Connect with us

গান বাজনা

‘পিপ্পা’র নির্মাতাদের দাবি, ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ নতুন সুরে তৈরির অনুমতি দিয়েছে নজরুলের পরিবার

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

এ আর রাহমান (ছবি: ফেসবুক)

বলিউডের হিন্দি সিনেমা ‘পিপ্পা’র জন্য বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ গানটি নতুনভাবে তৈরি করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন ভারতীয় সুরকার ও সংগীত পরিচালক এ আর রাহমান। এ ঘটনায় বিতর্কের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ‘পিপ্পা’র নির্মাতারা। এর মাধ্যমে তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করলেও একইসঙ্গে জানিয়েছেন, নজরুলের পরিবারের অনুমতি ও যথাযথ স্বত্ব নিয়েই নতুন সুরে সাজানো হয়েছে ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’।

‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ গানের মূল সংস্করণের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন ‘পিপ্পা’র নির্মাতারা। পাশাপাশি তারা স্পষ্ট করেছেন, চুক্তির শর্তাবলী মেনে শিল্পের খাতিরে নজরুলের কথার ওপর নতুন সুর বসিয়েছেন এ আর রাহমান। মূল গানের গানটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য জানা আছে বলেও বিবৃতিতে নির্মাতারা উল্লেখ করেন। তাই নতুন সংস্করণ যদি কারো অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে থাকে সেজন্য ক্ষমা চেয়েছেন তারা।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কাজী নজরুল ইসলামের পুত্রবধূ কল্যাণী কাজী ও তার ছেলে কাজী অনির্বাণের কাছ থেকে যাবতীয় নিয়ম মেনে গানটির স্বত্ব নিয়েছে ‘পিপ্পা’ টিম। তাদের দাবি, গানের কথা ঠিক রেখে সুরের পরিবর্তন চুক্তি অনুযায়ী করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘উপমহাদেশের সংগীতাঙ্গন, সমাজ ও রাজনীতিতে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান অপরিসীম। তাঁর গানটির মূল সুরের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। মূল গানটিকে কেন্দ্র করে শ্রোতাদের আবেগকে সম্মান জানাই আমরা। শিল্প যেহেতু ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল, সেখানে আমাদের পদক্ষেপ যদি কারো আবেগে আঘাত দিয়ে থাকে, সেজন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা, শান্তি ও ন্যায়ের জন্য যারা লড়েছিলেন, তাদের সম্মান জানাতে গানটি তৈরি করা হয়েছে।’

তবে এ আর রহমান কোনো মন্তব্য না করলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘পিপ্পা’র নির্মাতাদের বিবৃতি শেয়ার দিয়েছেন।

ভারতীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইমে গত ১০ নভেম্বর মুক্তি পাওয়া বলিউডের হিন্দি সিনেমা ‘পিপ্পা’য় ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ গানটি নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হয়েছে। সাধারণত জনপ্রিয় গান সুর ঠিক রেখে নতুন সংগীতায়োজনে তৈরি করে থাকেন অনেকে। কিন্তু অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান নিজের মতো সুরারোপ করেছেন। মূলত এখানেই ঘটেছে বিপত্তি। তাকে লাখ লাখ বাঙালি ও নজরুল-অনুরাগীদের বিষোদ্গার হজম করতে হয়েছে।

১৯৭১ সালে যশোরের গরিবপুরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সত্যি ঘটনা অবলম্বনে ‘পিপ্পা’ পরিচালনা করেছেন রাজা কৃষ্ণ মেনন। গল্পের প্রয়োজনে ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ সংযোজন করা হয়েছে সিনেমায়। গত ৭ নভেম্বর জি মিউজিক কোম্পানি এবং এ আর রহমানের ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশিত হয়। এরপরই উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ ও ভারতের বাংলা সংগীতাঙ্গন।

‘পিপ্পা’ সিনেমার পোস্টার (ছবি: রয় কাপুর ফিল্মস)

অবিস্মরণীয় গানটি নতুন সুরে শুনে যারপরনাই ক্ষুব্ধ দুই বাংলার শিল্পীরা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজনদের মন্তব্য ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ বিকৃতি করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রতিবাদ উঠেছে। এতে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন এ আর রহমান।

এআর রহমান, ‘পিপ্পা’ সিনেমার পোস্টার, কাজী নজরুল ইসলাম (ছবি: ফেসবুক)

যেভাবে রচিত হয়েছে ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’
১৯২১ সালে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ কারাগারে থাকাকালীন তাঁর স্ত্রী বাসন্তী দেবীর অনুরোধে স্বদেশপ্রেমের পটভূমিতে ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ রচনা করেন কাজী নজরুল ইসলাম। কারাগার ভাঙার বস্তুনিষ্ঠতা নিয়ে কবিতাটি লেখা। এর শিরোনাম ‘ভাঙার গান’। এটি বাঙ্গালার কথা পত্রিকায় প্রথম প্রকাশ করেন বাসন্তী দেবী। পরে এটি স্থান পায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘ভাঙার গান’ কাব্যগ্রন্থে। ১৯৪৯ সালে গিরীন চক্রবর্তীর কণ্ঠে গান হিসেবে ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ প্রথম শ্রোতাদের কাছে যায়। একই বছর ‘চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন’ সিনেমায় এটি ব্যবহার হয়েছে। জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’ সিনেমায় একই সুরে গানটি রাখা হয়। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিসংগ্রামে বাঙালিদের দেশপ্রেমে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

গান বাজনা

সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদ মারা গেছেন

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

শাফিন আহমেদ (জন্ম: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬১; মৃত্যু: ২৫ জুলাই, ২০২৪)

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদ আর নেই। বাংলাদেশ সময় আজ (২৫ জুলাই) সকাল ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে মারা গেছেন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় একটি হাসপাতালে গত দু’দিন লাইফ সাপোর্টে ছিলেন এই তারকা। 

ভার্জিনিয়াতেই একটি কনসার্টে অংশ নিতে গিয়েছিলেন শাফিন। গত ২০ জুলাই অনুষ্ঠান শুরুর আগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় তাকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না।

শাফিন আহমেদের মৃত্যুতে সংগীতাঙ্গনে এখন শোকের ছায়া। তিনি স্ত্রী ও তিন সন্তান রেখে গেছেন।

১৯৬১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জন্মের পর তার নাম রাখা হয়েছিল মনোজিৎ দাশগুপ্ত। পরে নাম বদলে রাখা হয় শাফিন আহমেদ। শৈশবে বাবা সংগীতজ্ঞ কমল দাশগুপ্তের কাছে উচ্চাঙ্গ আর মা কিংবদন্তি নজরুলসংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগমের কাছে নজরুলসংগীত শিখেছেন শাফিন।

বড় ভাই হামিন আহমেদসহ যুক্তরাজ্যে পড়াশোনার পর দেশে ফিরে শাফিন গড়ে তোলেন মাইলস ব্যান্ড। গান গাওয়ার পাশাপাশি ব্যান্ডে বেজ গিটার বাজাতেন শাফিন। হামিন আহমেদের সঙ্গে বিবাদের জেরে মাইলস থেকে একাধিকবার বেরিয়ে আলাদাভাবে গান করেছেন তিনি। হামিন ও শাফিনের আরেক ভাই মোহাম্মদ তাহসিন।

শাফিন আহমেদের কণ্ঠে জনপ্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘ফিরিয়ে দাও আমারই প্রেম’, ‘আজ জন্মদিন তোমার’, ‘পলাশীর প্রান্তর’ প্রভৃতি।

শাফিন আহমেদের স্মৃতিকথা নিয়ে ‘পথিকার’ নামের একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এটি লিখেছেন সাজ্জাদ হুসাইন।

গানের বাইরে টেলিভিশনের জন্য দুটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেছেন শাফিন আহমেদ। এছাড়া রাজনীতিতে এসে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হয়ে আলোচনা সৃষ্টি করেন তিনি।

পড়া চালিয়ে যান

গান বাজনা

ইউটিউবের গ্লোবাল টপ হান্ড্রেড সংস চার্টের চার নম্বরে ‘লাগে উরাধুরা’

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘লাগে উরাধুরা’ গানে শাকিব খান ও মিমি চক্রবর্তী (ছবি: এসভিএফ)

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের ‘তুফান’ সিনেমার গান ‘লাগে উরাধুরা’ জায়গা করে নিয়েছে ইউটিউবের গ্লোবাল টপ হান্ড্রেড সংস চার্টের চার নম্বরে। এবারই প্রথম বাংলাদেশের কোনো গান এই তালিকার শীর্ষ পাঁচের মধ্যে ঢুকলো। এছাড়া গ্লোবাল টপ মিউজিক ভিডিও চার্টের ৬২ নম্বরে রয়েছে এটি।

‘তুফান’ সিনেমার পরিচালক রায়হান রাফী গতকাল (১২ জুলাই) সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, ‘লাগে উরাধুরা’ গানটি গ্লোবাল টপ হান্ড্রেড সংস চার্টের চার নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। ইউটিউব গ্লোবাল উইকলি (২৮ জুন থেকে ৪ জুলাই) টপ সংস চার্ট প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

ইউটিউবের গ্লোবাল উইকলি টপ সংস চার্ট

গত ২৭ মে ইউটিউবে চরকির চ্যানেলে অবমুক্ত করা হয় ‘লাগে উরাধুরা’। এখন পর্যন্ত এর ভিউ ৩ কোটি ৯০ লাখের বেশি। গানটি গেয়েছেন প্রীতম হাসান ও দেবশ্রী অন্তরা। এটি লিখেছেন শরিফ উদ্দিন ও রাসেল মাহমুদ। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন প্রীতম হাসান ও প্রয়াত মাতাল রাজ্জাক দেওয়ান।

‘লাগে উরাধুরা’ গানে প্রীতম হাসান, মিমি চক্রবর্তী ও শাকিব খান (ছবি: এসভিএফ)

‘লাগে উরাধুরা’ গানে শাকিব খানের সঙ্গে কলকাতার নায়িকা মিমি চক্রবর্তীর রসায়ন দেখা গেছে। এছাড়া সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান হাজির হয়েছেন শেষাংশে। নৃত্য পরিচালনা করেছেন ভারতের আদিল শেখ। পোশাক পরিকল্পনায় ফারজানা সান, শিল্প নির্দেশনায় শিহাব নুরুন নবী, চিত্রগ্রহণে তাহসিন রহমান।

‘লাগে উরাধুরা’ গানে মিমি চক্রবর্তী ও শাকিব খান (ছবি: এসভিএফ)

সিনেমাটির সব গানই সাড়া ফেলেছে। আকাশ সেনের কথা, সুর ও সংগীতে ‘দুষ্টু কোকিল’ গেয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা। টাইটেল গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আরিফ রহমান জয়। এতে র‍্যাপ করেছেন রাপাস্তা দাদু। এর কথা লিখেছেন তাহসান শুভ, সুর ও সংগীত পরিচালনায় নাভেদ পারভেজ।

‘লাগে উরাধুরা’ গানে শাকিব খান ও মিমি চক্রবর্তী (ছবি: এসভিএফ)

‘তুফান’ প্রযোজনা করেছেন প্রযোজক আলফা-আই স্টুডিওজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল। এর আন্তর্জাতিক পরিবেশক এসভিএফ, ডিজিটাল পার্টনার চরকি।

পড়া চালিয়ে যান

গান বাজনা

রুনা লায়লা ৬০ নটআউট!

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্তির আয়োজনে রুনা লায়লা (ছবি: চ্যানেল আই)

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্ণ হলো। গান রেকর্ডিংয়ের হিসাবে আজ (২৪ জুন) এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারে মোট ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন এই মহাতারকা।

রুনা লায়লার সংগীতজীবনের ছয় দশক পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে ঢাকার তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আইয়ের ছাদবারান্দায়। এখান থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘রুনা লায়লা: সংগীত জীবনের ৬০ বছর।’ তিনি বলেন, ‘আপনাদের দোয়া, আশীর্বাদ ও ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। এই ভালোবাসা, আশীর্বাদ শ্রদ্ধা যেন চিরকাল আমার সঙ্গে থাকে।’

নিজের সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্তির আয়োজনে শাইখ সিরাজের সঙ্গে রুনা লায়লা (ছবি: চ্যানেল আই)

অনুষ্ঠানে চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য তো বটেই, গোটা উপমহাদেশের সংগীতপিপাসু সকলের জন্যই আনন্দের একটি দিন। রুনা লায়লা উপমহাদেশের সংগীতকে যেভাবে সমৃদ্ধ করেছেন, বাঙালি হিসেবে আমরা গর্ববোধ করি।’

বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান অভিনেতা আলমগীরের আজ একটি বিশেষ দিন। ১৯৭২ সালের ২৪ জুন সর্বপ্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান তিনি।

নিজের সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্তির আয়োজনে আলমগীরের সঙ্গে রুনা লায়লা (ছবি: চ্যানেল আই)

ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশ-বিদেশের তারকারা। সনু নিগাম বলেন, ‘আপনি দারুণ গুণী শিল্পী ও সুন্দর। আপনার ব্যবহার ভালো। আপনার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হয়েছিলো আমার। যখন থেকে আমার চোখ খুলেছে, তখন থেকে আপনাকে শুনছি। আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা। পৃথিবী আপনাকে ভালোবাসে, আমি আপনাকে ভালোবাসি।’

পাকিস্তানের অভিনেতা ইমরান আব্বাস শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘আপনি বাকি জীবন গাইতে থাকুন, পৃথিবীকে সমৃদ্ধ করুন। পাকিস্তান থেকে ভালোবাসা জানাই।’

অনুষ্ঠানের শেষে রুনা লায়লার কালজয়ী গান ‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাবো’ গেয়ে শোনান গায়িকা সোমনূর মনির কোনাল। এছাড়া গান গেয়েছেন ইমরান মাহমুদুল, ঝিলিক, লুইপা, অনিমা মুক্তি, অনন্যা।

রুনা লায়লা (ছবি: ফেসবুক)

১৯৬৪ সালের ২৪ জুন মাত্র ১২ বছর বয়সে পাকিস্তানের ‘জুগনু’ সিনেমার ‘গুড়িয়া সি মুন্নি মেরি ভাইয়া’ গানটি গাওয়ার মধ্য দিয়ে পেশাগতভাবে প্লেব্যাকে মনোনিবেশ করেন রুনা লায়লা। গানটি লিখেছেন তিসনা মেরুতি, সুর করেন মানজুর। এরপর পাকিস্তানের বহু সিনেমার জন্য গেয়েছেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের আগেই ১৯৭০ সালের ২৯ মে মুক্তিপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘স্বরলিপি’র মাধ্যমে প্রথম বাংলাদেশের সিনেমায় প্লেব্যাক করেন রুনা লায়লা। এতে তার গাওয়া ‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে’ গানটি তুমুল শ্রোতাপ্রিয়তা পায়। এটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সুর করেন সুবল দাস। গানটির সঙ্গে পর্দায় ঠোঁট মিলিয়েছেন চিত্রনায়িকা ববিতা। প্রথম প্লেব্যাকেই ব্যাপক সাড়া ফেলে দেওয়ায় বাংলাদেশের সিনেমার গানে তার কণ্ঠের কদর বেড়ে যায়। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে এসে তিনি একে একে বহু সিনেমায় প্লেব্যাক করে শ্রোতা-দর্শককে মুগ্ধ করেছেন।

রুনা লায়লা

রুনা লায়লা (ছবি: ফেসবুক)

বাংলা ভাষায় রুনা লায়লার বহু আধুনিক জনপ্রিয় গান রয়েছে। তিনি ‘দি রেইন’, ‘জাদুর বাঁশি’, ‘অ্যাক্সিডেন্ট’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘দেবদাস’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ ও ‘তুমি আসবে বলে’ সিনেমায় প্লেব্যাকের জন্য সেরা গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

পড়া চালিয়ে যান
Advertisement

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ