Connect with us

মঞ্চ-রেডিও

দীর্ঘ বিরতির পর ঢাকার মঞ্চে ফিরছে ‘ক্রাচের কর্নেল’

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘ক্রাচের কর্নেল’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: বটতলা)

দীর্ঘ বিরতির পর আবার মঞ্চে ফিরছে বটতলার দর্শকপ্রিয় নাটক ‘ক্রাচের কর্নেল’। মাঝে করোনার দুঃসময় ও নতুন তিন প্রযোজনার ব্যস্ততা শেষে নিজেদের গুছিয়ে আবার এই নাটক নিয়ে ফিরছেন নাট্যদলটির মঞ্চকর্মীরা। 

আগামী ১ জুন এবং ২ জুন ঢাকার নাটক সরণি বেইলি রোডের মহিলা সমিতিতে ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে ‘ক্রাচের কর্নেল’ নাটকটির ৫২ ও ৫৩তম দেখা যাবে। দুই দিনই প্রদর্শনী শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে।

বটতলার পরিচালক (যোগাযোগ) কাজী রোকসানা রুমা জানান, করোনা মহামারিতে লকডাউন ও সামাজিক দূরত্বের কারণে অন্য নাটকগুলোর মতো ‘ক্রাচের কর্নেল’-এর প্রদর্শনী বন্ধ রাখতে হয়। সবকিছু স্বাভাবিক হওয়ার পরেও ঢাকার মঞ্চে ফিরতে পারেনি এটি। কারণ গত সাড়ে তিন বছরে বটতলা মঞ্চে এনেছে তিনটি নতুন নাটক। এগুলো হলো ‘মার্ক্স ইন সোহো’, ‘রাইজ আ্যন্ড শাইন’ এবং ‘সখী রঙ্গমালা’।

‘ক্রাচের কর্নেল’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: বটতলা)

‘ক্রাচের কর্নেল’ বটতলার নবম প্রযোজনা। শাহাদুজ্জামানের উপন্যাস থেকে এর নাট্যরূপ দিয়েছেন সামিনা লুৎফা নিত্রা ও সৌম্য সরকার। নির্দেশনায় মোহাম্মদ আলী হায়দার।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর নাটকীয় কালপর্বকে উপজীব্য করে লেখা প্রামাণ্য উপন্যাস ‘ক্রাচের কর্নেল’। এর প্রধান চরিত্র কর্নেল তাহের। একটি বিশেষ ধারার বিপ্লবী রাজনীতির কৌশল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তারপর দুঃসাহসিক অভিযানের মধ্য দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের ক্যান্টনমেন্ট থেকে পালিয়ে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে। যুদ্ধক্ষেত্রে দুর্ধর্ষ এক অপারেশনে হারিয়েছেন একটি পা। ক্রাচে ভর দিয়েই ব্যতিক্রম সিপাহী অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং অবশেষে উপমহাদেশের ঘৃণিত রাজনৈতিক ফাঁসির শিকার হয়েছেন।

‘ক্রাচের কর্নেল’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: বটতলা)

‘ক্রাচের কর্নেল’ নাটকটির মাধ্যমে বটতলা উন্মোচন করতে চেয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অস্থির সময়কে। অনেক তর্ক-যুক্তির মাধ্যমে এগিয়ে চলে নাটকটি। না জানা অনেক বিষয়ের বিশ্লেষণাত্মক উপস্থাপনা এবং ইতিহাসের অলিগলিতে বিচরণই নাটকটির দর্শকপ্রিয়তার মূল কারণ।

নাটকটির অভিনয়শিল্পীরা হলেন ইমরান খান মুন্না, কাজী রোকসানা রুমা, সামিনা লুৎফা নিত্রা, তৌফিক হাসান ভূঁইয়া, ইভান রিয়াজ, ম. সাঈদ, গোলাম মাহবুব মাসুম, নাফিউল ইসলাম ও সুমিত তেওয়ারি রানা।

‘ক্রাচের কর্নেল’-এর সহকারী নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ইমরান খান মুন্না, পোশাক পরিকল্পনায় হুমায়রা আক্তার, কোরিওগ্রাফিতে সামিনা লুৎফা নিত্রা, আলোক পরিকল্পনায় খালিদ মাহমুদ সেজান এবং আবহ সংগীত সাজিয়েছেন পিন্টু ঘোষ।

মঞ্চ-রেডিও

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে আসছে মঞ্চনাটক

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

সংবাদ সম্মেলনে (বাঁ থেকে) রিয়াজ, লাকী ইনাম, মামুনুর রশীদ ও ফরিদুর রেজা সাগর (ছবি: ইমপ্রেস টেলিফিল্ম)

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে প্রচার হবে মঞ্চনাটক। এর অংশ হিসেবে ‘ওটিটিতে মঞ্চনাটক, চ্যানেল আইতে মঞ্চনাটক, মঞ্চনাটক দেখুন, নাট্যকর্মীদের সাথে থাকুন, মঞ্চনাটক সত্যি কথা বলে’– এই স্লোগান নিয়ে পথচলা শুরু করছে আইস্ক্রিন।

আজ (৯ মার্চ) চ্যানেল আই স্টুডিওতে সংবাদ সম্মেলনে উদ্যোগটি প্রসঙ্গে চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, ‘নাটক আমাদের গর্ব। এই নাটক পৃথিবীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।’

সংবাদ সম্মেলনে থাকা নাট্যকার, নির্দেশক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা মামুনুর রশীদের মন্তব্য, ‘আমরা একটি দুঃসময়ে এসে পড়েছি, সংস্কৃতির চর্চা কমে গেছে।’ তার পরামর্শ, নাটক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সংখ্যা বাড়ানোর কথা না ভেবে মান বাড়ানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে (বাঁ থেকে) রিয়াজ, লাকী ইনাম, মামুনুর রশীদ ও ফরিদুর রেজা সাগর (ছবি: ইমপ্রেস টেলিফিল্ম)

একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী লাকী ইনাম মনে করেন, ‘মঞ্চনাটকের আর্কাইভ না থাকায় অনেক নাটক হারিয়ে গেছে। চ্যানেল আইয়ের এই উদ্যোগ অসাধারণ।’

আইস্ক্রিনের প্রকল্প পরিচালক চিত্রনায়ক রিয়াজ বলেন, ‘আইস্ক্রিনের সঙ্গে মঞ্চনাটক যুক্ত হতে যাচ্ছে। এটি একটি অনন্য সহযোজন। দারুণ অভিনেতা-অভিনেত্রীদের যখন আইস্ক্রিন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দর্শকেরা দেখবেন, তখন তারা বুঝবেন অভিনয় কোনো ছেলেখেলা নয়। অভিনয় অনেক বড় ব্যাপার, এটি সাধনা ও ত্যাগের বিষয়।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন টিভি ও ওটিটিতে মঞ্চনাটক প্রচারের প্রকল্প প্রধান শহীদুল আলম সাচ্চু এবং শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক আমীরুল ইসলাম।

‘বিনোদনের স্মার্ট দুনিয়া’ স্লোগান নিয়ে পথ চলছে ‘আইস্ক্রিন’। ওটিটি প্ল্যাটফর্মটির মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি ৮৯ টাকা, হাফ-ইয়ারলি ২৬৯ টাকা এবং ইয়ারলি ৪৬৯ টাকা।

পড়া চালিয়ে যান

মঞ্চ-রেডিও

তিন দিনে পাঁচবার ‘খোঁজ’

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘খোঁজ’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: ফেইম স্কুল অব ড্যান্স, ড্রামা অ্যান্ড মিউজিক)

ঢাকাস্থ ফরাসি দূতাবাসের প্রযোজনা ও আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ চট্টগ্রামের সহযোগিতায় নাট্যশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফেইম স্কুল অব ড্যান্স, ড্রামা অ্যান্ড মিউজিকের নাট্যকলা বিভাগের মঞ্চে আনছে ‘খোঁজ’। এটি তাদের ২৮তম প্রযোজনা।

চট্টগ্রামের থিয়েটার ইনস্টিটিউট আজ (১৮ জানুয়ারি) থেকে টানা তিন দিনে পাঁচটি মঞ্চায়ন হবে। আজ সন্ধ্যা ৭টায় একটি, আগামীকাল (১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৭টায় দুটি এবং ২০ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৭টায় থাকছে দুটি প্রদর্শনী। প্রবেশপত্র পাওয়া যাবে প্রদর্শনীর আগে মিলনায়তন কাউন্টারে। প্রতিটি প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেখালে ছাড় মিলবে।

‘খোঁজ’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: ফেইম স্কুল অব ড্যান্স, ড্রামা অ্যান্ড মিউজিক)

ইসরায়েলি বংশোদ্ভূত ইতান ও আরব বংশোদ্ভূত ওয়াহিদার ভালো লাগার সম্পর্কে উঠে আসে ধর্ম, রাজনীতি আর মানবিকতার হাহাকার। ৫০০ বছর আগের একজন কূটনীতিকের দর্শন খুঁজতে গিয়ে ওয়াহিদা ও ইতান আবিষ্কার করে জীবনের বিচিত্র অধ্যায়। নাটকের পরতে পরতে উঠে এসেছে মানুষের চিরন্তন অস্তিত্বের লড়াই। অস্তিত্ব, গোত্র ও দলের বড়াইসহ সবই যে দিনশেষে মূল্যহীন, সেটাই প্রতীয়মান হয় এতে।

‘খোঁজ’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: ফেইম স্কুল অব ড্যান্স, ড্রামা অ্যান্ড মিউজিক)

ক্ষমতা, ধর্ম, ব্যক্তিস্বার্থের দ্বন্দ্ব ও ভূূমির আধিপত্য বিস্তারে বিশ্ব টালমাটাল। ফিলিস্তিন পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তুপে। ক্ষুদ্র স্বার্থ আর দ্বন্দ্বে বুঁদ হয়ে মানুষ হারাচ্ছে হিতাহিত জ্ঞান। ‘খোঁজ’ নাটকে তেমনই দ্বন্দ্ব ও সম্পর্কের টানাপোড়েন উঠে এসেছে।

লেবানিজ বংশোদ্ভুত ফরাসি নাট্যকার ওয়াজদি মাওয়াদ রচিত ‘বার্ডস অব অ্যা কাইন্ড’ নাটকটি অনুবাদ করে ‘খোঁজ’ নাম রেখেছেন অসীম দাশ ও কমল বড়ুয়া। এর পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় ফেইম পরিচালক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অসীম দাশ।

‘খোঁজ’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: ফেইম স্কুল অব ড্যান্স, ড্রামা অ্যান্ড মিউজিক)

নাটকটিতে অভিনয় করবেন জীশু দাশ, মুবিদুর সুজাত, কমল বড়ুয়া, সাবিহা বিনতে জসিম, দীপ্ত চক্রবর্তী, পূজা চক্রবর্তী, সৌরভ হোসাইন, অমিতা বড়ুয়া, শাওন দে, পায়েল চৌধুরী ও অপরাজিতা চৌধুরী। পোশাক পরিকল্পনা করেছেন অন্বেষা দাশ।

পড়া চালিয়ে যান

মঞ্চ-রেডিও

প্রাঙ্গণেমোরের ‘রক্তকরবী’র ৫০তম প্রদর্শনী

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘রক্তকরবী’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: প্রাঙ্গণেমোর)

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পাহাড় জেলার শহর শিলংয়ে ১৩৩০ বঙ্গাব্দে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন ‘রক্তকরবী’। ২০২৩ সালে নাটকটি লেখার ১০০ বছর পূর্ণ হলো। এ উপলক্ষে প্রাঙ্গণেমোর নাট্যদল আয়োজন করেছে এর ৫০তম প্রদর্শনী। আগামী ২৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার সেগুন বাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে এটি মঞ্চায়ন হবে।

নাটকটির গল্পে দেখা যায়, মাটির নিচে যক্ষের ধন পোঁতা আছে জেনে পাতালে সুড়ঙ্গ-খোদাই চলছে। এজন্য লোকে জায়গাটির নাম দিয়েছে যক্ষপুরী। এখানকার রাজার ডাকনাম মকররাজ। রাজমহলের বাহির-দেয়ালে একটি জালের জানালা আছে। সেই জালের আড়াল থেকে মকররাজ তার ইচ্ছেমতো পরিমাণে মানুষের সঙ্গে দেখাশোনা করে থাকেন।

রাজ্যের যারা সর্দার তারা যোগ্য লোক এবং যাকে বলে বহুদর্শী। তারা রাজার অন্তরঙ্গ পর্ষদ। তাদের সতর্ক ব্যবস্থাগুণে খোদাইকরদের কাজের মধ্যে ফাঁক পড়ে না এবং যক্ষপুরীর নিরন্তর উন্নতি হতে থাকে। এখানকার মোড়লরা একসময় খোদাইকর ছিলো, নিজ গুণে তাদের পদবৃদ্ধি ও উপাধি লাভ ঘটেছে। কর্মনিষ্ঠতায় তারা অনেক বিষয়ে সর্দারদের ছাড়িয়ে যায়। জেলেদের জালে দৈবাৎ মাঝে মধ্যে অখাদ্য জাতের জলচর জীব আটকা পড়ে। ঘটনাজালের মধ্যে নন্দিনী নামে এক কন্যা আসে। মকররাজ যে বেড়ার আড়ালে থাকেন সেটিকে এই মেয়ে টিকতে দেয় না।

‘রক্তকরবী’ নাটকের দৃশ্য (ছবি: প্রাঙ্গণেমোর)

প্রাঙ্গণেমোরের চতুর্থ প্রযোজনা ‘রক্তকরবী’ নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেত্রী, নাট্যকার ও নির্দেশক নূনা আফরোজ। এতে অভিনয় করেন নূনা আফরোজ, অনন্ত হিরা, প্রকৃতি শিকদার, রামিজ রাজু, আউয়াল রেজা, সাগর রায়, নিজাম লিটন, সবুক্তগীন শুভ, জুয়েল রানা, সুজয়, সুমন, ঝুমুর, বাঁধন, আশা, তমা, আরিফ, পার্থ ও রুমা।

পড়া চালিয়ে যান

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ