কিউ রিশতো মে কাট্টি বাট্টি’ এবং সনি সাব চ্যানেলের ‘জিদ্দি দিল মানে না’তে দেখা গেছে তাকে।

সিদ্ধান্ত বীর সূর্যবংশী

ছেলেমেয়ে মার্ক ও ডিজা এবং স্ত্রী অ্যালেসিয়া রাউতের সঙ্গে সিদ্ধান্ত বীর সূর্যবংশী (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)

ব্যক্তিজীবনে দুইবার বিয়ে করেছেন সিদ্ধান্ত বীর সূর্যবংশী। প্রথম স্ত্রী ইরা সূর্যবংশীর সঙ্গে ২০০০ সালে ঘর বেঁধেছিলেন তিনি। সেই সম্পর্ক টিকেছে পাঁচ বছর। তাদের ঘরে আছে কন্যাসন্তান ডিজা সূর্যবংশী। তার বয়স এখন ১৮ বছর।

২০১৭ সালে ভারতীয় বংশোদ্ভূত রুশ সুপার মডেল অ্যালেসিয়া রাউতের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে জড়ান সিদ্ধান্ত বীর সূর্যবংশী। অ্যালেসিয়া এর আগে রুশ অর্থনীতিবিদ আলেক্সান্ডার ইয়ানোভস্কির সঙ্গে সংসার করেছেন। তাদের ছেলের নাম মার্ক।

টেলিভিশন

যুক্তরাজ্যের চ্যানেল ফোরে ও সিডনি উৎসবে ফারুকীর ‘অটোবায়োগ্রাফি’

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র পোস্টারে নুসরাত ইমরোজ তিশা, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল (ছবি: চরকি)

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ দেখাবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ফোর। আগামী জুন থেকে শুরু হওয়া অধিবেশনে প্রচার হবে এটি।

চ্যানেল ফোরে প্রথম বাংলাদেশি সিনেমা হিসেবে প্রদর্শিত হয় তারেক মাসুদের ‘মাটির ময়না’। এরপর তারেক মাসুদের আরো দুটি বাংলা সিনেমা দেখা গেছে এতে।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার মর্যাদাপূর্ণ সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’। আগামী ৫ জুন শুরু হওয়া এই উৎসব চলবে ১২ দিনব্যাপী। এতে ফারুকীর সঙ্গে অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা ও প্রযোজক রেদওয়ান রনির অংশ নিতে যাওয়ার কথা রয়েছে।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী (ছবি: ফেসবুক)

পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, “ফিল্মমেকার হিসেবে ঈদের ডাবল আনন্দ হিসেবে এসেছে দুটি খবর। ঈদে চরকিতে মুক্তি পাওয়া ‘মনোগামী’ নিয়ে তুমুল আলোচনা হচ্ছে। আমার ‘ব্যাচেলর’ মুক্তির পর এমন প্রতিক্রিয়া দেখেছিলাম। দর্শকদের এই অংশগ্রহণে আমি খুবই আনন্দিত। এর সঙ্গে যুক্ত হলো ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র খবর দুটি। চ্যানেল ফোর যুক্তরাজ্যের প্রথম সারির টেলিভিশন। সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অস্ট্রেলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। সব মিলিয়ে আমি কৃতজ্ঞ। যারা ‘মনোগামী’ দেখেছেন কিন্তু ‘অটোবায়োগ্রাফি’ দেখেননি, তাদের আমন্ত্রণ জানাই চরকিতে দেখে ফেলার।”

‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র দৃশ্যে নুসরাত ইমরোজ তিশা (ছবি: চরকি)

‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র অভিনেত্রী ও চিত্রনাট্যকার নুসরাত ইমরোজ তিশা বলেন, “দর্শকদের কাছ থেকে ‘অটোবায়োগ্রাফি’র জন্য ভালোবাসা পেয়েছি এবং এখনও পাচ্ছি, এগুলো অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমার জন্য খুবই অনুপ্রেরণার। কিছু কাজ মানুষের মনের ভেতরে গিয়ে স্পর্শ করে। এটি তেমন একটি কাজ। দর্শকদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।”

গত বছর বুসান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ২৮তম আসরে নির্বাচিত হয় ‘অটোবায়োগ্রাফি’। উৎসবের কিম জিসোক প্রতিযোগিতা শাখায় এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এটি। এরপর মুম্বাইয়ের জিও মামি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘অটোবায়োগ্রাফি’ দেখানো হয় সাউথ এশিয়ান আইকন শাখায়।

‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র দৃশ্যে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও নুসরাত ইমরোজ তিশা (ছবি: চরকি)

চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘চরকি সবসময় বিশ্বমানের সিনেমা ও সিরিজ নির্মাণের চেষ্টা করে। আমরা খুবই আনন্দিত চ্যানেল ফোর আমাদের ওয়েব ফিল্ম আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে প্রদর্শনের জন্য বেছে নিয়েছে। এটি দেশের নির্মাতা ও শিল্পীদের জন্য গৌরবের। একইসঙ্গে এর মাধ্যমে বিশ্ববাজারে চরকির ভালো অবস্থান তৈরির প্রমাণ পাওয়া গেলো।’

মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর প্রতিষ্ঠান ছবিয়ালের প্রযোজনা ‘অটোবায়োগ্রাফি’ এবং ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী’ হলো চরকির ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের অংশ। এর আওতায় রয়েছে ১২টি ওয়েব ফিল্ম। ফারুকীর ওয়েব ফিল্ম দুটির পাশাপাশি শিহাব শাহীনের ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ মুক্তি পেয়েছে চরকিতে। ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন ফারুকী।

পড়া চালিয়ে যান

টেলিভিশন

আদনান আল রাজীবের নির্দেশনায় নিপুন-এলিটা দম্পতির অভিনয়

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

(বাঁ থেকে) আদনান আল রাজীব, আশফাক নিপুন ও এলিটা করিম (ছবি: ফেসবুক)

‘মহানগর’ ওয়েব সিরিজের নির্মাতা আশফাক নিপুন ও সংগীতশিল্পী এলিটা করিম দম্পতি প্রথমবার একসঙ্গে অভিনয় করলেন। একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকাতেই দেখা যাবে তাদের। এটি বার্জার রঙের। এর শুটিং হয়েছে ঢাকায়।

বিজ্ঞাপনচিত্রটি নির্মাণ করেছেন আদনান আল রাজীব। তিনি ও আশফাক নিপুন ছিলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ছবিয়ালের সহকারী।

পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয়ে ও মডেল হিসেবে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন আশফাক নিপুন। অন্যদিকে গান ও সাংবাদিকতার ফাঁকে টুকটাক অভিনয়ে দেখা গেছে এলিটাকে। ২০১০ সালে আশফাক নিপুণের পরিচালনায় ‘মুকিম ব্রাদার্স’ ধারাবাহিক নাটকে প্রথমবার অভিনয় করেন তিনি। এতে অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। ২০১৪ সালে ‘ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প’র ‘হোয়াই সো সিরিয়াস’-এ নিপুনের পরিচালনায় অভিনয় করেন এলিটা। ১০ বছর পর বিজ্ঞাপনচিত্রের মাধ্যমে আবার জুটি বাঁধলেন তারা। এবার দুই জনই থাকছেন পর্দার সামনে।

আদনান আল রাজীবের পরিচালনায় ১০ বছর আগে ‘মিডল ক্লাস সেন্টিমেন্ট’ নাটকে অভিনয় করেন নিপুন। এবার মডেল হলেন তিনি।

(বাঁ থেকে) আদনান আল রাজীব, আশফাক নিপুন ও এলিটা করিম (ছবি: ফেসবুক)

২০১৫ সালে ভালোবেসে ঘর বাঁধেন আশফাক নিপুন ও এলিটা করিম। তাদের ব্যাপারে আদনান আল রাজীব বলেন, ‘সবাই জানে আশফাক নিপুন সাবলীল ও প্রাণচঞ্চল। যতটা দেখেছি তাতে মনে হয়েছে, পর্দার সামনে থাকতে ভালোই লাগে তার এবং অভিনয়ে কখনও সংকোচ বোধ করে না। কিন্তু এলিটা করিমকে কতজন জানে! তার সঙ্গে প্রথম দেখা থেকেই কাজ করার সুপ্ত ইচ্ছে ছিলো আমার। তিনি সহজাত প্রতিভাবান এবং পর্দায় অনেক অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারেন। অবশেষে তাদের একসঙ্গে মডেল করার সুযোগ পেয়েছি! কী চমৎকার না?’

এটাই মডেল হিসেবে এলিটার প্রথম কাজ। প্রথমবার আদনান আল রাজীবের নির্দেশনায় কাজ করলেন তিনি। ঈদের পরপরই বিজ্ঞাপনচিত্রটি প্রচারে আসবে।

পড়া চালিয়ে যান

টেলিভিশন

‘আনন্দমেলা’য় রুনা লায়লার গান, সঞ্চালক নুসরাত ফারিয়া

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

রুনা লায়লা (ছবি: বিটিভি)

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গায়িকা রুনা লায়লা প্রথমবার বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ঈদের ‘আনন্দমেলা’য় গান গাইলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। তারা একসঙ্গে বসে কিছুক্ষণ আড্ডাও দিয়েছেন।

রুনা লায়লার গাওয়া নতুন গানটির শিরোনাম ‘চলো গানে গানে গড়ি নতুন পৃথিবী’। তিনি একা নন, এতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা, ইমরান মাহমুদুল, ঝিলিক ও সাব্বির। এর কথা লিখেছেন আনজির লিটন, সুর করেছেন আশরাফ বাবু।

নুসরাত ফারিয়া ও রুনা লায়লা (ছবি: বিটিভি)

প্রযোজক মনিরুল হাসান ও ইয়াসির আরাফাত জানান, বাঙালি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে এবারের ‘আনন্দমেলা’য় থাকছে শত বাউলের অংশগ্রহণে তিনটি বাউল গানের কোলাজ নিয়ে একটি পরিবেশনা। এছাড়া আছে ইসলাম বাউলের কণ্ঠে একটি পালাগান।

(বাঁ থেকে) সাব্বির, দিলশাদ নাহার কনা, নুসরাত ফারিয়া, রুনা লায়লা, ইমরান মাহমুদুল ও ঝিলিক (ছবি: বিটিভি)

অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় গানের তালে নেচেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা ও চিত্রনায়ক জিয়াউল রোশান। সাত নৃত্যগুরুর সঙ্গে নাচে অংশ নিয়েছেন তাদের দুইজন করে শিষ্য। জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পীদের অংশগ্রহণে নৃত্য এবং পুতুলনাচ রয়েছে। ব্যান্ডসংগীত পরিবেশন করেছেন বিভিন্ন ব্যান্ডের সংগীতশিল্পীরা। এছাড়া নাট্যাংশে অংশ নিয়েছেন নাটকের খ্যাতিমান অভিনয়শিল্পীরা।

জিয়াউল রোশান ও তানজিন তিশা (ছবি: বিটিভি)

ঈদের দিন রাত ১০টার ইংরেজি সংবাদের পর বিটিভিতে প্রচার হবে ‘আনন্দমেলা’।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ